ইপেপার । আজ রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

কুয়েতে বাংলাদেশের শ্রমবাজার বন্ধ

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ০১:০০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  • / ৩৮৮ বার পড়া হয়েছে

1473260892সমীকরণ ডেস্ক: আবারো বাংলাদেশি শ্রমিক নেয়ার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশ কুয়েত। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিটিজেনশিপ অ্যান্ড পাসপোর্ট বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি অ্যাসিসটেন্ট শেখ মাজেন আল-জারা আল-সাবাহ সোমবার এই ঘোষণা দেন বলে কুয়েত টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণ ব্যাখ্যা করে শেখ মাজেন বলেন, তার দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশির সংখ্যা গত সপ্তাহেই দুই লাখ ছাড়িয়ে গেছে। চাকরিদাতার নিজের বাড়ি থাকার বাধ্যবাধকতাসহ বেশ কিছু শর্তে কয়েক মাস আগে কুয়েতের শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত হয়। নতুন করে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিগগিরই তুলে নেওয়া হবে কি না, অথবা নতুন কোনো শর্ত দেওয়া হবে কি না- শেখ মাজেন সেসব বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি। জনশক্তি রপ্তানি প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশি শ্রমিকরা প্রথমবারের মতো কুয়েত যাওয়ার সুযোগ পান। ২০০৭ সাল পর্যন্ত মোট চার লাখ ৮০ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক চাকরি নিয়ে সেখানে যান। এরপর বাংলাদেশি শ্রমিকদের বিরুদ্ধে কিছু ‘অনিয়মের’ অভিযোগ এনে ২০০৭ সালে অনেকটা কৌশলেই শ্রমিক নেওয়া বন্ধ করে দেয় কুয়েত। সরকারি পর্যায়ে দীর্ঘদিনের চেষ্টার পর ২০১৪ সালে কুয়েত আবারও বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিতে রাজি হয়। ওই বছরই সে দেশের একটি কোম্পানি বাংলাদেশ দূতাবাসে ৫৯৩ জন শ্রমিকের চাহিদা পাঠায়।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

কুয়েতে বাংলাদেশের শ্রমবাজার বন্ধ

আপলোড টাইম : ০১:০০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬

1473260892সমীকরণ ডেস্ক: আবারো বাংলাদেশি শ্রমিক নেয়ার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশ কুয়েত। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিটিজেনশিপ অ্যান্ড পাসপোর্ট বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি অ্যাসিসটেন্ট শেখ মাজেন আল-জারা আল-সাবাহ সোমবার এই ঘোষণা দেন বলে কুয়েত টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণ ব্যাখ্যা করে শেখ মাজেন বলেন, তার দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশির সংখ্যা গত সপ্তাহেই দুই লাখ ছাড়িয়ে গেছে। চাকরিদাতার নিজের বাড়ি থাকার বাধ্যবাধকতাসহ বেশ কিছু শর্তে কয়েক মাস আগে কুয়েতের শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত হয়। নতুন করে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিগগিরই তুলে নেওয়া হবে কি না, অথবা নতুন কোনো শর্ত দেওয়া হবে কি না- শেখ মাজেন সেসব বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি। জনশক্তি রপ্তানি প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশি শ্রমিকরা প্রথমবারের মতো কুয়েত যাওয়ার সুযোগ পান। ২০০৭ সাল পর্যন্ত মোট চার লাখ ৮০ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক চাকরি নিয়ে সেখানে যান। এরপর বাংলাদেশি শ্রমিকদের বিরুদ্ধে কিছু ‘অনিয়মের’ অভিযোগ এনে ২০০৭ সালে অনেকটা কৌশলেই শ্রমিক নেওয়া বন্ধ করে দেয় কুয়েত। সরকারি পর্যায়ে দীর্ঘদিনের চেষ্টার পর ২০১৪ সালে কুয়েত আবারও বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিতে রাজি হয়। ওই বছরই সে দেশের একটি কোম্পানি বাংলাদেশ দূতাবাসে ৫৯৩ জন শ্রমিকের চাহিদা পাঠায়।