ইপেপার । আজ মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সারারাত মর্গে রাখার পরদিন নড়ে উঠল ‘মৃত’ ব্যক্তি, অতঃপর…

বিস্ময় প্রতিবেদন:
  • আপলোড টাইম : ০৮:৪৬:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১
  • / ৩ বার পড়া হয়েছে

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়া সুরেশ কুমারকে মৃত ঘোষণার পর চিকিৎসকরা ময়নাতদন্তের জন্য মর্গের ফ্রিজে রেখেছিলেন। সেখানে সারারাত (সাত ঘণ্টা) থাকার পরদিন হঠাৎই নড়ে উঠে ‘মৃত’ ঘোষণা করা ওই ব্যক্তি। অবিশ্বাস্য এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদে। মর্গের ফ্রিজে ৭ ঘণ্টা থাকার পরে বেঁচে ফেরা সুরেশকে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ-মিস্ত্রি সুরেশ বাইক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। তাকে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য সুরেশের দেহ মর্গের ফ্রিজে রাখা হয়। সুরেশের পরিবারকে ডেকে দেহ শনাক্ত করিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য অনুমতিও নেওয়া হয়। ততক্ষণে বেশ কয়েক ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। এর মধ্যেই সুরেশের শ্যালিকা মধুবালা খেয়াল করেন দেহটি নড়ছে। পরিবারের অন্য সদস্যরাও বিষয়টি খেয়াল করেন। সঙ্গে সঙ্গে তারা চিকিৎসককে দেহটি ভালভাবে পরীক্ষা করার অনুরোধ করেন। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখার পর আবার হাসপাতালে সুরেশকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়। পরিবারের দাবি, চিকিৎসা চলছে সুরেশের। তবে তার জ্ঞান ফেরেনি। চিকিৎসকরা আশ্বাস দিয়েছেন সঙ্কট কেটে গেছে। দ্রুতই সুস্থ হয়ে সুরেশ বাড়ি ফিরতে পারবে। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

সারারাত মর্গে রাখার পরদিন নড়ে উঠল ‘মৃত’ ব্যক্তি, অতঃপর…

আপলোড টাইম : ০৮:৪৬:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়া সুরেশ কুমারকে মৃত ঘোষণার পর চিকিৎসকরা ময়নাতদন্তের জন্য মর্গের ফ্রিজে রেখেছিলেন। সেখানে সারারাত (সাত ঘণ্টা) থাকার পরদিন হঠাৎই নড়ে উঠে ‘মৃত’ ঘোষণা করা ওই ব্যক্তি। অবিশ্বাস্য এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদে। মর্গের ফ্রিজে ৭ ঘণ্টা থাকার পরে বেঁচে ফেরা সুরেশকে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ-মিস্ত্রি সুরেশ বাইক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। তাকে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য সুরেশের দেহ মর্গের ফ্রিজে রাখা হয়। সুরেশের পরিবারকে ডেকে দেহ শনাক্ত করিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য অনুমতিও নেওয়া হয়। ততক্ষণে বেশ কয়েক ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। এর মধ্যেই সুরেশের শ্যালিকা মধুবালা খেয়াল করেন দেহটি নড়ছে। পরিবারের অন্য সদস্যরাও বিষয়টি খেয়াল করেন। সঙ্গে সঙ্গে তারা চিকিৎসককে দেহটি ভালভাবে পরীক্ষা করার অনুরোধ করেন। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখার পর আবার হাসপাতালে সুরেশকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়। পরিবারের দাবি, চিকিৎসা চলছে সুরেশের। তবে তার জ্ঞান ফেরেনি। চিকিৎসকরা আশ্বাস দিয়েছেন সঙ্কট কেটে গেছে। দ্রুতই সুস্থ হয়ে সুরেশ বাড়ি ফিরতে পারবে। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।