দর্শনা অফিস: শিশু কলহের জেরে প্রতিবেশীর তিন বছর বয়সী কন্যা মুক্তিকে হত্যার ঘটনায় ঘাতক পপিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বেলা ১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা আদালতে সোপর্দ করেন। এদিকে নিহত শিশুকন্যা মুক্তা মণিকে হারিয়ে শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন তার পরিবার। দামুড়হুদার দর্শনা ঈশ্বরচন্দ্রপুরে চলছে শোকের মাতম। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে দর্শনা ইশ্বরচন্দ্রপুরের মাঠপাড়ার নাসিরের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশু মুক্তি মনির লাশ উদ্ধার করা হয়। সকাল ৭টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মুক্তির লাশ উদ্ধার করে। এঘটনায় প্রতিবেশী নাসিরের স্ত্রী পপিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ও গ্রামবাসী। একপর্যায়ে প্রশ্নের মুখে হত্যার কথা স্বীকার করে পপি। বৃহস্পতিবারই তাকে আটক করে থানায় নেয়া হয়। এ ঘটনায় নিহত মুক্তির মা শাহানাজ বেগম বাদী হয়ে ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের নাসির উদ্দীনের স্ত্রী পপিকে আসামী করে দন্ডবিধির ৩০২/২০১ এর ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গতকাল দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দামুড়হুদা মডেল থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম পপিকে আদালতে সোপর্দ করেন। বিজ্ঞ আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠনোর নির্দেশ দেন।
সমীকরণ প্রতিবেদন