ইপেপার । আজ মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভায় ওয়াটার স্যানিটেশন ও হাইজিন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ১২:২৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  • / ৩২১ বার পড়া হয়েছে

Exif_JPEG_420

 

Exif_JPEG_420
Exif_JPEG_420

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। আর এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক কাজ করে যাচ্ছে ২০০৬ সাল থেকে। চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলায় ২০১২ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ব্র্যাক কাজ করেছে। চলতি বছরের ফেব্র“য়ারী মাস থেকে আলমডাঙ্গা ও চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় কাজ শুরু করেছে ব্র্যাক। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গতকাল  সকাল সাড়ে ৯টায় চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে ব্র্যাক ওয়াশ কর্মসূচীর সহযোগীতায়, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার আয়োজনে ওয়াটার, স্যানিটেশন ও হাইজিন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্টিত হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেএম মামুন উজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু। প্রধান অতিধি তার বক্তব্যে বলেন, স্যানিটেশন সার্বিক পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়, এটা নিশ্চিত করা সম্ভব মানুষের সচেতনতার মাধ্যমে। সুতরাং এ কাজে তিনি সরকারি বেসরকারি সংস্থার পাশাপাশি সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি আরও জানান, যাদের ল্যাট্রিনের বর্জ্য খাল, ড্রেন বা নালায় মিশে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে পৌরসভার পক্ষ থেকে। কর্মশালায় ব্র্যাক তাদের নিজস্ব একটি বেজ লাইন সার্ভে রিপোর্ট উপস্থিত সকলের উদ্যেশে উপস্থাপন করে। চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৬৬% ল্যাট্রিন হাইজিনের আওতাভূক্ত, ১২% ল্যাট্রিন হাইজিন মধ্যে আসে নাই শুধুমাত্র ওয়াটার সীল ভাঙ্গার কারণে, যা ৬০ থেকে ৭০ টাকা ব্যয়ে করে ঠিক করা সম্ভব। ৫৮৫টি পরিবারের নিজস্ব কোন ল্যাট্রিন নাই, অন্যের বা পৌরসভার স্থাপিত ল্যাট্রিন ব্যবহার করছে, ১৪৮ টি ল্যাট্রিনের বর্জ্য নদী, খাল, ড্রেন বা নালায় মিশে যাচ্ছে বলে সার্ভে রিপোর্টে প্রজেক্টটরের মাধ্যমে দেখানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ একরামুল হক মুক্তা, প্যানেল মেয়র-২ রেজাউল করিম মুন্সি খোকন, কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম খোকন মালিক, সিরাজুল ইসলাম মনি, গোলাম মোস্তফা মাস্তার, শেফালী খাতুন, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফাইজার চোধুরী, দৈনিক সময়ের সমীকরণের বার্তা সম্পাদক হুসাইন মালিক, জেলা ব্র্যাক প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম, ব্র্যাক ওয়াশ কর্মসূচীর ঝিনাইদহ জেলা ব্যবস্থাপক নাসিমা খাতুন, ব্র্যাক ওয়াশ কর্মসূচি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলামসহ অত্র পৌরসভার সকল কমিশনারবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিক, ধর্মীয় নেতা ও নানা শ্রেণী পেশার মানুষ। কর্মশালাটি সার্বিক পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সচিক শরিফুল ইসলাম।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভায় ওয়াটার স্যানিটেশন ও হাইজিন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপলোড টাইম : ১২:২৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬

 

Exif_JPEG_420
Exif_JPEG_420

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। আর এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক কাজ করে যাচ্ছে ২০০৬ সাল থেকে। চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলায় ২০১২ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ব্র্যাক কাজ করেছে। চলতি বছরের ফেব্র“য়ারী মাস থেকে আলমডাঙ্গা ও চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় কাজ শুরু করেছে ব্র্যাক। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গতকাল  সকাল সাড়ে ৯টায় চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে ব্র্যাক ওয়াশ কর্মসূচীর সহযোগীতায়, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার আয়োজনে ওয়াটার, স্যানিটেশন ও হাইজিন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্টিত হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেএম মামুন উজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু। প্রধান অতিধি তার বক্তব্যে বলেন, স্যানিটেশন সার্বিক পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়, এটা নিশ্চিত করা সম্ভব মানুষের সচেতনতার মাধ্যমে। সুতরাং এ কাজে তিনি সরকারি বেসরকারি সংস্থার পাশাপাশি সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি আরও জানান, যাদের ল্যাট্রিনের বর্জ্য খাল, ড্রেন বা নালায় মিশে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে পৌরসভার পক্ষ থেকে। কর্মশালায় ব্র্যাক তাদের নিজস্ব একটি বেজ লাইন সার্ভে রিপোর্ট উপস্থিত সকলের উদ্যেশে উপস্থাপন করে। চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৬৬% ল্যাট্রিন হাইজিনের আওতাভূক্ত, ১২% ল্যাট্রিন হাইজিন মধ্যে আসে নাই শুধুমাত্র ওয়াটার সীল ভাঙ্গার কারণে, যা ৬০ থেকে ৭০ টাকা ব্যয়ে করে ঠিক করা সম্ভব। ৫৮৫টি পরিবারের নিজস্ব কোন ল্যাট্রিন নাই, অন্যের বা পৌরসভার স্থাপিত ল্যাট্রিন ব্যবহার করছে, ১৪৮ টি ল্যাট্রিনের বর্জ্য নদী, খাল, ড্রেন বা নালায় মিশে যাচ্ছে বলে সার্ভে রিপোর্টে প্রজেক্টটরের মাধ্যমে দেখানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ একরামুল হক মুক্তা, প্যানেল মেয়র-২ রেজাউল করিম মুন্সি খোকন, কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম খোকন মালিক, সিরাজুল ইসলাম মনি, গোলাম মোস্তফা মাস্তার, শেফালী খাতুন, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফাইজার চোধুরী, দৈনিক সময়ের সমীকরণের বার্তা সম্পাদক হুসাইন মালিক, জেলা ব্র্যাক প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম, ব্র্যাক ওয়াশ কর্মসূচীর ঝিনাইদহ জেলা ব্যবস্থাপক নাসিমা খাতুন, ব্র্যাক ওয়াশ কর্মসূচি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলামসহ অত্র পৌরসভার সকল কমিশনারবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিক, ধর্মীয় নেতা ও নানা শ্রেণী পেশার মানুষ। কর্মশালাটি সার্বিক পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সচিক শরিফুল ইসলাম।