ইপেপার । আজ রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

আলমডাঙ্গায় বিশাল নির্বাচনী জনসভায় আ.লীগ মনোনীত প্রার্থী ছেলুন জোয়ার্দ্দার

নৌকার কোনো বিকল্প নেই, শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ১১:১৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ১ বার পড়া হয়েছে

আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গায় আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুনের এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে আলমডাঙ্গা ফুটবল মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নৌকার প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছেলুন জোয়ার্দ্দার বলেন, ‘আমি মনে করেছিলাম ছোটখাটো একটা জনসভা হবে। কিন্তু এতো মানুষ, আমি রাস্তা দিয়ে আসতে পারি নাই। রাস্তায় শুধু মানুষ আর মানুষ। মুন্সিগঞ্জ ঘুরে বন্ডবিল হয়ে এসেছি। এখন রাস্তায় মানুষ আর মানুষ। আলমডাঙ্গাবাসী আজ প্রমাণ করেছে বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা এখনো মরে নাই। যেকোনো অশুভ শক্তির মোকাবিলা করার ক্ষমতা বঙ্গবন্ধুর সৈনিকেরা রাখে। কত লোক নমিনেশনের আগে বলেছিল, নমিনেশন যে পাবে, তার ভোট করবে। ওরা হচ্ছে পাকা চিটার।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে কে কি করলো আমাদের ভাবার দরকার নেই। বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ যত সহযোগী সংগঠন আছে, সকল নেতা-কর্মীদের বলব, আজকে আলমডাঙ্গার এই মাঠে আমজনতা একত্রিত হয়েছে। কয়দিন আগে এখানে একটা সভা করে ভাব নিচ্ছিল, এর ওপর আর বড় সভা হয় না। মিয়ারা ভোটের পরে টের পাবা। আজকে মানুষের ভেতরে যে স্বতঃস্ফূর্ততা বিরাজ করছে, এটা দেখেও কি বোঝো না? আজকে আমি শুধু বলব, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। শেখ হাসিনা, শেখ হাসিনাই।’
ছেলুন জোয়ার্দ্দার বলেন, ‘এই মাঠটি দখল হয়ে গিয়েছিল। সেই মাঠ ভেঙেচুরে গোডাউন সরিয়ে স্টেডিয়াম নির্মাণ হচ্ছে। কে করেছে? এটা শেখ হাসিনা করেছে। শেখ হাসিনার নেয়ামত এটা। প্রত্যেকটা গ্রামীণ সড়ক, ইউনিয়ন থেকে ইউনিয়ন কোনোটাই কাঁচা নেই। প্রত্যেক ইউনিয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বিনা পয়সায় মানুষ স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে। মা-বোনেরা এখানে উপস্থিত আছেন, আপনারা জানেন শেখ হাসিনা ৫১ রকম ভাতা দিচ্ছে। শেখ হাসিনা না থাকলে কে দেবে? কেউ দেবে না। ভাতা বন্ধ করে দেবে। কমিউনিটি ক্লিনিক ৯৬ সালে শেখ হাসিনা করেছিল। বিএনপি ক্ষমতায় এসে তা বন্ধ করে দেয়। এই হলো বিএনপির আসল রূপ। ওরা আগুন ধরায়, রেল পোড়ায়, বাস পোড়ায়, গাড়ি পোড়ায়। বিএনপি হলো আগুন সন্ত্রাসী। ওইসব আগুন সন্ত্রাসীদের থেকে আপনাদের সাবধান থাকতে হবে। ওরা দেশের মঙ্গল চায় না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা যারা এখানে উপস্থিত আছেন, তাদের নতুন করে চিন্তা করতে হবে। নৌকার কোনো বিকল্প নেই, শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে। সুতরাং আপনারা, মা-বোনেরা সকাল সকাল ভোট কেন্দ্র গিয়ে নৌকায় ভোট দিবেন। আমি আবারও শেখ হাসিনার সালাম পৌঁছে দিয়ে নৌকায় ভোট চেয়ে গেলাম।’
আলমডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু মুছার সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, জেলা জাসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম সবেদ আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আব্দুর রশিদ মোল্লা, প্রশান্ত অধিকারী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান, মাসুদুজ্জামান লিটু বিশ্বাস, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট হামিদুল ইসলাম হামিদ, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল ইসলাম পানু, হারদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নুরু ও জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার।
আলমডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী মাস্টারে সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মজিবর রহমান, লিয়াকত আলী লিপু মোল্লা, কাজী খালেদুর রহমান অরুন, ঠান্টু রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমিনুল হক অপু মোল্লা, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান পিণ্টু, আলমডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, গাংনী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু তাহের, জেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সাহাবুল হক, কুমারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান আবু সাইদ পিণ্টু, হারদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান আশিকুজ্জামান ওল্টু, খাদিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান মোজাহিদুর রহমান লোটাস জোয়ার্দ্দার, ডাউকি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, বেলগাছি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান চঞ্চল, জেহালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসানুজ্জামান হান্নান, বাড়াদি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মকবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম লাল্টু, ভাঙবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান, এজাজ ইমতিয়াজ বিপুল, আলমডাঙ্গা উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সোনাহার মন্ডল, যুগ্ম আহ্বায়ক তাফসির আহম্মেদ মল্লিক লাল, জেহালা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান সিলন, সদস্য মনিরুজ্জামান হিটু, পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক আশাদুল হক ডিটু, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা পাপন, শাহিন রেজা, আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, তমাল, বাদশা, রাকিব আহম্মেদ রকি, আব্দুল্লাহ আল সাকিব প্রমুখ।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

আলমডাঙ্গায় বিশাল নির্বাচনী জনসভায় আ.লীগ মনোনীত প্রার্থী ছেলুন জোয়ার্দ্দার

নৌকার কোনো বিকল্প নেই, শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই

আপলোড টাইম : ১১:১৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৪

আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গায় আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুনের এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে আলমডাঙ্গা ফুটবল মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নৌকার প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছেলুন জোয়ার্দ্দার বলেন, ‘আমি মনে করেছিলাম ছোটখাটো একটা জনসভা হবে। কিন্তু এতো মানুষ, আমি রাস্তা দিয়ে আসতে পারি নাই। রাস্তায় শুধু মানুষ আর মানুষ। মুন্সিগঞ্জ ঘুরে বন্ডবিল হয়ে এসেছি। এখন রাস্তায় মানুষ আর মানুষ। আলমডাঙ্গাবাসী আজ প্রমাণ করেছে বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা এখনো মরে নাই। যেকোনো অশুভ শক্তির মোকাবিলা করার ক্ষমতা বঙ্গবন্ধুর সৈনিকেরা রাখে। কত লোক নমিনেশনের আগে বলেছিল, নমিনেশন যে পাবে, তার ভোট করবে। ওরা হচ্ছে পাকা চিটার।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে কে কি করলো আমাদের ভাবার দরকার নেই। বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ যত সহযোগী সংগঠন আছে, সকল নেতা-কর্মীদের বলব, আজকে আলমডাঙ্গার এই মাঠে আমজনতা একত্রিত হয়েছে। কয়দিন আগে এখানে একটা সভা করে ভাব নিচ্ছিল, এর ওপর আর বড় সভা হয় না। মিয়ারা ভোটের পরে টের পাবা। আজকে মানুষের ভেতরে যে স্বতঃস্ফূর্ততা বিরাজ করছে, এটা দেখেও কি বোঝো না? আজকে আমি শুধু বলব, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। শেখ হাসিনা, শেখ হাসিনাই।’
ছেলুন জোয়ার্দ্দার বলেন, ‘এই মাঠটি দখল হয়ে গিয়েছিল। সেই মাঠ ভেঙেচুরে গোডাউন সরিয়ে স্টেডিয়াম নির্মাণ হচ্ছে। কে করেছে? এটা শেখ হাসিনা করেছে। শেখ হাসিনার নেয়ামত এটা। প্রত্যেকটা গ্রামীণ সড়ক, ইউনিয়ন থেকে ইউনিয়ন কোনোটাই কাঁচা নেই। প্রত্যেক ইউনিয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বিনা পয়সায় মানুষ স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে। মা-বোনেরা এখানে উপস্থিত আছেন, আপনারা জানেন শেখ হাসিনা ৫১ রকম ভাতা দিচ্ছে। শেখ হাসিনা না থাকলে কে দেবে? কেউ দেবে না। ভাতা বন্ধ করে দেবে। কমিউনিটি ক্লিনিক ৯৬ সালে শেখ হাসিনা করেছিল। বিএনপি ক্ষমতায় এসে তা বন্ধ করে দেয়। এই হলো বিএনপির আসল রূপ। ওরা আগুন ধরায়, রেল পোড়ায়, বাস পোড়ায়, গাড়ি পোড়ায়। বিএনপি হলো আগুন সন্ত্রাসী। ওইসব আগুন সন্ত্রাসীদের থেকে আপনাদের সাবধান থাকতে হবে। ওরা দেশের মঙ্গল চায় না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা যারা এখানে উপস্থিত আছেন, তাদের নতুন করে চিন্তা করতে হবে। নৌকার কোনো বিকল্প নেই, শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে। সুতরাং আপনারা, মা-বোনেরা সকাল সকাল ভোট কেন্দ্র গিয়ে নৌকায় ভোট দিবেন। আমি আবারও শেখ হাসিনার সালাম পৌঁছে দিয়ে নৌকায় ভোট চেয়ে গেলাম।’
আলমডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু মুছার সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, জেলা জাসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম সবেদ আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আব্দুর রশিদ মোল্লা, প্রশান্ত অধিকারী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান, মাসুদুজ্জামান লিটু বিশ্বাস, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট হামিদুল ইসলাম হামিদ, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল ইসলাম পানু, হারদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নুরু ও জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার।
আলমডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী মাস্টারে সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মজিবর রহমান, লিয়াকত আলী লিপু মোল্লা, কাজী খালেদুর রহমান অরুন, ঠান্টু রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমিনুল হক অপু মোল্লা, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান পিণ্টু, আলমডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, গাংনী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু তাহের, জেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সাহাবুল হক, কুমারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান আবু সাইদ পিণ্টু, হারদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান আশিকুজ্জামান ওল্টু, খাদিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান মোজাহিদুর রহমান লোটাস জোয়ার্দ্দার, ডাউকি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, বেলগাছি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান চঞ্চল, জেহালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসানুজ্জামান হান্নান, বাড়াদি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মকবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম লাল্টু, ভাঙবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান, এজাজ ইমতিয়াজ বিপুল, আলমডাঙ্গা উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সোনাহার মন্ডল, যুগ্ম আহ্বায়ক তাফসির আহম্মেদ মল্লিক লাল, জেহালা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান সিলন, সদস্য মনিরুজ্জামান হিটু, পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক আশাদুল হক ডিটু, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা পাপন, শাহিন রেজা, আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, তমাল, বাদশা, রাকিব আহম্মেদ রকি, আব্দুল্লাহ আল সাকিব প্রমুখ।