ইপেপার । আজ রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মঙ্গল গ্রহের জুতা নিয়ে শোরগোল

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ১২:০৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অগাস্ট ২০১৬
  • / ৩৯০ বার পড়া হয়েছে

Shoeপ্রযুক্তি ডেস্ক: পৃথিবীর বাইরে জনবসতি স্থাপনের ক্ষেত্রে নাসার বিজ্ঞানীদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে, লাল গ্রহ হিসেবে পরিচিত মঙ্গল গ্রহে। গ্রহটিতে মানুষের বসবাসের সম্ভাবনা নিয়ে অনেক আগে থেকেই গবেষণা চালাচ্ছেন নাসার মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। বিশেষ করে মঙ্গল গ্রহে কখনো পানির অস্তিত্ব ছিল কিনা সে বিষয়ে অনেক বছর ধরেই অনুসন্ধান চলছে। মঙ্গল গ্রহে অতীতে কখনো প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কিংবা বর্তমানে রয়েছে, এমন প্রমাণ নাসা তাদের গবেষণায় এখন পর্যন্ত না পেলেও, ইউএফও গবেষকরা এ ব্যাপারে নাসার সঙ্গে একমত নয়। কেননা বরাবরই ইউএফও গবেষকরা মঙ্গল গ্রহে ভিনগ্রহী প্রাণীদের বসবাস ছিল কিংবা এখনো রয়েছে বলে দাবী করে আসছে। গ্রহটিতে সাম্প্রতিক সময়ে কাজ করছে নাসার একাধিক রোবটযান। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, ২০০৪ সালে পাঠানো অপরচুনিটি রোভার এবং ২০১২ সালে পাঠানো কিউরিসিটি রোভার। শক্তিশালী এসব রোবটযান মঙ্গল গ্রহের ভূত্বক ও পরিবেশ নিয়ে নানা অনুসন্ধান চালাচ্ছে এবং একের পর এক ছবি পাঠাচ্ছে। চমকপ্রদ ব্যাপার হচ্ছে, এসব রোবটযানের পাঠানো নাসা কর্তৃক প্রকাশিত মঙ্গলগ্রহের ছবিগুলো বিশ্লেষণ করেই, ইউএফও গবেষকরা মঙ্গল গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কিংবা এখনো রয়েছে বলে দাবী করে আসছে। ইতিমধ্যে মঙ্গল গ্রহে বিভিন্ন ধরনের প্রাণীর জীবাশ্ম, মূর্তি, কামান, চামচ, কবর, মমিসহ একের পর এক নানা কিছু দেখার দাবি করেছেন বিভিন্ন ইউএফও গবেষকরা। আর এবার এ তালিকায় নতুন যোগ হয়েছে জুতা। বাঁ পাশের ছবিটি নাসা কর্তৃক প্রকাশিত মূল ছবি এবং ডান পাশের ছবিটি হচ্ছে, মূল ছবিটিতে মঙ্গল গ্রহে জুতা দেখার দাবীকৃত ছবি। সম্প্রতি মঙ্গল গ্রহের ছবি বিশ্লেষণ করে গ্রহটিতে জুতা দেখতে পেয়েছেন বলে দাবী করে ফের শোরগোল ফেলে দিয়েছেন ইউএফও নিউজের জনপ্রিয় সাইট এবং এই জুতা পাওয়ার ঘটনাটিকে বলা হয়েছে মঙ্গল গ্রহে একটি প্রজাতির ভয়াবহ মৃত্যু প্রমাণ হিসেবে। বলা হচ্ছে, পড়ে থাকা জুতা প্রমাণ করে যে, শিলা এবং ধুলার এই লালগ্রহের প্রজাতি যুদ্ধরত ছিল এবং জুতাটি শক্তিশালী প্রমাণ যে, সেই প্রজাতি মানবসাদৃশ্য ছিল। স্কট সি তার ব্লগ পোস্টে বলেন, ‘রোভার যানের তোলা কিছু ছবি দেখছিলাম, সেময় একটি ছবিতে দেখতে পাই আগ্নেয়গিরির মুখের কাছে পড়ে থাকা একাকী একটি জুতা। সম্ভবত এটা মঙ্গলগ্রহের একটি প্রজাতির জুতা যারা অনেক আগেই যুদ্ধের মাধ্যমে বিলুপ্ত হয়েছে এবং এই জুতা জোড়ালো প্রমাণ যে, তারা মানবসাদৃশ্য ছিল।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

