ইপেপার । আজ রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ভিডিও শেয়ারিংয়ের জন্য ফেসবুকের নতুন অ্যাপ

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ১২:৪১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৬
  • / ৪৭১ বার পড়া হয়েছে

appপ্রযুক্তি ডেস্ক: দক্ষিণ এশিয়ায় ফেসবুক বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার সকল সুবিধা পাওয়া যায়না। তাছাড়া ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কিছু সুবিধা বা অ্যাপ তৈরি করে দেশ বা অঞ্চলকে মাথায় রেখে। এবারো ফেসবুকের জন্যে নতুন এক অ্যাপ এসেছে যার নাম লাইফস্টেজ। এটা বর্তমানে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে আইফোন ও অ্যাইপ্যাডের জন্যে উম্মুক্ত করা হয়েছে। এটা মূলত ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ। এই অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে আপনাকে হতে হবে ২১ বছর বা তার কম বয়সের। এটা হাই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা মাথায় রেখেই বানানো হয়েছে। যাতে তারা তাদের ক্লাসমেটদের ভালোভাবে জানতে পারে। এই অ্যাপ তৈরি করেছেন ফেসবুকের মাত্র ১৯ বছর বয়সী প্রোডাক্ট ম্যানেজার মাইকেল সায়মান। যিনি চাচ্ছেন এটা ব্যবহার করুক শুধুমাত্র টিনেজাররা। সুতরাং কেউ যদি ২১ বছরের বেশি বয়সী হয় এবং টেকনিক্যালি লাইফস্টেজ ডাউনলোডও করে ফেলেন তবে তিনি অন্যদের শেয়ার করা ভিডিও দেখতে পাবেন না। তিনি শুধু নিজের প্রোফাইল দেখতে পাবেন। এই অ্যাপে স্টুডেন্টরা বিভিন্ন ফ্রেমে ভিডিও ধারণ করে শেয়ার করতে পারবেন। অথবা বিভিন্ন মুডের ভিডিও আপলোড করা যাবে যেমন: লাইক কিংবা ডিজলাইক ভিডিও। আপনি কী করতে পছন্দ করেন বা কী পছন্দ করেন না সেরকম ভিডিও শেয়ার করতে পারেন সহপাঠীদের সঙ্গে। স্কুলের নামে গ্র“প খোলার ক্ষেত্রে আপনাকে একই স্কুলের অন্তত ২০ জনের একটি টিম গঠন করে লাইফস্টেজে কানেক্ট হতে হবে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতামত, ফেসবুকের এই অ্যাপটি অনেকটা স্ন্যাপচ্যাটের অনুকরণে করা হয়েছে। তাই টেক দুনিয়ায় কেউ কেউ একে স্ন্যাপচ্যাটের ক্লোন বলেও অভিহিত করছেন। অ্যাপটিতে সাইন আপ করার জন্য ব্যবহারকারীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। সেই অ্যাকাউন্ট দিয়েই অ্যাপটিতে সাইন আপ করা যাবে।  যুক্তরাষ্ট্রে ১৩-১৯ বছর বয়সী ফেসবুক ব্যবহারকারী আছে মাত্র ৮%। আবার এটা বর্তমানে শুধুমাত্র আইটিউন স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। তাই এর রেটিং পয়েন্ট মাত্র ২.৫। কেউ কেউ এতে কমেন্ট করেছেন বিভ্রান্ত বলে। শুধুমাত্র স্কুল টিনেজারদের নিয়ে গঠিত অ্যাপ কতটা সফল হবে তা সময় বলে দেবে। কিন্তু এ ধরনের ভিডিও শেয়ারের সুবিধা আমাদের দেশের জন্যে হলেও কিন্তু মন্দ হতো না। কোনো স্টুডেন্ট কোনো ক্লাস মিস করলে তাদের ক্লাসমেটরা সেটা তাদের নেটওয়ার্কে শেয়ার করলে তা হবে খুবই উপকারি। এমনি ভাবে সায়েন্সের স্টুডেন্টদের প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস বা কোনো প্রেজেন্টেশনের ভিডিও শেয়ার করে স্টুডেন্টরা তাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে এবং শেয়ার করতে পারবে। এখন দেখা যাক এই অ্যাপ কতদূর যেতে পারে? বেশিদূর এগোতে না পারলে আমাদের এখানে পৌঁছবে কী করে।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

