ইপেপার । আজ রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

হজের ফরজ ওয়াজিব সুন্নত

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ১২:৩৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  • / ১২০৪ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক: হজের ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত, নফল ও মুস্তাহাব সম্বন্ধে নি¤েœ আলোচনা করা হলো হজের ফরজ তিনটি। যথা ১. মিকাত থেকে ইহরাম বাধা। ২. ৯ জিলহজ জোহরের পর থেকে ১০ জিলহজ সুবহে সাদেকের পূর্ব পর্যন্ত ওকুফে আরাফা তথা আরাফার প্রান্তরে অবস্থান করা। ৩. ১০, ১১ বা ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পূর্বে কাবা শরিফের তাওয়াফে জিয়ারত করা।হজের ওয়াজিব ৫টি। যথা ১. ৯ জিলহজ সূর্যাস্তের পর থেকে পরবর্তী বাদ ফজর সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মুযদালিফার প্রান্তরে অবস্থান করা। ২. সাফা-মারওয়া পাহাড় দু’টির মাঝখানে সাঈ তথা দৌড়াদৌড়ি করা। ৩. মিনাতে রমী করা অর্থাৎ শয়তানের উদ্দেশ্যে কংকর মারা। ৪. ইহরাম খোলার জন্য মাথা মুণ্ডানো বা ছাঁটানো। ৫. বিদায়ী তাওয়াফ করা (মিকাতের বাইরের বাসিন্দাদের জন্য)। হজের সুন্নত ও মুস্তাহাব ১০টি। যথা ১. তাওয়াফে কুদুম করা (হজ্জে ইফরাদ বা হজ্জে কিরানের জন্য)। ২. তাওয়াফে কুদুমের প্রথম তিন চক্করে রমল করা। আর তাওয়াফে কুদুমে রমল না করে থাকলে তাওয়াফে জিয়ারতে রমল করা। রমল হলো বীরত্ব ও ক্ষিপ্রগতিতে তাওয়াফ করা। ৩. ৮ জিলহজ মক্কা থেকে মিনায় গিয়ে জোহর, আসর, মাগরিব, ইশা ও ফজর এ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া এবং রাতে মিনায় অবস্থান করা। ৪. ৯ জিলহজ সূর্যোদয়ের পর মিনা থেকে আরাফার ময়দানে রওনা হওয়া। ৫. ওকুফে আরাফার পর সেখান থেকে সূর্যাস্তের পর মুযদালিফায় রওনা হওয়া। ৬. ৯ জিলহজ দিবাগত রাতে মুযদালিফায় অবস্থান করা। ৭. ওকুফে আরাফার জন্য সেদিন জোহরের পূর্বে গোসল করা। ৮. ১০, ১১ বা ১২ জিলহজ দিবাগত রাতগুলোতে মিনায় অবস্থান করা। ৯. মিনা থেকে বিদায় হয়ে মক্কায় ফেরার পথে মুহাসসাব নামক স্থানে কিছু সময় অবস্থান করা। ১০. ইমামের জন্যে তিন স্থানে খুতবা দেয়া। ৭ জিলহজ মক্কা শরিফে, ৯ জিলহজ আরাফায় ও ১১ জিলহজ মিনায় খুতবা প্রদান করা (ফাতাওয়া আলমগীরী : ১/২১৯, ফাতাওয়া শামী : ২/৪৬৮-৪৬৭)। আল্লাহ তায়ালা হজব্রত পালনকারীদের উপরে আলোচিত হজের ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত, নফল ও মুস্তাহাবসমূহ যথাযথভাবে পালন করার তৌফিক দান করুন এবং সবার হজ কবুল ও মঞ্জুর করুন।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

হজের ফরজ ওয়াজিব সুন্নত

আপলোড টাইম : ১২:৩৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬

ধর্ম ডেস্ক: হজের ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত, নফল ও মুস্তাহাব সম্বন্ধে নি¤েœ আলোচনা করা হলো হজের ফরজ তিনটি। যথা ১. মিকাত থেকে ইহরাম বাধা। ২. ৯ জিলহজ জোহরের পর থেকে ১০ জিলহজ সুবহে সাদেকের পূর্ব পর্যন্ত ওকুফে আরাফা তথা আরাফার প্রান্তরে অবস্থান করা। ৩. ১০, ১১ বা ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পূর্বে কাবা শরিফের তাওয়াফে জিয়ারত করা।হজের ওয়াজিব ৫টি। যথা ১. ৯ জিলহজ সূর্যাস্তের পর থেকে পরবর্তী বাদ ফজর সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মুযদালিফার প্রান্তরে অবস্থান করা। ২. সাফা-মারওয়া পাহাড় দু’টির মাঝখানে সাঈ তথা দৌড়াদৌড়ি করা। ৩. মিনাতে রমী করা অর্থাৎ শয়তানের উদ্দেশ্যে কংকর মারা। ৪. ইহরাম খোলার জন্য মাথা মুণ্ডানো বা ছাঁটানো। ৫. বিদায়ী তাওয়াফ করা (মিকাতের বাইরের বাসিন্দাদের জন্য)। হজের সুন্নত ও মুস্তাহাব ১০টি। যথা ১. তাওয়াফে কুদুম করা (হজ্জে ইফরাদ বা হজ্জে কিরানের জন্য)। ২. তাওয়াফে কুদুমের প্রথম তিন চক্করে রমল করা। আর তাওয়াফে কুদুমে রমল না করে থাকলে তাওয়াফে জিয়ারতে রমল করা। রমল হলো বীরত্ব ও ক্ষিপ্রগতিতে তাওয়াফ করা। ৩. ৮ জিলহজ মক্কা থেকে মিনায় গিয়ে জোহর, আসর, মাগরিব, ইশা ও ফজর এ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া এবং রাতে মিনায় অবস্থান করা। ৪. ৯ জিলহজ সূর্যোদয়ের পর মিনা থেকে আরাফার ময়দানে রওনা হওয়া। ৫. ওকুফে আরাফার পর সেখান থেকে সূর্যাস্তের পর মুযদালিফায় রওনা হওয়া। ৬. ৯ জিলহজ দিবাগত রাতে মুযদালিফায় অবস্থান করা। ৭. ওকুফে আরাফার জন্য সেদিন জোহরের পূর্বে গোসল করা। ৮. ১০, ১১ বা ১২ জিলহজ দিবাগত রাতগুলোতে মিনায় অবস্থান করা। ৯. মিনা থেকে বিদায় হয়ে মক্কায় ফেরার পথে মুহাসসাব নামক স্থানে কিছু সময় অবস্থান করা। ১০. ইমামের জন্যে তিন স্থানে খুতবা দেয়া। ৭ জিলহজ মক্কা শরিফে, ৯ জিলহজ আরাফায় ও ১১ জিলহজ মিনায় খুতবা প্রদান করা (ফাতাওয়া আলমগীরী : ১/২১৯, ফাতাওয়া শামী : ২/৪৬৮-৪৬৭)। আল্লাহ তায়ালা হজব্রত পালনকারীদের উপরে আলোচিত হজের ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত, নফল ও মুস্তাহাবসমূহ যথাযথভাবে পালন করার তৌফিক দান করুন এবং সবার হজ কবুল ও মঞ্জুর করুন।