ইপেপার । আজ রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

আলমডাঙ্গায় ফুফুর বিরুদ্ধে ভাতিজাকে অপহরণের অভিযোগ

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ০৪:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ০ বার পড়া হয়েছে

আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গায় ফুফুর বিরুদ্ধে সাঈদ হোসেন নামের এক বছরের শিশুকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুর দাদা আকরাম হোসেন বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। গতকাল শুক্রবার বেলা একটার দিকে উপজেলার জামজামি ইউনিয়নের ঘোষবিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। অপহৃত শিশু ঘোষবিলা গ্রামের লাল মাহমুদের ছেলে। অভিযুক্ত রুপা খাতুন (৩৭) লালের বোন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বেলা একটার দিকে শিশু সাঈদ বাড়িতে খেলা করছিল। দাদা আকরাম হোসেন ও ছেলে লাল মাহমুদ জুম্মার নামাজ পড়তে মসজিদে যায়। এসময় গোপনে রুপা খাতুন বাড়িতে পৌঁছে শিশু সাঈদকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে সাঈদের মাসহ পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি করলেও খোঁজ পায়নি। স্থানীয়রা সাঈদকে রুপা নিয়ে যাওয়ার কথা বলে।
সাঈদের দাদা আকরাম হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গত কয়েক দিন আগে রুপা আমাকে একটি শিশু বাঁচ্চা বিক্রির জন্য জানায়। আমি তাকে বকাবকি করি। সে মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তার কথা কর্ণপাত করিনি। শুক্রবার দুপুরে আমার নাতি ছেলে সাঈদকে গোপনে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন দেখতে পায়। পরে রুপা ও শিশুকে খোঁজাখুঁজি করলেও কোনো সন্ধান পায়নি। শুক্রবার দুপুরে রুপার বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’
এদিকে, থানা-পুলিশ ও জামজামি ফাঁড়ি পুলিশ অভিযান চালিয়ে কুষ্টিয়া ইবি থানাধীন ঝাউদিয়া মাঝপাড়া থেকে তাকে উদ্ধার করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রুপা শিশু সাঈদকে ঝাউদিয়া গ্রামের মিনহাজ উদ্দিনের মেয়ে অন্তরার নিকট দিয়েছে বলে স্বীকারোক্তি দেন। সাঈদকে উদ্ধারসহ অন্তরাকে আটকে পুলিশের পৃথক টিম অভিযান চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ গণি মিয়ার সাথে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোনটি বন্ধ ছিল। এছাড়া সংবাদটি লেখা পর্যন্ত শিশু উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত ছিল।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

আলমডাঙ্গায় ফুফুর বিরুদ্ধে ভাতিজাকে অপহরণের অভিযোগ

আপলোড টাইম : ০৪:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৪

আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গায় ফুফুর বিরুদ্ধে সাঈদ হোসেন নামের এক বছরের শিশুকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুর দাদা আকরাম হোসেন বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। গতকাল শুক্রবার বেলা একটার দিকে উপজেলার জামজামি ইউনিয়নের ঘোষবিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। অপহৃত শিশু ঘোষবিলা গ্রামের লাল মাহমুদের ছেলে। অভিযুক্ত রুপা খাতুন (৩৭) লালের বোন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বেলা একটার দিকে শিশু সাঈদ বাড়িতে খেলা করছিল। দাদা আকরাম হোসেন ও ছেলে লাল মাহমুদ জুম্মার নামাজ পড়তে মসজিদে যায়। এসময় গোপনে রুপা খাতুন বাড়িতে পৌঁছে শিশু সাঈদকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে সাঈদের মাসহ পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি করলেও খোঁজ পায়নি। স্থানীয়রা সাঈদকে রুপা নিয়ে যাওয়ার কথা বলে।
সাঈদের দাদা আকরাম হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গত কয়েক দিন আগে রুপা আমাকে একটি শিশু বাঁচ্চা বিক্রির জন্য জানায়। আমি তাকে বকাবকি করি। সে মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তার কথা কর্ণপাত করিনি। শুক্রবার দুপুরে আমার নাতি ছেলে সাঈদকে গোপনে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন দেখতে পায়। পরে রুপা ও শিশুকে খোঁজাখুঁজি করলেও কোনো সন্ধান পায়নি। শুক্রবার দুপুরে রুপার বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’
এদিকে, থানা-পুলিশ ও জামজামি ফাঁড়ি পুলিশ অভিযান চালিয়ে কুষ্টিয়া ইবি থানাধীন ঝাউদিয়া মাঝপাড়া থেকে তাকে উদ্ধার করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রুপা শিশু সাঈদকে ঝাউদিয়া গ্রামের মিনহাজ উদ্দিনের মেয়ে অন্তরার নিকট দিয়েছে বলে স্বীকারোক্তি দেন। সাঈদকে উদ্ধারসহ অন্তরাকে আটকে পুলিশের পৃথক টিম অভিযান চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ গণি মিয়ার সাথে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোনটি বন্ধ ছিল। এছাড়া সংবাদটি লেখা পর্যন্ত শিশু উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত ছিল।