ইপেপার । আজ রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়, বন্ধ সকল বিদ্যালয়

হিম বাতাস আর হাড় কাঁপানো শীতে জবুথবু মানুষ

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ০২:৩৭:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ১ বার পড়া হয়েছে



নিজস্ব প্রতিবেদক:
এক দিনের ব্যবধানে চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা কমেছে প্রায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই দেশের সর্বনিম্ন ও মৌসুমের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সকালে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। হাড় কাঁপানো শীত ও উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনপদ। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। তীব্র শীতে আজ জেলার সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
জানা গেছে, তুষারাচ্ছন্ন বাতাস আর হাড় কাঁপানো শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলার মানুষ। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সূর্যের দেখা মিললেও মৃদু হিমেল বাতাসে বইছে। ফলে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে এ এলাকার মানুষ। তীব্র শীত ও ঠান্ডা বাতাস মিলিয়ে ব্যাহত হচ্ছে চুয়াডাঙ্গার সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। তীব্র শীতে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন এ এলাকার খেটে খাওয়া মানুষ।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে হালকা বৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শুরু হয় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। ওই দিন সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৯ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এরপর সারা দিনই আকাশ মেঘলাসহ কিছু জায়গায় বৃষ্টি হয়। শুক্রবার আকাশ পরিষ্কার হয়ে সূর্যের দেখা মিললেও ছিল না রোদের উত্তাপ। তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরদিন শনিবার তাপমাত্রা ২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে দাঁড়ায় ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত রোববার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বশেষ গত সোমবার এ জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই দিন রাত ৯টায় তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এক দিনের ব্যবধানে জেলার তাপমাত্রার পারদ নেমে এসেছে ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রিতে।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গাগাকাগিয়া গ্রামের শিপন আলী বলেন, ‘শীতে বাড়ি থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। লেপের মধ্যে থেকেই বের হতে মন চাই না।তারপরও কাজে আসতে হয়েছে। তবে সকাল থেকে দাঁড়িয়ে থেকেও আজ আমি কাজই পাইনি।
শহরের পাখি ভ্যানচালক সেলিম উদ্দিন বলেন, আমাদের দেখার কেউ নেই। ভ্যান নিয়ে না বের হলে ঘরে খাবার জুটবে না। দেখার কেউ নেই।
পুরোনো কাপড় বিক্রেতা আরিফ হোসেন বলেন, শীতে কাপড়ের চাহিদা বেড়েছে। মানুষজন গরম কাপড় কিনতে আসছেন।
রিকশাচালক কাশেম আলী বলেন, আমি রাতে রিকশা চালায়। রাত থেকেই খুব ঠান্ডা। হাত অবাশ হয়ে যাচ্ছে। তাই গত রাতে বেশিক্ষণ বাইরে থাকতে পারিনি।
শহরের এক বাসা বাড়ির গৃহকর্মী হাসি খাতুন বলেন, বাড়ির মধ্যে থেকেও মহিলাদেরও অনেক কষ্ট। এতো শীতে সকালে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বা পানিতে হাত দেওয়া খুব কষ্টের। শীতে প্রচণ্ড সমস্যায় আছি।
আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদহ গ্রামের রমিজ আলী বলেন, আমাদের এদিকে মাঠ বেশি। আবার আমার বাড়িও মাঠের মধ্যে। যে শীত বাড়িতে থাকা মুশকিল। আমরা গরিব মানুষ, কিছু করার সেই শীত আমাদের সহ্য করতে হবে।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান বলেন, আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। যা দেশের এবং এই মৌসুমে চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আজ চুয়াডাঙ্গা ও সিরাজগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া, আজ সকাল ৬টায় এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৬ শতাংশ।
তিনি আরও জানান, এর আগে ২০২২ সালের ১২ জানুয়ারি এ জেলার তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আর ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি এ যাবৎকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তবিবুর রহমান জানান, গত সোমবার চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের সাথে কথা বলে তাপমাত্রা আরো কমার পূর্বাভাস পাওয়ায় খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালকের নির্দেশে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ও মঙ্গলবারের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান জানান, তীব্র শীতের কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা মাথায় রেখে বিদ্যালয়গুলোর পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষকরা স্কুলে উপস্থিত হয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম চালাবেন।
জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলায় শীতের পরিমাণ একটু বেশি। সরকারি ভাবে আসা শুকনা খাবার ও কম্বল বিতরণ কার্যক্রম চলমান আছে। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা থেকেও সহযোগিতা করা হচ্ছে।
তিনি বিত্তবানদের অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়, বন্ধ সকল বিদ্যালয়

হিম বাতাস আর হাড় কাঁপানো শীতে জবুথবু মানুষ

আপলোড টাইম : ০২:৩৭:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৪



নিজস্ব প্রতিবেদক:
এক দিনের ব্যবধানে চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা কমেছে প্রায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই দেশের সর্বনিম্ন ও মৌসুমের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সকালে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। হাড় কাঁপানো শীত ও উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনপদ। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। তীব্র শীতে আজ জেলার সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
জানা গেছে, তুষারাচ্ছন্ন বাতাস আর হাড় কাঁপানো শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলার মানুষ। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সূর্যের দেখা মিললেও মৃদু হিমেল বাতাসে বইছে। ফলে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে এ এলাকার মানুষ। তীব্র শীত ও ঠান্ডা বাতাস মিলিয়ে ব্যাহত হচ্ছে চুয়াডাঙ্গার সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। তীব্র শীতে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন এ এলাকার খেটে খাওয়া মানুষ।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে হালকা বৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শুরু হয় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। ওই দিন সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৯ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এরপর সারা দিনই আকাশ মেঘলাসহ কিছু জায়গায় বৃষ্টি হয়। শুক্রবার আকাশ পরিষ্কার হয়ে সূর্যের দেখা মিললেও ছিল না রোদের উত্তাপ। তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরদিন শনিবার তাপমাত্রা ২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে দাঁড়ায় ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত রোববার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বশেষ গত সোমবার এ জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই দিন রাত ৯টায় তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এক দিনের ব্যবধানে জেলার তাপমাত্রার পারদ নেমে এসেছে ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রিতে।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গাগাকাগিয়া গ্রামের শিপন আলী বলেন, ‘শীতে বাড়ি থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। লেপের মধ্যে থেকেই বের হতে মন চাই না।তারপরও কাজে আসতে হয়েছে। তবে সকাল থেকে দাঁড়িয়ে থেকেও আজ আমি কাজই পাইনি।
শহরের পাখি ভ্যানচালক সেলিম উদ্দিন বলেন, আমাদের দেখার কেউ নেই। ভ্যান নিয়ে না বের হলে ঘরে খাবার জুটবে না। দেখার কেউ নেই।
পুরোনো কাপড় বিক্রেতা আরিফ হোসেন বলেন, শীতে কাপড়ের চাহিদা বেড়েছে। মানুষজন গরম কাপড় কিনতে আসছেন।
রিকশাচালক কাশেম আলী বলেন, আমি রাতে রিকশা চালায়। রাত থেকেই খুব ঠান্ডা। হাত অবাশ হয়ে যাচ্ছে। তাই গত রাতে বেশিক্ষণ বাইরে থাকতে পারিনি।
শহরের এক বাসা বাড়ির গৃহকর্মী হাসি খাতুন বলেন, বাড়ির মধ্যে থেকেও মহিলাদেরও অনেক কষ্ট। এতো শীতে সকালে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বা পানিতে হাত দেওয়া খুব কষ্টের। শীতে প্রচণ্ড সমস্যায় আছি।
আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদহ গ্রামের রমিজ আলী বলেন, আমাদের এদিকে মাঠ বেশি। আবার আমার বাড়িও মাঠের মধ্যে। যে শীত বাড়িতে থাকা মুশকিল। আমরা গরিব মানুষ, কিছু করার সেই শীত আমাদের সহ্য করতে হবে।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান বলেন, আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। যা দেশের এবং এই মৌসুমে চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আজ চুয়াডাঙ্গা ও সিরাজগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া, আজ সকাল ৬টায় এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৬ শতাংশ।
তিনি আরও জানান, এর আগে ২০২২ সালের ১২ জানুয়ারি এ জেলার তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আর ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি এ যাবৎকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তবিবুর রহমান জানান, গত সোমবার চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের সাথে কথা বলে তাপমাত্রা আরো কমার পূর্বাভাস পাওয়ায় খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালকের নির্দেশে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ও মঙ্গলবারের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান জানান, তীব্র শীতের কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা মাথায় রেখে বিদ্যালয়গুলোর পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষকরা স্কুলে উপস্থিত হয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম চালাবেন।
জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলায় শীতের পরিমাণ একটু বেশি। সরকারি ভাবে আসা শুকনা খাবার ও কম্বল বিতরণ কার্যক্রম চলমান আছে। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা থেকেও সহযোগিতা করা হচ্ছে।
তিনি বিত্তবানদের অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।