ইপেপার । আজ মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনে যাচাই-বাছাই শেষে ১৩ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

৭ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল, ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা যাবে আপিল

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ০৩:৩৪:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ৫ বার পড়া হয়েছে


নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনে ২০ প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. কিসিঞ্জার চাকমা সকল প্রার্থীর উপস্থিতিতে ১৩ জনের বৈধতা এবং ৭ জনের মনোনয়ন বাতিলের ঘোষণা দেন। এর মধ্যে ১ শতাংশ ভোটারের ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর, তথ্য গোপন, ঋণ খেলাপী, কর ও বিল বকেয়ার কারণে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ৩ জন ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে ৪ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন, এনপিপির ইদ্রিস চৌধুরী, জাকের পার্টির সালাম উদ্দিন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ উপ-কমিটির সদস্য রাজ্জাক খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য দিলীপ কুমার আগরওয়ালা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক নৌ কমান্ডার এম শহিদুর রহমান।

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি আফরোজা পারভিন, তৃণমূল বিএনপি মনোনিত প্রার্থী তাইজেল হক, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ সামসুল আবেদিন খোকনের মনোনয়নপত্র।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আলী আজগার টগর, জাতীয় পার্টির প্রার্থী রবিউল ইসলাম, এনপিপির ইদ্রিস চৌধুরী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) দেওয়ান মোহাম্মদ ইয়াসিন উল্লাহ, জাকের পার্টির আব্দুল লতিফ খান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য আবু হাশেম রেজা।

এছাড়া চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি নজরুল মল্লিক, জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মালেক মোল্লা, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সকালের সময় পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশক নূর হাকিম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মির্জা শাহরিয়ার মাহমুদ লণ্টুর মনোনয়ন ফরম।

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. কিসিঞ্জার চাকমা বলেন, এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে তার আপিল করার সুযোগ রয়েছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত আপিল করা যাবে। আপিলের পর সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিদের মনোনয়নপত্র আবারও যাচাই-বাছাই করা হবে। মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজমুল হামিদ রেজা, জেলা নির্বাচন অফিসার মোতাওয়াক্কিল রহমানসহ সহকারী সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

কী কারণে কার মনোনয়ন বাতিল হলো?
রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী তাইজেল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তার আয়করের তথ্য গোপন করা হয়েছে এবং প্রায় সাড়ে ২৬ হাজার টাকা আলমডাঙ্গা পৌরসভায় পৌর কর বাবদ বাকি রয়েছে। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ সামসুল আবেদিন খোকনের ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের ত্রুটি থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আফরোজা পারভীন তথ্য গোপন করেছেন। তিনি পৌরসভায় চাকরি করলেও হলফনামায় পেশা হিসেবে ব্যবসায়ী এবং হোমিও চিকিৎসক উল্লেখ করেছেন।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল মল্লিকের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। তার বিরুদ্ধে স্টান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণ খেলাপী হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। একইসাথে তার বিদ্যুৎ বিল ও পৌর কর বকেয়া ছিল। এছাড়া ১ শতাংশ ভোটার তালিকায়ও ত্রুটি রয়েছে নজরুল মল্লিকের। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মালেক মোল্লার পল্লী বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। এছাড়া ১ শতাংশ ভোটার তালিকায় অসঙ্গতি থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী নুর হাকিম ও মীর্জা শাহরিয়ার লণ্টুর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭৯, চুয়াডাঙ্গা-১ সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৯৮০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪১ হাজার ৩৮৭ জন এবং মহিলা ভোটার ২ লাখ ৪২ হাজার ৫৮৯ জন। মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৮১টি। ৮০, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৯৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪২ জন এবং মহিলা ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ৬৯২ জন। মোট ভোটকেন্দ্রে সংখ্যা ১৭৩টি।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আওয়াল আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৪ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন। সেই হিসেবে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৬-১৫ নভেম্বর, ১৭ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনে যাচাই-বাছাই শেষে ১৩ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

৭ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল, ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা যাবে আপিল

আপলোড টাইম : ০৩:৩৪:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩


নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনে ২০ প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. কিসিঞ্জার চাকমা সকল প্রার্থীর উপস্থিতিতে ১৩ জনের বৈধতা এবং ৭ জনের মনোনয়ন বাতিলের ঘোষণা দেন। এর মধ্যে ১ শতাংশ ভোটারের ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর, তথ্য গোপন, ঋণ খেলাপী, কর ও বিল বকেয়ার কারণে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ৩ জন ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে ৪ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন, এনপিপির ইদ্রিস চৌধুরী, জাকের পার্টির সালাম উদ্দিন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ উপ-কমিটির সদস্য রাজ্জাক খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য দিলীপ কুমার আগরওয়ালা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক নৌ কমান্ডার এম শহিদুর রহমান।

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি আফরোজা পারভিন, তৃণমূল বিএনপি মনোনিত প্রার্থী তাইজেল হক, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ সামসুল আবেদিন খোকনের মনোনয়নপত্র।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আলী আজগার টগর, জাতীয় পার্টির প্রার্থী রবিউল ইসলাম, এনপিপির ইদ্রিস চৌধুরী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) দেওয়ান মোহাম্মদ ইয়াসিন উল্লাহ, জাকের পার্টির আব্দুল লতিফ খান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য আবু হাশেম রেজা।

এছাড়া চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি নজরুল মল্লিক, জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মালেক মোল্লা, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সকালের সময় পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশক নূর হাকিম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মির্জা শাহরিয়ার মাহমুদ লণ্টুর মনোনয়ন ফরম।

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. কিসিঞ্জার চাকমা বলেন, এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে তার আপিল করার সুযোগ রয়েছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত আপিল করা যাবে। আপিলের পর সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিদের মনোনয়নপত্র আবারও যাচাই-বাছাই করা হবে। মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজমুল হামিদ রেজা, জেলা নির্বাচন অফিসার মোতাওয়াক্কিল রহমানসহ সহকারী সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

কী কারণে কার মনোনয়ন বাতিল হলো?
রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী তাইজেল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তার আয়করের তথ্য গোপন করা হয়েছে এবং প্রায় সাড়ে ২৬ হাজার টাকা আলমডাঙ্গা পৌরসভায় পৌর কর বাবদ বাকি রয়েছে। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ সামসুল আবেদিন খোকনের ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের ত্রুটি থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আফরোজা পারভীন তথ্য গোপন করেছেন। তিনি পৌরসভায় চাকরি করলেও হলফনামায় পেশা হিসেবে ব্যবসায়ী এবং হোমিও চিকিৎসক উল্লেখ করেছেন।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল মল্লিকের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। তার বিরুদ্ধে স্টান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণ খেলাপী হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। একইসাথে তার বিদ্যুৎ বিল ও পৌর কর বকেয়া ছিল। এছাড়া ১ শতাংশ ভোটার তালিকায়ও ত্রুটি রয়েছে নজরুল মল্লিকের। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মালেক মোল্লার পল্লী বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। এছাড়া ১ শতাংশ ভোটার তালিকায় অসঙ্গতি থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী নুর হাকিম ও মীর্জা শাহরিয়ার লণ্টুর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭৯, চুয়াডাঙ্গা-১ সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৯৮০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪১ হাজার ৩৮৭ জন এবং মহিলা ভোটার ২ লাখ ৪২ হাজার ৫৮৯ জন। মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৮১টি। ৮০, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৯৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪২ জন এবং মহিলা ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ৬৯২ জন। মোট ভোটকেন্দ্রে সংখ্যা ১৭৩টি।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আওয়াল আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৪ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন। সেই হিসেবে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৬-১৫ নভেম্বর, ১৭ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে।