ইপেপার । আজ মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সরকারকে উৎখাত করার শক্তি কারও নেই: কাদের

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ০৫:০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ৫ বার পড়া হয়েছে

সমীকরণ প্রতিবেদন:
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি কালো পতাকার নামে আবারও সন্ত্রাস ও সহিংসতার জানান দিচ্ছে। নির্বাচনে না এসে বিএনপি যে ভুল করেছে তার জন্য বিএনপিকেই পস্তাতে হবে। সাংবিধানিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করার শক্তি কারও নেই। গতকাল সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক বিষয়কে রাজপথেই মোকাবিলা করবে, এক বিন্দু ছাড় দেবে না। বিএনপির হুমকি ধামকিতে কারও কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। এগুলো অসাড় ও ফাঁকা বুলির মতো চুপসে গেছে। মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের ইতিহাস ডিঙিয়ে তারা (বিএনপি) যে বিকৃত তথ্য বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর অপপ্রচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছিল তাদের সে অপচেষ্টা সফল হয়নি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খানের উদ্দেশে তিনি বলেন, মঈন খানদের দল ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা, তারপর ৩ নভেম্বর, একুশে আগস্টে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাইম টার্গেট করে হামলার মধ্যদিয়ে প্রমাণ করেছে তারা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজাকার, আল বদরের দল। গর্হিত বক্তব্য দেওয়ার জন্য মঈন খানকে ক্ষমা চাইতে হবে জাতির কাছে।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে যে অ্যাকশনের দরকার সে অ্যাকশন নিতে হবে, শুধু হুমকি ধমকি দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না বলে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কথায় কথায় কাউকে ধমক দিলে সমস্যার সমাধান হবে না । যারা এর জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে পজিটিভ অ্যাকশনে যেতে হবে। ব্যবসায়ীরা কথা রাখবে, মিষ্টি কথায় তো চিড়ে ভিজে না। কথা যেভাবে বলতে হয় সেভাবেই বলতে হবে আমাদের। যে অ্যাকশনের দরকার সে অ্যাকশন নিতে হবে। শুধু হুমকি ধমকি দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। এখানে অ্যাকশন নিতে হবে, কৌশল অবলম্বন করতে হবে। কারণ আমাদের দেশের যে বাস্তবতা, সবকিছু ডাণ্ডা মেরে ঠান্ডা করা যায় না। কিছু কিছু কৌশলেও যেতে হবে এবং সেটা উপলব্ধি করতে হবে। এখন আমাদের প্রায়োরিটি হচ্ছে দ্রব্যমূল্য। বাজার নিয়ন্ত্রণ এ বিষয়টা চ্যালেঞ্জ।’
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম ও সুজিত রায় নন্দিসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

সরকারকে উৎখাত করার শক্তি কারও নেই: কাদের

আপলোড টাইম : ০৫:০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৪

সমীকরণ প্রতিবেদন:
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি কালো পতাকার নামে আবারও সন্ত্রাস ও সহিংসতার জানান দিচ্ছে। নির্বাচনে না এসে বিএনপি যে ভুল করেছে তার জন্য বিএনপিকেই পস্তাতে হবে। সাংবিধানিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করার শক্তি কারও নেই। গতকাল সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক বিষয়কে রাজপথেই মোকাবিলা করবে, এক বিন্দু ছাড় দেবে না। বিএনপির হুমকি ধামকিতে কারও কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। এগুলো অসাড় ও ফাঁকা বুলির মতো চুপসে গেছে। মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের ইতিহাস ডিঙিয়ে তারা (বিএনপি) যে বিকৃত তথ্য বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর অপপ্রচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছিল তাদের সে অপচেষ্টা সফল হয়নি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খানের উদ্দেশে তিনি বলেন, মঈন খানদের দল ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা, তারপর ৩ নভেম্বর, একুশে আগস্টে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাইম টার্গেট করে হামলার মধ্যদিয়ে প্রমাণ করেছে তারা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজাকার, আল বদরের দল। গর্হিত বক্তব্য দেওয়ার জন্য মঈন খানকে ক্ষমা চাইতে হবে জাতির কাছে।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে যে অ্যাকশনের দরকার সে অ্যাকশন নিতে হবে, শুধু হুমকি ধমকি দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না বলে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কথায় কথায় কাউকে ধমক দিলে সমস্যার সমাধান হবে না । যারা এর জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে পজিটিভ অ্যাকশনে যেতে হবে। ব্যবসায়ীরা কথা রাখবে, মিষ্টি কথায় তো চিড়ে ভিজে না। কথা যেভাবে বলতে হয় সেভাবেই বলতে হবে আমাদের। যে অ্যাকশনের দরকার সে অ্যাকশন নিতে হবে। শুধু হুমকি ধমকি দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। এখানে অ্যাকশন নিতে হবে, কৌশল অবলম্বন করতে হবে। কারণ আমাদের দেশের যে বাস্তবতা, সবকিছু ডাণ্ডা মেরে ঠান্ডা করা যায় না। কিছু কিছু কৌশলেও যেতে হবে এবং সেটা উপলব্ধি করতে হবে। এখন আমাদের প্রায়োরিটি হচ্ছে দ্রব্যমূল্য। বাজার নিয়ন্ত্রণ এ বিষয়টা চ্যালেঞ্জ।’
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম ও সুজিত রায় নন্দিসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।