ইপেপার । আজ রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

অজ্ঞান পার্টি সদস্যরা হাতিয়ে নিল লাখ টাকা!

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ০৯:২৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২০
  • / ১১৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় গরু কিনতে যাওয়ার সময় যাত্রীবাসের মধ্যে অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়ে নগদ এক লাখ টাকা খুইয়েছেন কলম আলী বদু (৩২) নামের এক গরু ব্যবসায়ী। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গার একাডেমি মোড় থেকে বাসযোগে আলমডাঙ্গা গরুর হাটে যাওয়ার পথের মধ্যে তাঁকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে ওই টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় অজ্ঞান পার্টির চক্রটি। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে বিকেল চারটার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। এ সময় জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক কলম আলীকে চিকিৎসা দিয়ে ওয়ার্ডে ভর্তি রাখেন। অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়া কলম আলী বদু চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দশমাইল বুড়া গ্রামের মোল্লাপাড়ার মৃত ওমর আলীর ছেলে।
হাসপাতালে অচেতন কলম আলীর শয্যা পাশে থাকা এক স্বজন জানান, ‘সকাল ১০টার দিকে গরু কেনার জন্য ১ লাখ টাকা নিয়ে কলম আলী বাড়ি থেকে বের হন। পরে দুপুর ১২টার দিকে কলম আলী অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়েছে বলে জানতে পারি। আলমডাঙ্গা সাদা ব্রিজের ওপারে বাস থেকে তাঁকে অচেতন অবস্থায় নামিয়ে রেখে যায়। পরে আমরা একটি মাইক্রো ভাড়া করে তাঁকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। টাকা নিয়ে গেলেও কলমের মোবাইল রেখে যায় চক্রটি। কলমের মোবাইল থেকেই আমাদের খবর দেয় সেখানকার লোকজন।’
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাজিদ হাসান বলেন, সকালের দিকে কোনো খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে তাঁকে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর চেতনা ফিরতে ১২ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কলম আলী অচেতন অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

অজ্ঞান পার্টি সদস্যরা হাতিয়ে নিল লাখ টাকা!

আপলোড টাইম : ০৯:২৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় গরু কিনতে যাওয়ার সময় যাত্রীবাসের মধ্যে অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়ে নগদ এক লাখ টাকা খুইয়েছেন কলম আলী বদু (৩২) নামের এক গরু ব্যবসায়ী। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গার একাডেমি মোড় থেকে বাসযোগে আলমডাঙ্গা গরুর হাটে যাওয়ার পথের মধ্যে তাঁকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে ওই টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় অজ্ঞান পার্টির চক্রটি। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে বিকেল চারটার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। এ সময় জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক কলম আলীকে চিকিৎসা দিয়ে ওয়ার্ডে ভর্তি রাখেন। অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়া কলম আলী বদু চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দশমাইল বুড়া গ্রামের মোল্লাপাড়ার মৃত ওমর আলীর ছেলে।
হাসপাতালে অচেতন কলম আলীর শয্যা পাশে থাকা এক স্বজন জানান, ‘সকাল ১০টার দিকে গরু কেনার জন্য ১ লাখ টাকা নিয়ে কলম আলী বাড়ি থেকে বের হন। পরে দুপুর ১২টার দিকে কলম আলী অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়েছে বলে জানতে পারি। আলমডাঙ্গা সাদা ব্রিজের ওপারে বাস থেকে তাঁকে অচেতন অবস্থায় নামিয়ে রেখে যায়। পরে আমরা একটি মাইক্রো ভাড়া করে তাঁকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। টাকা নিয়ে গেলেও কলমের মোবাইল রেখে যায় চক্রটি। কলমের মোবাইল থেকেই আমাদের খবর দেয় সেখানকার লোকজন।’
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাজিদ হাসান বলেন, সকালের দিকে কোনো খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে তাঁকে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর চেতনা ফিরতে ১২ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কলম আলী অচেতন অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন।