ইপেপার । আজ রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মেহেরপুরের নতুন দরবেশপুরে মসজিদের ছাদ ঢালাই ও প্রীতিভোজ

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ০৫:০১:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ০ বার পড়া হয়েছে

????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????

প্রতিবেদক, বারাদী:
মেহেরপুর সদর উপজেলার নতুন দরবেশপুর গ্রামে মসজিদের ছাদ ঢালাই উপলক্ষে প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয়ে বিকেলে মসজিদের তিন হাজার বর্গফুট ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হয়। ছাদ ঢালাই উপলক্ষে গ্রামবাসী ও অতিথিসহ প্রায় এক হাজার নারী-পুরুষকে প্রীতিভোজ করানো হয়েছে। নতুন দরবেশপুর জামে মসজিদটি একটি শতবর্ষী মসজিদ। ১৯১৪ সালে মসজিদটি প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯২৮ সালে ইমারত নির্মাণ হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে মসজিদের সংস্করণ করা হয়। ধীরে ধীরে মসজিদে মুসল্লিদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। মুসল্লিদের জায়গার সংকুলান না হওয়ায় মসজিদ সম্প্রসারণের প্রয়োজন হয়।
মসজিদ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০২০ সালে ভাঙা হয় পুরাতন মসজিদটি। পরবর্তীতে মসজিদের ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জটিলতায় বন্ধ হয়ে যায় নির্মাণকাজ। তৈরি হয় পক্ষ-বিপক্ষ। পরবর্তীতে বিষয়টি চলে যায় ভিন্ন খাতে শুরু হয় জমি নিয়ে বিরোধ। অবশেষে সকল জটিলতার অবসান ঘটিয়ে ২০২৩ সালের নভেম্বরে শুরু হয় নির্মাণকাজ। বাপ দাদার রেখে যাওয়া স্থানে মসজিদটি পুনরায় নির্মাণ হওয়াতে আনন্দিত ও উচ্ছাসিত হয় গ্রামবাসী। মসজিদের ছাদ ঢালাইকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর মধ্যে ঈদের আনন্দ বিরাজ করে। সেই আনন্দ ভাগাভাগি করতে গরু জবেহ করে প্রীতিভোজের ব্যবস্থা করেন মসজিদ কমিটি।
মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার কবির সাজু বলেন, মসজিদের ছাদ ঢালাই উপলক্ষে প্রীতিভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা মহা আনন্দিত। আমরা দিন-রাত পরিশ্রমের মধ্যদিয়ে দ্রুত সময়ে মসজিদ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করব ইনশাআল্লাহ। মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি শাহাদত হোসেন বলেন, আমাদের প্রাণের মসজিদ ছিল এটি। নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় আমরা হতাশায় ভুগছিলাম। আজকে ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হওয়ায় গ্রামবাসীর মধ্যে ঈদের আনন্দ বিরাজ করছে। সাইদুর রহমান বলেন, মসজিদ নির্মাণের জন্য গ্রামের মহিলারা ৩০ হাজার টাকা তুলে দিয়েছে। ছাদ ঢালাই পর্যন্ত প্রায় ৭০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। পুরো ভবনটি নির্মাণে অনেক টাকার প্রয়োজন এজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

মেহেরপুরের নতুন দরবেশপুরে মসজিদের ছাদ ঢালাই ও প্রীতিভোজ

আপলোড টাইম : ০৫:০১:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩

প্রতিবেদক, বারাদী:
মেহেরপুর সদর উপজেলার নতুন দরবেশপুর গ্রামে মসজিদের ছাদ ঢালাই উপলক্ষে প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয়ে বিকেলে মসজিদের তিন হাজার বর্গফুট ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হয়। ছাদ ঢালাই উপলক্ষে গ্রামবাসী ও অতিথিসহ প্রায় এক হাজার নারী-পুরুষকে প্রীতিভোজ করানো হয়েছে। নতুন দরবেশপুর জামে মসজিদটি একটি শতবর্ষী মসজিদ। ১৯১৪ সালে মসজিদটি প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯২৮ সালে ইমারত নির্মাণ হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে মসজিদের সংস্করণ করা হয়। ধীরে ধীরে মসজিদে মুসল্লিদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। মুসল্লিদের জায়গার সংকুলান না হওয়ায় মসজিদ সম্প্রসারণের প্রয়োজন হয়।
মসজিদ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০২০ সালে ভাঙা হয় পুরাতন মসজিদটি। পরবর্তীতে মসজিদের ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জটিলতায় বন্ধ হয়ে যায় নির্মাণকাজ। তৈরি হয় পক্ষ-বিপক্ষ। পরবর্তীতে বিষয়টি চলে যায় ভিন্ন খাতে শুরু হয় জমি নিয়ে বিরোধ। অবশেষে সকল জটিলতার অবসান ঘটিয়ে ২০২৩ সালের নভেম্বরে শুরু হয় নির্মাণকাজ। বাপ দাদার রেখে যাওয়া স্থানে মসজিদটি পুনরায় নির্মাণ হওয়াতে আনন্দিত ও উচ্ছাসিত হয় গ্রামবাসী। মসজিদের ছাদ ঢালাইকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর মধ্যে ঈদের আনন্দ বিরাজ করে। সেই আনন্দ ভাগাভাগি করতে গরু জবেহ করে প্রীতিভোজের ব্যবস্থা করেন মসজিদ কমিটি।
মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার কবির সাজু বলেন, মসজিদের ছাদ ঢালাই উপলক্ষে প্রীতিভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা মহা আনন্দিত। আমরা দিন-রাত পরিশ্রমের মধ্যদিয়ে দ্রুত সময়ে মসজিদ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করব ইনশাআল্লাহ। মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি শাহাদত হোসেন বলেন, আমাদের প্রাণের মসজিদ ছিল এটি। নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় আমরা হতাশায় ভুগছিলাম। আজকে ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হওয়ায় গ্রামবাসীর মধ্যে ঈদের আনন্দ বিরাজ করছে। সাইদুর রহমান বলেন, মসজিদ নির্মাণের জন্য গ্রামের মহিলারা ৩০ হাজার টাকা তুলে দিয়েছে। ছাদ ঢালাই পর্যন্ত প্রায় ৭০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। পুরো ভবনটি নির্মাণে অনেক টাকার প্রয়োজন এজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।