ইপেপার । আজ রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

লকডাউনের প্রভাব নেই গ্রামীণ জনপদে

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ০৫:২৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১
  • / ৩৯ বার পড়া হয়েছে

সমীকরণ প্রতিবেদক:
করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন শহরাঞ্চলে ব্যাপক সাড়া ফেললেও প্রভাব ফেলতে পারেনি গ্রামাঞ্চলের মানুষের মধ্যে। শহরাঞ্চল ও সড়ক-মহাসড়কে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতার কারণে বেশ সাড়া ফেলেছে লকডাউন। তবে জেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের মানুষ ঠিকই বের হচ্ছে ঘর থেকে। এমনকি বেশির ভাগ মানুষ মাস্ক পরেননি বরং আগের মতো চুটিয়ে চায়ের দোকানে বা পাড়া-মহল্লায় বসে আড্ডা দিয়ে সময় কাটাচ্ছে। তাই গ্রামাঞ্চলে প্রশাসনের নজরদারী বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছে সচেতন মহল।
গতকাল শনিবার সরেজমিনে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার নতিপোতা, লক্ষীপুর, জুড়ানপুর, চিৎলা, হোগলডাঙ্গা ও দামুড়হুদা সদর ইউনিয়রে বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা যায়, গ্রামের সব মানুষ স্বাভাবিক চলাফেরা করছে। দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর গ্রামের কৃষকদের দল বেধে মাঠে গরু চরাতে দেখা গিয়েছে। জুড়ানপুর-লক্ষীপুর সড়কের মাঠের চা-খ্যাত তক্কলের চায়ের দোকান চলছে নিয়মিত। জুড়ানপুর বটতলা বাজারের অবস্থা একদমই স্বাভাবিক। দামুড়হুদার চিৎলা গ্রামের চিত্রও অভিন্ন। দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেটের সামনের প্রায় দোকানই খোলা। অন্যদিকে ভগিরথপুর, নতিপোতা, হোগলডাঙ্গা, করিমপুরসহ এলাকার বিভিন্ন গ্রামে চিত্র একই রকম।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দামুড়হুদা উপজেলার চিৎলার এক ব্যবসায়ী বলেন, অতীতেও লকডাউন গ্রামাঞ্চলের মানুষকে প্রভাব ফেলতে পারেনি, এখনো একই পরিস্থিতি। মানুষ দিব্বি চায়ের দোকানে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় আড্ডা দিয়ে সময় কাটাচ্ছে। আরেক ব্যক্তি মতে, বাজার কেন্দ্রীক সরকার ঘোষিত লকডাউন পালিত হলেও গ্রামীণ জনপদে এর প্রভাব তেমন পড়েনি।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

লকডাউনের প্রভাব নেই গ্রামীণ জনপদে

আপলোড টাইম : ০৫:২৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১

সমীকরণ প্রতিবেদক:
করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন শহরাঞ্চলে ব্যাপক সাড়া ফেললেও প্রভাব ফেলতে পারেনি গ্রামাঞ্চলের মানুষের মধ্যে। শহরাঞ্চল ও সড়ক-মহাসড়কে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতার কারণে বেশ সাড়া ফেলেছে লকডাউন। তবে জেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের মানুষ ঠিকই বের হচ্ছে ঘর থেকে। এমনকি বেশির ভাগ মানুষ মাস্ক পরেননি বরং আগের মতো চুটিয়ে চায়ের দোকানে বা পাড়া-মহল্লায় বসে আড্ডা দিয়ে সময় কাটাচ্ছে। তাই গ্রামাঞ্চলে প্রশাসনের নজরদারী বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছে সচেতন মহল।
গতকাল শনিবার সরেজমিনে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার নতিপোতা, লক্ষীপুর, জুড়ানপুর, চিৎলা, হোগলডাঙ্গা ও দামুড়হুদা সদর ইউনিয়রে বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা যায়, গ্রামের সব মানুষ স্বাভাবিক চলাফেরা করছে। দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর গ্রামের কৃষকদের দল বেধে মাঠে গরু চরাতে দেখা গিয়েছে। জুড়ানপুর-লক্ষীপুর সড়কের মাঠের চা-খ্যাত তক্কলের চায়ের দোকান চলছে নিয়মিত। জুড়ানপুর বটতলা বাজারের অবস্থা একদমই স্বাভাবিক। দামুড়হুদার চিৎলা গ্রামের চিত্রও অভিন্ন। দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেটের সামনের প্রায় দোকানই খোলা। অন্যদিকে ভগিরথপুর, নতিপোতা, হোগলডাঙ্গা, করিমপুরসহ এলাকার বিভিন্ন গ্রামে চিত্র একই রকম।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দামুড়হুদা উপজেলার চিৎলার এক ব্যবসায়ী বলেন, অতীতেও লকডাউন গ্রামাঞ্চলের মানুষকে প্রভাব ফেলতে পারেনি, এখনো একই পরিস্থিতি। মানুষ দিব্বি চায়ের দোকানে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় আড্ডা দিয়ে সময় কাটাচ্ছে। আরেক ব্যক্তি মতে, বাজার কেন্দ্রীক সরকার ঘোষিত লকডাউন পালিত হলেও গ্রামীণ জনপদে এর প্রভাব তেমন পড়েনি।