ইপেপার । আজ মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও গ্রেপ্তার হয়নি শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি তানভীর

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ১১:৫৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুন ২০২৩
  • / ৫ বার পড়া হয়েছে

দর্শনা অফিস:
২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও গ্রেপ্তার হয়নি দামুড়হুদা উপজেলা দর্শনার নাস্তিপুরের শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি তানভীর (২০)। দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ বলছেন, ‘আসামিকে ধরতে বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে। দ্রুতই ধর্ষক আটক হতে পারে।’ গতকাল শুক্রবার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি আছে। তার মা বলেন, ‘আমার মেয়ে সারাদিন ঘুমাচ্ছে না। কাঁদছে। ব্যথায় কাতরাচ্ছে।’
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ভুক্তভোগী শিশুকন্যা ও তার চাচাতো ভাই শিশু তানভীর একসঙ্গে খেলা করছিল। খেলার একপর্যায়ে তারা দুজনে তর্কাতর্কি করলে ভুক্তভোগী শিশুটির মা তাকে বাড়িতে আসতে বলে। সে সময় তানভীর শিশুটিকে মোবাইলে কার্টুন দেখানোর কথা বলে তার ঘরে নিয়ে যায়। পরে তানভীর শিশুটির মুখ কাপড় দিয়ে বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের কথা তানভীরের মা কাকলীও জানতো। তানভীর এবং তার মা কাকলী শিশুটিকে বলে বাড়ি যেয়ে বলবি পড়ে যেয়ে তারকাঁটায় কেটে গেছে।

পরিবারের জানায়, রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি বাড়িতে এসে তার দাদিকে পড়ে যেয়ে কেটে যাওয়ার কথা বলে। কিন্তু তার দাদি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ দেখে। এসময় তানভীরের ছোট ভাই তানজিল (৮) দাদিকে বলে ওতো তারকাঁটার ওখানে খেলতে যায়নি। ভাইয়ার সঙ্গে ঘরে কার্টুন দেখছিল। তানজিলের কথা শুনে সকলের সন্দেহ হলে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হয় তারা।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও গ্রেপ্তার হয়নি শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি তানভীর

আপলোড টাইম : ১১:৫৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুন ২০২৩

দর্শনা অফিস:
২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও গ্রেপ্তার হয়নি দামুড়হুদা উপজেলা দর্শনার নাস্তিপুরের শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি তানভীর (২০)। দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ বলছেন, ‘আসামিকে ধরতে বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে। দ্রুতই ধর্ষক আটক হতে পারে।’ গতকাল শুক্রবার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি আছে। তার মা বলেন, ‘আমার মেয়ে সারাদিন ঘুমাচ্ছে না। কাঁদছে। ব্যথায় কাতরাচ্ছে।’
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ভুক্তভোগী শিশুকন্যা ও তার চাচাতো ভাই শিশু তানভীর একসঙ্গে খেলা করছিল। খেলার একপর্যায়ে তারা দুজনে তর্কাতর্কি করলে ভুক্তভোগী শিশুটির মা তাকে বাড়িতে আসতে বলে। সে সময় তানভীর শিশুটিকে মোবাইলে কার্টুন দেখানোর কথা বলে তার ঘরে নিয়ে যায়। পরে তানভীর শিশুটির মুখ কাপড় দিয়ে বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের কথা তানভীরের মা কাকলীও জানতো। তানভীর এবং তার মা কাকলী শিশুটিকে বলে বাড়ি যেয়ে বলবি পড়ে যেয়ে তারকাঁটায় কেটে গেছে।

পরিবারের জানায়, রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি বাড়িতে এসে তার দাদিকে পড়ে যেয়ে কেটে যাওয়ার কথা বলে। কিন্তু তার দাদি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ দেখে। এসময় তানভীরের ছোট ভাই তানজিল (৮) দাদিকে বলে ওতো তারকাঁটার ওখানে খেলতে যায়নি। ভাইয়ার সঙ্গে ঘরে কার্টুন দেখছিল। তানজিলের কথা শুনে সকলের সন্দেহ হলে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হয় তারা।