ইপেপার । আজ রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

লকডাউন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে -ডিসি নজরুল ইসলাম

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ১২:০৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১
  • / ৩৭ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গায় ৬ষ্ঠ দিনের লকডাউনেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সরব উপস্থিতি, টহল ছিল জোরদার
জেলার বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৫২ জনকে প্রায় ৪৮ হাজার টাকা জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
৬ষ্ঠ দিনেও চুয়াডাঙ্গায় সর্বাত্মক লকডাউনের প্রতিফলন দেখা গেছে। সড়কে মানুষের সংখ্যা একেবারেই কম ছিলো। যানবাহনও তেমন ছিল না। জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ যাতায়াত করছেন রিকশা বা অন্য কোনো যানবাহনে করে। মোড়ে মোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সেনা-বিজিবির জোর টহল লক্ষ্য করা গেছে। কোথাও কোথাও মোবাইল কোর্টের তল্লাশি চোখে পড়েছে।
সারা দেশে কঠোর লকডাউন শুরুর ৬ষ্ঠ দিনে জনশূন্য ছিল পুরো চুয়াডাঙ্গা শহর। বন্ধ ছিল সকল দোকানপাট ও শপিংমল। রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। যারাই বের হয়েছিলেন বিশেষ প্রয়োজনে, তাঁদের হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জেরার মুখ পড়তে হয়েছে, না হয় জরিমানা গুণেই আবারও বাসায় ফিরে যেতে হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে ৯টি মোবাইল কোর্টে ৩৮টি মামলায় ৫২ জনকে ৪৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে আছে। জেলায় কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের ১৩ জন ম্যাজিস্ট্রেটকে এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব দিয়েছেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। এছাড়াও, স্ব স্ব উপজেলার নির্বাহী অফিসারগণ ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে আছেন। প্রশাসন থেকে বলা হচ্ছে, কঠোরভাবে প্রতিপালন করানো হবে এবারের ‘সর্বাত্মক লকডাউন’।
এদিকে, সড়কে পণ্যবাহী পরিবহন ছাড়া আর তেমন কিছুই চলতে দেখা যায়নি। কিছু ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চলতে দেখা গেছে, তবে তা একবোরেই সীমিত। হাতেগোনা কয়েকজন মানুষকেই বাইরে দেখা গেছে।
তবে, সকালের দিকে কাঁচা বাজারে প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। কিছু অসচেতন মানুষ মাস্কবিহীন চলাচল করছিলো। ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যেও মাস্কের ব্যবহার কম ছিলো। নিউ মার্কেট, আব্দুল্লাহ সিটি, ফাতেমা প্লাজা, প্রিন্স প্লাজাসহ সব মার্কেট শপিংমলই বেশ কয়েকদিন থেকেই বন্ধ রয়েছে। বড় বাজারের গলিগুলোতেও সর্বাত্মক লকডাউনে দোকানী আর পুলিশের লুকোচুরি খেলা দেখা যাচ্ছে না। তেমন কেউই লুকিয়ে দোকানপাট খোলেননি। সবমিলিয়ে ‘সর্বাত্মক লকডাউনের’ ষষ্ঠ দিনও লকডাউনের মতোই ছিলো।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রশাসনের সাথে লকডাউন প্রতিপালন করাতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার মাঠে আছে। আমরা কাজহীনদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিচ্ছি। আশা রাখছি, এই লকডাউনের মধ্যে দিয়ে করোনা সংক্রমণের হার কমে আসবে।’

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

লকডাউন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে -ডিসি নজরুল ইসলাম

আপলোড টাইম : ১২:০৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

চুয়াডাঙ্গায় ৬ষ্ঠ দিনের লকডাউনেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সরব উপস্থিতি, টহল ছিল জোরদার
জেলার বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৫২ জনকে প্রায় ৪৮ হাজার টাকা জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
৬ষ্ঠ দিনেও চুয়াডাঙ্গায় সর্বাত্মক লকডাউনের প্রতিফলন দেখা গেছে। সড়কে মানুষের সংখ্যা একেবারেই কম ছিলো। যানবাহনও তেমন ছিল না। জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ যাতায়াত করছেন রিকশা বা অন্য কোনো যানবাহনে করে। মোড়ে মোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সেনা-বিজিবির জোর টহল লক্ষ্য করা গেছে। কোথাও কোথাও মোবাইল কোর্টের তল্লাশি চোখে পড়েছে।
সারা দেশে কঠোর লকডাউন শুরুর ৬ষ্ঠ দিনে জনশূন্য ছিল পুরো চুয়াডাঙ্গা শহর। বন্ধ ছিল সকল দোকানপাট ও শপিংমল। রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। যারাই বের হয়েছিলেন বিশেষ প্রয়োজনে, তাঁদের হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জেরার মুখ পড়তে হয়েছে, না হয় জরিমানা গুণেই আবারও বাসায় ফিরে যেতে হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে ৯টি মোবাইল কোর্টে ৩৮টি মামলায় ৫২ জনকে ৪৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে আছে। জেলায় কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের ১৩ জন ম্যাজিস্ট্রেটকে এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব দিয়েছেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। এছাড়াও, স্ব স্ব উপজেলার নির্বাহী অফিসারগণ ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে আছেন। প্রশাসন থেকে বলা হচ্ছে, কঠোরভাবে প্রতিপালন করানো হবে এবারের ‘সর্বাত্মক লকডাউন’।
এদিকে, সড়কে পণ্যবাহী পরিবহন ছাড়া আর তেমন কিছুই চলতে দেখা যায়নি। কিছু ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চলতে দেখা গেছে, তবে তা একবোরেই সীমিত। হাতেগোনা কয়েকজন মানুষকেই বাইরে দেখা গেছে।
তবে, সকালের দিকে কাঁচা বাজারে প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। কিছু অসচেতন মানুষ মাস্কবিহীন চলাচল করছিলো। ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যেও মাস্কের ব্যবহার কম ছিলো। নিউ মার্কেট, আব্দুল্লাহ সিটি, ফাতেমা প্লাজা, প্রিন্স প্লাজাসহ সব মার্কেট শপিংমলই বেশ কয়েকদিন থেকেই বন্ধ রয়েছে। বড় বাজারের গলিগুলোতেও সর্বাত্মক লকডাউনে দোকানী আর পুলিশের লুকোচুরি খেলা দেখা যাচ্ছে না। তেমন কেউই লুকিয়ে দোকানপাট খোলেননি। সবমিলিয়ে ‘সর্বাত্মক লকডাউনের’ ষষ্ঠ দিনও লকডাউনের মতোই ছিলো।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রশাসনের সাথে লকডাউন প্রতিপালন করাতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার মাঠে আছে। আমরা কাজহীনদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিচ্ছি। আশা রাখছি, এই লকডাউনের মধ্যে দিয়ে করোনা সংক্রমণের হার কমে আসবে।’