ইপেপার । আজ মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে যুবলীগের দুই নেতাকে হুমকির অভিযোগ

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ১২:১২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ১১ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ অফিস:
ঝিনাইদহ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আশফাক মাহমুদ জন ও তার ব্যবসায়িক অংশীদার মামুনুর রহমান রশিদ টোকনকে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র উচিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঈগল প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা করায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও ঝিনাইদহ-২ আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি তার দলবল নিয়ে এই হুমকি দেন বলে ঝিনাইদহ সদর থানায় দায়ের করা এক সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় আশফাক মাহমুদ জন ও মামুনুর রহমান রশিদ ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

জিডিতে বলা হয়, দুপুর ১২টার দিকে শহরের চাকলাপাড়া এলাকায় যুবলীগ নেতা আশফাক মাহমুদ জন ব্যবসায়িক কাজে জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মামুনুর রশীদ টোকনের অফিসে বসেছিলেন। এসময় এমপি তাহজিব আলম সিদ্দিকী এসে যুবলীগের কর্মী আহাদকে শার্টের কলার ধরে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড় মারতে থাকেন। পরে যুবলীগ নেতা আশফাক মাহমুদ জনকেও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে তার দেহরক্ষীর কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিয়ে গুলি করতে যান। তখন দৌঁড়িয়ে পালিয়ে সবাই জীবন রক্ষা করেন।

যুবলীগ নেতা জন জিডিতে দাবি করেন, ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তিনি ক্ষুদ্ধ হয়ে এমটি ঘটিয়েছেন। এ ঘটনার পর থেকে আশফাক মাহমুদ জনসহ তার কর্মীরা নিরাপত্তহীনতায় ভুগছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

বিষয়টি জানতে সংসদ সদস্য তাহজিব আলম সিদ্দিকীকের ব্যক্তিগত মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) রওশন আলী গতকাল সন্ধ্যায় জানান, এটা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। ভোটের মাঠে না পেরে তারা এমন নিচু কাজে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, মেয়র নির্বাচনের সময় ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর বাড়িতে এরাই হামলা করেছিল। এখন আবার তারা নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সেই পরিবারের সঙ্গে মিশে গেছে।

ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীন উদ্দিন জানান, ‘শুনেছি ভুক্তভোগীরা থানায় লিখিত দিয়েছেন। আমি সুরাট ইউনিয়নে মারামারি ঠেকাতে ব্যস্ত আছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

ঝিনাইদহে যুবলীগের দুই নেতাকে হুমকির অভিযোগ

আপলোড টাইম : ১২:১২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩

ঝিনাইদহ অফিস:
ঝিনাইদহ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আশফাক মাহমুদ জন ও তার ব্যবসায়িক অংশীদার মামুনুর রহমান রশিদ টোকনকে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র উচিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঈগল প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা করায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও ঝিনাইদহ-২ আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি তার দলবল নিয়ে এই হুমকি দেন বলে ঝিনাইদহ সদর থানায় দায়ের করা এক সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় আশফাক মাহমুদ জন ও মামুনুর রহমান রশিদ ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

জিডিতে বলা হয়, দুপুর ১২টার দিকে শহরের চাকলাপাড়া এলাকায় যুবলীগ নেতা আশফাক মাহমুদ জন ব্যবসায়িক কাজে জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মামুনুর রশীদ টোকনের অফিসে বসেছিলেন। এসময় এমপি তাহজিব আলম সিদ্দিকী এসে যুবলীগের কর্মী আহাদকে শার্টের কলার ধরে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড় মারতে থাকেন। পরে যুবলীগ নেতা আশফাক মাহমুদ জনকেও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে তার দেহরক্ষীর কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিয়ে গুলি করতে যান। তখন দৌঁড়িয়ে পালিয়ে সবাই জীবন রক্ষা করেন।

যুবলীগ নেতা জন জিডিতে দাবি করেন, ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তিনি ক্ষুদ্ধ হয়ে এমটি ঘটিয়েছেন। এ ঘটনার পর থেকে আশফাক মাহমুদ জনসহ তার কর্মীরা নিরাপত্তহীনতায় ভুগছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

বিষয়টি জানতে সংসদ সদস্য তাহজিব আলম সিদ্দিকীকের ব্যক্তিগত মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) রওশন আলী গতকাল সন্ধ্যায় জানান, এটা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। ভোটের মাঠে না পেরে তারা এমন নিচু কাজে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, মেয়র নির্বাচনের সময় ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর বাড়িতে এরাই হামলা করেছিল। এখন আবার তারা নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সেই পরিবারের সঙ্গে মিশে গেছে।

ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীন উদ্দিন জানান, ‘শুনেছি ভুক্তভোগীরা থানায় লিখিত দিয়েছেন। আমি সুরাট ইউনিয়নে মারামারি ঠেকাতে ব্যস্ত আছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’