মঙ্গল গ্রহের জুতা নিয়ে শোরগোল

আপলোড টাইম : ১২:০৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অগাস্ট ২০১৬

Shoeপ্রযুক্তি ডেস্ক: পৃথিবীর বাইরে জনবসতি স্থাপনের ক্ষেত্রে নাসার বিজ্ঞানীদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে, লাল গ্রহ হিসেবে পরিচিত মঙ্গল গ্রহে। গ্রহটিতে মানুষের বসবাসের সম্ভাবনা নিয়ে অনেক আগে থেকেই গবেষণা চালাচ্ছেন নাসার মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। বিশেষ করে মঙ্গল গ্রহে কখনো পানির অস্তিত্ব ছিল কিনা সে বিষয়ে অনেক বছর ধরেই অনুসন্ধান চলছে। মঙ্গল গ্রহে অতীতে কখনো প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কিংবা বর্তমানে রয়েছে, এমন প্রমাণ নাসা তাদের গবেষণায় এখন পর্যন্ত না পেলেও, ইউএফও গবেষকরা এ ব্যাপারে নাসার সঙ্গে একমত নয়। কেননা বরাবরই ইউএফও গবেষকরা মঙ্গল গ্রহে ভিনগ্রহী প্রাণীদের বসবাস ছিল কিংবা এখনো রয়েছে বলে দাবী করে আসছে। গ্রহটিতে সাম্প্রতিক সময়ে কাজ করছে নাসার একাধিক রোবটযান। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, ২০০৪ সালে পাঠানো অপরচুনিটি রোভার এবং ২০১২ সালে পাঠানো কিউরিসিটি রোভার। শক্তিশালী এসব রোবটযান মঙ্গল গ্রহের ভূত্বক ও পরিবেশ নিয়ে নানা অনুসন্ধান চালাচ্ছে এবং একের পর এক ছবি পাঠাচ্ছে। চমকপ্রদ ব্যাপার হচ্ছে, এসব রোবটযানের পাঠানো নাসা কর্তৃক প্রকাশিত মঙ্গলগ্রহের ছবিগুলো বিশ্লেষণ করেই, ইউএফও গবেষকরা মঙ্গল গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কিংবা এখনো রয়েছে বলে দাবী করে আসছে। ইতিমধ্যে মঙ্গল গ্রহে বিভিন্ন ধরনের প্রাণীর জীবাশ্ম, মূর্তি, কামান, চামচ, কবর, মমিসহ একের পর এক নানা কিছু দেখার দাবি করেছেন বিভিন্ন ইউএফও গবেষকরা। আর এবার এ তালিকায় নতুন যোগ হয়েছে জুতা। বাঁ পাশের ছবিটি নাসা কর্তৃক প্রকাশিত মূল ছবি এবং ডান পাশের ছবিটি হচ্ছে, মূল ছবিটিতে মঙ্গল গ্রহে জুতা দেখার দাবীকৃত ছবি। সম্প্রতি মঙ্গল গ্রহের ছবি বিশ্লেষণ করে গ্রহটিতে জুতা দেখতে পেয়েছেন বলে দাবী করে ফের শোরগোল ফেলে দিয়েছেন ইউএফও নিউজের জনপ্রিয় সাইট এবং এই জুতা পাওয়ার ঘটনাটিকে বলা হয়েছে মঙ্গল গ্রহে একটি প্রজাতির ভয়াবহ মৃত্যু প্রমাণ হিসেবে। বলা হচ্ছে, পড়ে থাকা জুতা প্রমাণ করে যে, শিলা এবং ধুলার এই লালগ্রহের প্রজাতি যুদ্ধরত ছিল এবং জুতাটি শক্তিশালী প্রমাণ যে, সেই প্রজাতি মানবসাদৃশ্য ছিল। স্কট সি তার ব্লগ পোস্টে বলেন, ‘রোভার যানের তোলা কিছু ছবি দেখছিলাম, সেময় একটি ছবিতে দেখতে পাই আগ্নেয়গিরির মুখের কাছে পড়ে থাকা একাকী একটি জুতা। সম্ভবত এটা মঙ্গলগ্রহের একটি প্রজাতির জুতা যারা অনেক আগেই যুদ্ধের মাধ্যমে বিলুপ্ত হয়েছে এবং এই জুতা জোড়ালো প্রমাণ যে, তারা মানবসাদৃশ্য ছিল।