ভিডিও শেয়ারিংয়ের জন্য ফেসবুকের নতুন অ্যাপ

আপলোড টাইম : ১২:৪১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৬

appপ্রযুক্তি ডেস্ক: দক্ষিণ এশিয়ায় ফেসবুক বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার সকল সুবিধা পাওয়া যায়না। তাছাড়া ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কিছু সুবিধা বা অ্যাপ তৈরি করে দেশ বা অঞ্চলকে মাথায় রেখে। এবারো ফেসবুকের জন্যে নতুন এক অ্যাপ এসেছে যার নাম লাইফস্টেজ। এটা বর্তমানে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে আইফোন ও অ্যাইপ্যাডের জন্যে উম্মুক্ত করা হয়েছে। এটা মূলত ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ। এই অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে আপনাকে হতে হবে ২১ বছর বা তার কম বয়সের। এটা হাই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা মাথায় রেখেই বানানো হয়েছে। যাতে তারা তাদের ক্লাসমেটদের ভালোভাবে জানতে পারে। এই অ্যাপ তৈরি করেছেন ফেসবুকের মাত্র ১৯ বছর বয়সী প্রোডাক্ট ম্যানেজার মাইকেল সায়মান। যিনি চাচ্ছেন এটা ব্যবহার করুক শুধুমাত্র টিনেজাররা। সুতরাং কেউ যদি ২১ বছরের বেশি বয়সী হয় এবং টেকনিক্যালি লাইফস্টেজ ডাউনলোডও করে ফেলেন তবে তিনি অন্যদের শেয়ার করা ভিডিও দেখতে পাবেন না। তিনি শুধু নিজের প্রোফাইল দেখতে পাবেন। এই অ্যাপে স্টুডেন্টরা বিভিন্ন ফ্রেমে ভিডিও ধারণ করে শেয়ার করতে পারবেন। অথবা বিভিন্ন মুডের ভিডিও আপলোড করা যাবে যেমন: লাইক কিংবা ডিজলাইক ভিডিও। আপনি কী করতে পছন্দ করেন বা কী পছন্দ করেন না সেরকম ভিডিও শেয়ার করতে পারেন সহপাঠীদের সঙ্গে। স্কুলের নামে গ্র“প খোলার ক্ষেত্রে আপনাকে একই স্কুলের অন্তত ২০ জনের একটি টিম গঠন করে লাইফস্টেজে কানেক্ট হতে হবে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতামত, ফেসবুকের এই অ্যাপটি অনেকটা স্ন্যাপচ্যাটের অনুকরণে করা হয়েছে। তাই টেক দুনিয়ায় কেউ কেউ একে স্ন্যাপচ্যাটের ক্লোন বলেও অভিহিত করছেন। অ্যাপটিতে সাইন আপ করার জন্য ব্যবহারকারীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। সেই অ্যাকাউন্ট দিয়েই অ্যাপটিতে সাইন আপ করা যাবে।  যুক্তরাষ্ট্রে ১৩-১৯ বছর বয়সী ফেসবুক ব্যবহারকারী আছে মাত্র ৮%। আবার এটা বর্তমানে শুধুমাত্র আইটিউন স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। তাই এর রেটিং পয়েন্ট মাত্র ২.৫। কেউ কেউ এতে কমেন্ট করেছেন বিভ্রান্ত বলে। শুধুমাত্র স্কুল টিনেজারদের নিয়ে গঠিত অ্যাপ কতটা সফল হবে তা সময় বলে দেবে। কিন্তু এ ধরনের ভিডিও শেয়ারের সুবিধা আমাদের দেশের জন্যে হলেও কিন্তু মন্দ হতো না। কোনো স্টুডেন্ট কোনো ক্লাস মিস করলে তাদের ক্লাসমেটরা সেটা তাদের নেটওয়ার্কে শেয়ার করলে তা হবে খুবই উপকারি। এমনি ভাবে সায়েন্সের স্টুডেন্টদের প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস বা কোনো প্রেজেন্টেশনের ভিডিও শেয়ার করে স্টুডেন্টরা তাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে এবং শেয়ার করতে পারবে। এখন দেখা যাক এই অ্যাপ কতদূর যেতে পারে? বেশিদূর এগোতে না পারলে আমাদের এখানে পৌঁছবে কী করে।