ইপেপার । আজ মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মিষ্টি খেতে বিয়ের গাড়ি থামিয়ে কোটচাঁদপুর ফাঁড়ি পুলিশের অর্থ আদায়

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ১২:৫২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  • / ৩৯৬ বার পড়া হয়েছে

er4rt

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: মিষ্টি খেতে বিয়ের গাড়ি থামিয়ে অর্থ ব্যানিজ্য করেছে কোটচাঁদপুরের সাবদারপুর ফাড়ি পুলিশ। শুক্রবার রাতে কোটচাঁদপুর-সাবদারপুর সড়কে এ ঘটনা ঘটে। বর পক্ষের মাহবুবুর রহমান জানান,উপজেলার দুতিয়ার কুঠি গ্রামের আসাদুল ইসলামের মেয়ে নারগিসের সঙ্গে নওদা গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে শামীমের  বিয়ে হয় শুক্রবার রাতে। বিয়ের পর সিএনজি যোগে বাড়ি ফিরছিল বর পক্ষের লোকজন। পথিমধ্যে গাড়ি থামায় সাবদারপুর কাম্পের এ এস আই শামীম হোসেন। বলেন বিয়ের কাগজ পত্র ঠিক নাই। বাল্য বিবাহ দেয়া হয়েছে। এরপর দাবী করেন ৫ হাজার টাকা। অনেক দর কষাকষির পর ২ হাজার ৫ শত টাকায় দফারফা হয়। তিনি আরো বলেন বিয়ে পড়ানো হয় গ্রাম্য মাওলানা দিয়ে। কাজী দিয়ে না। কথা হয় মেয়ের ভাই হাসানের সঙ্গে তিনি জানান,ভাই আমার বোনের বয়স ১৮ বছর হয়েছে। তবে ভূল হয়েছে কাজী দিয়ে বিয়ে না পড়ানো। এ ব্যাপারে কথা হয় কাম্পের এ এস আই শামীমের সঙ্গে তিনি জানান, তিনি বলেন রাতের বেলা একটা বিয়ের গাড়ি থামিয়ে ছিলাম। তবে বাল্য বিবাহ কিনা জানিনা। এ ছাড়া আমি তাদের ওই সময় বলেছিলাম রাতের বেলা আমরা ডিউটি করছি কিছু মিষ্টি খেতে দিয়ে যাও। এরপর তারা চলে যায়। তাদের কাছ থেকে কোন টাকা নেয়া হয়নি। যদি কেউ বলে থাকে তাহলে মিথ্যা বলেছে। এ ব্যাপারেকোটচাঁদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মেদ কবির হোসেন কিছুই না বলে জানান।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

মিষ্টি খেতে বিয়ের গাড়ি থামিয়ে কোটচাঁদপুর ফাঁড়ি পুলিশের অর্থ আদায়

আপলোড টাইম : ১২:৫২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬

er4rt

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: মিষ্টি খেতে বিয়ের গাড়ি থামিয়ে অর্থ ব্যানিজ্য করেছে কোটচাঁদপুরের সাবদারপুর ফাড়ি পুলিশ। শুক্রবার রাতে কোটচাঁদপুর-সাবদারপুর সড়কে এ ঘটনা ঘটে। বর পক্ষের মাহবুবুর রহমান জানান,উপজেলার দুতিয়ার কুঠি গ্রামের আসাদুল ইসলামের মেয়ে নারগিসের সঙ্গে নওদা গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে শামীমের  বিয়ে হয় শুক্রবার রাতে। বিয়ের পর সিএনজি যোগে বাড়ি ফিরছিল বর পক্ষের লোকজন। পথিমধ্যে গাড়ি থামায় সাবদারপুর কাম্পের এ এস আই শামীম হোসেন। বলেন বিয়ের কাগজ পত্র ঠিক নাই। বাল্য বিবাহ দেয়া হয়েছে। এরপর দাবী করেন ৫ হাজার টাকা। অনেক দর কষাকষির পর ২ হাজার ৫ শত টাকায় দফারফা হয়। তিনি আরো বলেন বিয়ে পড়ানো হয় গ্রাম্য মাওলানা দিয়ে। কাজী দিয়ে না। কথা হয় মেয়ের ভাই হাসানের সঙ্গে তিনি জানান,ভাই আমার বোনের বয়স ১৮ বছর হয়েছে। তবে ভূল হয়েছে কাজী দিয়ে বিয়ে না পড়ানো। এ ব্যাপারে কথা হয় কাম্পের এ এস আই শামীমের সঙ্গে তিনি জানান, তিনি বলেন রাতের বেলা একটা বিয়ের গাড়ি থামিয়ে ছিলাম। তবে বাল্য বিবাহ কিনা জানিনা। এ ছাড়া আমি তাদের ওই সময় বলেছিলাম রাতের বেলা আমরা ডিউটি করছি কিছু মিষ্টি খেতে দিয়ে যাও। এরপর তারা চলে যায়। তাদের কাছ থেকে কোন টাকা নেয়া হয়নি। যদি কেউ বলে থাকে তাহলে মিথ্যা বলেছে। এ ব্যাপারেকোটচাঁদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মেদ কবির হোসেন কিছুই না বলে জানান।