ইপেপার । আজ রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

জামাল খাসোগি হত্যার দায়ে ৮ জনের কারাদণ্ড

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ০৯:১২:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ব প্রতিবেদন
সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যায় ৮ জনকে অভিযুক্ত করেছে সৌদি আরব। সোমবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে আল-জাজিরা। খবরে জানানো হয়েছে, সৌদি আদালত অভিযুক্তদের মধ্যে ৫ জনকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। অপর তিন জনকে ৭ থেকে ১০ বছরের মধ্যে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এর আগে গত মে মাসে খাসোগির সন্তানরা জানান, তারা তার বাবার হত্যাকারীদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। এর অর্থ হচ্ছে, এখন সৌদি আইন অনুযায়ী তাদের আর মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে না। এর আগে ৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার রায় প্রদান করা হয়েছিল। ২০১৮ সালের ২রা অক্টোবর তুরস্কের সৌদি কনস্যুলেট থেকে নিখোঁজ হন খাসোগি। তিনি ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক ছিলেন। তুরস্ক দাবি করে, সৌদি কর্মকর্তারাই খাসোগিকে হত্যা করেছে। প্রথমে সৌদি আরব এ দাবি অস্বীকার করলেও পরে দেশটি স্বীকার করে নেয় যে কনস্যুলেটের মধ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে তার মরদেহ আর পাওয়া যায়নি। সৌদি আরব এ হত্যার বিচার করবে বলে আশ্বস্থ করেছিল। সৌদি আরবকে এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে আরো চাপ সৃষ্টির চেষ্টা চালায় তুরস্ক। দেশটি নিজ দেশেও এর তদন্ত চালিয়ে যায়। সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এ হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা এমন দাবি উত্থাপিত হয়। পশ্চিমা অনেক গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, মোহাম্মদ বিন সালমান হত্যাকাণ্ড সম্পর্ক জানতেন। তবে এমন দাবি অস্বীকার করে এসেছে সৌদি আরব। তুরস্কের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক বিরাজ করছে সৌদি আরবের। এরমধ্যে জামাল খাসোগি হত্যা আরো উত্তেজনা সৃষ্টি করে। জামাল খাসোগি তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েফ এরদোগানের পরিচিত ছিলেন। তুরস্ক সৌদি আরবকে এ ইস্যুতে কোনঠাসা করতে ঘটনার সর্বোচ্চ তদন্ত চালিয়ে যায়। গত মার্চে দেশটির কর্মকর্তারা ২০ সৌদি নাগরিককে খাসোগি হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করে। এরমধ্যে দুজন রয়েছেন যারা ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ঘনিষ্ট সহযোগী ছিলেন।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

জামাল খাসোগি হত্যার দায়ে ৮ জনের কারাদণ্ড

আপলোড টাইম : ০৯:১২:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

বিশ্ব প্রতিবেদন
সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যায় ৮ জনকে অভিযুক্ত করেছে সৌদি আরব। সোমবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে আল-জাজিরা। খবরে জানানো হয়েছে, সৌদি আদালত অভিযুক্তদের মধ্যে ৫ জনকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। অপর তিন জনকে ৭ থেকে ১০ বছরের মধ্যে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এর আগে গত মে মাসে খাসোগির সন্তানরা জানান, তারা তার বাবার হত্যাকারীদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। এর অর্থ হচ্ছে, এখন সৌদি আইন অনুযায়ী তাদের আর মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে না। এর আগে ৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার রায় প্রদান করা হয়েছিল। ২০১৮ সালের ২রা অক্টোবর তুরস্কের সৌদি কনস্যুলেট থেকে নিখোঁজ হন খাসোগি। তিনি ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক ছিলেন। তুরস্ক দাবি করে, সৌদি কর্মকর্তারাই খাসোগিকে হত্যা করেছে। প্রথমে সৌদি আরব এ দাবি অস্বীকার করলেও পরে দেশটি স্বীকার করে নেয় যে কনস্যুলেটের মধ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে তার মরদেহ আর পাওয়া যায়নি। সৌদি আরব এ হত্যার বিচার করবে বলে আশ্বস্থ করেছিল। সৌদি আরবকে এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে আরো চাপ সৃষ্টির চেষ্টা চালায় তুরস্ক। দেশটি নিজ দেশেও এর তদন্ত চালিয়ে যায়। সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এ হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা এমন দাবি উত্থাপিত হয়। পশ্চিমা অনেক গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, মোহাম্মদ বিন সালমান হত্যাকাণ্ড সম্পর্ক জানতেন। তবে এমন দাবি অস্বীকার করে এসেছে সৌদি আরব। তুরস্কের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক বিরাজ করছে সৌদি আরবের। এরমধ্যে জামাল খাসোগি হত্যা আরো উত্তেজনা সৃষ্টি করে। জামাল খাসোগি তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েফ এরদোগানের পরিচিত ছিলেন। তুরস্ক সৌদি আরবকে এ ইস্যুতে কোনঠাসা করতে ঘটনার সর্বোচ্চ তদন্ত চালিয়ে যায়। গত মার্চে দেশটির কর্মকর্তারা ২০ সৌদি নাগরিককে খাসোগি হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করে। এরমধ্যে দুজন রয়েছেন যারা ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ঘনিষ্ট সহযোগী ছিলেন।