ইপেপার । আজ মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

চালু হচ্ছে পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কমবে লোডশেডিং

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ১১:৩৭:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুন ২০২৩
  • / ৪ বার পড়া হয়েছে

সমীকরণ প্রতিবেদন:
কয়লা আসায় পুনরায় চালু হচ্ছে পটুয়াখালীর পায়রা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। গতকাল সকালে ৪০ হাজার টনের একটি কয়লাবাহী জাহাজ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটিতে পৌঁছেছে। জাহাজ থেকে কয়লা খালাসের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। এর ফলে আগামীকাল যেকোনো সময় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু করা হতে পারে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির মালিকানা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিপিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এএম খোরশেদুল আলম বণিক বার্তাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘২৫ জুন (আগামীকাল) পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হবে। ৪০ হাজার টনের একটি কয়লাবাহী জাহাজ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটিতে এসেছে। আরো একটি জাহাজ পায়রার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। মোট আট লাখ টন কয়লার এলসি খোলা হয়েছে। আশা করছি, এ কয়লা থাকতেই আরো এলসি খোলা যাবে।’

বিসিপিসিএলের একটি সূত্র জানিয়েছে, ৪০ হাজার টন কয়লা নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী জাহাজ এমভি অ্যাথেনা। গতকাল বেলা ৩টার পর লাইটার জাহাজে করে কয়লা খালাস শুরু হয়। রাতে এসব লাইটার পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটিতে ভিড়বে। আজ সকালে জাহাজ থেকে পুরো কয়লা খালাস হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে দায়িত্বশীল একটি সূত্র। এর আগে, গত ২৫ মে কয়লা সংকটের কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। দুটি ইউনিটে বিভক্ত এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ হয়ে যায় ৫ জুন। দেশে বিদ্যুৎ সংকটে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ নিচ্ছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। কিন্তু কয়লা আমদানিতে বিল বকেয়া পড়ায় গত ২৫ মে কেন্দ্রের একটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়।

জানা গেছে, কয়লার বিল বাবদ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া পড়ে। এরই মধ্যে ১০০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া পরিশোধ করেছে বিসিপিসিএল। বড় অংকের বিল পরিশোধ করে পুনরায় কয়লার এলসি খোলা হয়। এ এলসির প্রথম চালানের কয়লা গতকাল দেশে এসে পৌঁছাল। এদিকে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে ফিরলে লোডশেডিং কমবে বলে আশা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বৃহৎ সক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডেও বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

চালু হচ্ছে পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কমবে লোডশেডিং

আপলোড টাইম : ১১:৩৭:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুন ২০২৩

সমীকরণ প্রতিবেদন:
কয়লা আসায় পুনরায় চালু হচ্ছে পটুয়াখালীর পায়রা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। গতকাল সকালে ৪০ হাজার টনের একটি কয়লাবাহী জাহাজ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটিতে পৌঁছেছে। জাহাজ থেকে কয়লা খালাসের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। এর ফলে আগামীকাল যেকোনো সময় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু করা হতে পারে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির মালিকানা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিপিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এএম খোরশেদুল আলম বণিক বার্তাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘২৫ জুন (আগামীকাল) পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হবে। ৪০ হাজার টনের একটি কয়লাবাহী জাহাজ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটিতে এসেছে। আরো একটি জাহাজ পায়রার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। মোট আট লাখ টন কয়লার এলসি খোলা হয়েছে। আশা করছি, এ কয়লা থাকতেই আরো এলসি খোলা যাবে।’

বিসিপিসিএলের একটি সূত্র জানিয়েছে, ৪০ হাজার টন কয়লা নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী জাহাজ এমভি অ্যাথেনা। গতকাল বেলা ৩টার পর লাইটার জাহাজে করে কয়লা খালাস শুরু হয়। রাতে এসব লাইটার পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটিতে ভিড়বে। আজ সকালে জাহাজ থেকে পুরো কয়লা খালাস হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে দায়িত্বশীল একটি সূত্র। এর আগে, গত ২৫ মে কয়লা সংকটের কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। দুটি ইউনিটে বিভক্ত এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ হয়ে যায় ৫ জুন। দেশে বিদ্যুৎ সংকটে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ নিচ্ছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। কিন্তু কয়লা আমদানিতে বিল বকেয়া পড়ায় গত ২৫ মে কেন্দ্রের একটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়।

জানা গেছে, কয়লার বিল বাবদ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া পড়ে। এরই মধ্যে ১০০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া পরিশোধ করেছে বিসিপিসিএল। বড় অংকের বিল পরিশোধ করে পুনরায় কয়লার এলসি খোলা হয়। এ এলসির প্রথম চালানের কয়লা গতকাল দেশে এসে পৌঁছাল। এদিকে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে ফিরলে লোডশেডিং কমবে বলে আশা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বৃহৎ সক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডেও বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।