ইপেপার । আজ রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

একুশে পদকপ্রাপ্ত মরমী কবি খোদা বকশ সাঁই’র ৩৪তম ওফাত দিবস উপলক্ষে

আলমডাঙ্গার জাহাপুরে শুরু হচ্ছে দুদিনব্যাপী স্মরণোৎসব

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ০৭:২৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ০ বার পড়া হয়েছে

সমীকরণ প্রতিবেদন:
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার জাহাপুরে একুশে পদকপ্রাপ্ত ও বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ লালনপন্থী সাধক কবি ও সংগীত গুরু খোদা বকস সাঁইয়ের ৩৪তম স্মরণানুষ্ঠান উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী সাধুসঙ্গ শুরু হচ্ছে। আগামীকাল সোমবার খোদা বকস সাঁই নিকেতনে দুই দিনব্যাপী এ সাধুসঙ্গের উদ্বোধন করা হবে। খোদা বকস সাঁই স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত সাধুসঙ্গে দেশ-বিদেশের ভক্তরা উপস্থিত থাকবেন।

আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের জাহাপুরে খোদা বকস সাঁই স্মৃতি পরিষদের সভাপতি আব্দুল লতিফ শাহ জানান, খোদা বকস সাঁই নিকেতনে সাধুসঙ্গের আঙ্গিকে একটি স্মরণোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা। এছাড়াও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলের সাধুগুরু, লেখক, গবেষক, অনুবাদক এবং শিল্পীরা উপস্থিত থাকবেন।

লালনপন্থী সাধক কবি ও শিল্পীদের মধ্যে খোদা বকস সাঁই প্রথম ব্যক্তি যিনি ১৯৯০ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত মরণোত্তর একুশে পদক প্রাপ্ত হন। শুধু তাই নয়, তার আগেই তিনি অর্জন করেছিলেন বাংলা একাডেমির সম্মানসূচক ফেলোশিপ (১৯৮৫) ও লালন পরিষদ কেন্দ্রীয় সংসদ কর্তৃক ‘সংগীতসাগর’ উপাধি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে প্রথমবারের মতো জাতীয় লালনসংগীত শিক্ষা প্রবর্তিত হলে খোদা বকস সাঁই প্রথম লালন সংগীত প্রভাষক পদে নিয়োগ পান এবং দীর্ঘদিন তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আবাসিক প্রভাষক হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে লালন সঙ্গীতের পেশাগত শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। খোদা বকশ শাহ স্মৃতি সংসদ ও তাঁর অগণিত ভক্ত অনুরাগীরা প্রতিবছরই তাঁর জন্ম ও ওফাত দিবস পালন করে আসছে। তিনি জীবদ্দশায় ৯৫০টি গান রচনা করেন।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

একুশে পদকপ্রাপ্ত মরমী কবি খোদা বকশ সাঁই’র ৩৪তম ওফাত দিবস উপলক্ষে

আলমডাঙ্গার জাহাপুরে শুরু হচ্ছে দুদিনব্যাপী স্মরণোৎসব

আপলোড টাইম : ০৭:২৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪

সমীকরণ প্রতিবেদন:
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার জাহাপুরে একুশে পদকপ্রাপ্ত ও বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ লালনপন্থী সাধক কবি ও সংগীত গুরু খোদা বকস সাঁইয়ের ৩৪তম স্মরণানুষ্ঠান উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী সাধুসঙ্গ শুরু হচ্ছে। আগামীকাল সোমবার খোদা বকস সাঁই নিকেতনে দুই দিনব্যাপী এ সাধুসঙ্গের উদ্বোধন করা হবে। খোদা বকস সাঁই স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত সাধুসঙ্গে দেশ-বিদেশের ভক্তরা উপস্থিত থাকবেন।

আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের জাহাপুরে খোদা বকস সাঁই স্মৃতি পরিষদের সভাপতি আব্দুল লতিফ শাহ জানান, খোদা বকস সাঁই নিকেতনে সাধুসঙ্গের আঙ্গিকে একটি স্মরণোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা। এছাড়াও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলের সাধুগুরু, লেখক, গবেষক, অনুবাদক এবং শিল্পীরা উপস্থিত থাকবেন।

লালনপন্থী সাধক কবি ও শিল্পীদের মধ্যে খোদা বকস সাঁই প্রথম ব্যক্তি যিনি ১৯৯০ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত মরণোত্তর একুশে পদক প্রাপ্ত হন। শুধু তাই নয়, তার আগেই তিনি অর্জন করেছিলেন বাংলা একাডেমির সম্মানসূচক ফেলোশিপ (১৯৮৫) ও লালন পরিষদ কেন্দ্রীয় সংসদ কর্তৃক ‘সংগীতসাগর’ উপাধি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে প্রথমবারের মতো জাতীয় লালনসংগীত শিক্ষা প্রবর্তিত হলে খোদা বকস সাঁই প্রথম লালন সংগীত প্রভাষক পদে নিয়োগ পান এবং দীর্ঘদিন তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আবাসিক প্রভাষক হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে লালন সঙ্গীতের পেশাগত শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। খোদা বকশ শাহ স্মৃতি সংসদ ও তাঁর অগণিত ভক্ত অনুরাগীরা প্রতিবছরই তাঁর জন্ম ও ওফাত দিবস পালন করে আসছে। তিনি জীবদ্দশায় ৯৫০টি গান রচনা করেন।