চুয়াডাঙ্গা সোমবার , ১৪ নভেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৩০ লাখ অভিবাসীকে ফেরত পাঠানোর ঘোষণা ট্রাম্পের প্রতিশ্র“তি বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপের কথা জানালেন বিতর্কিত এই রিপাবলিকান দলীয় রাজনীতিক

সমীকরণ প্রতিবেদন
নভেম্বর ১৪, ২০১৬ ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

donald-trump-220160313125753

সমীকরণ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে করা অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছেন সদ্যনির্বাচিত দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপাবলিকান দলীয় এই নেতা ও মার্কিন ধনকুবের বলেছেন, তিনি খুব শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০ থেকে ৩০ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাবেন। একই সঙ্গে মেক্সিকোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। নির্বাচনের পর এই প্রথম একটি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি। এ সময় নির্বাচনের আগের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপের কথা জানালেন বিতর্কিত এই রিপাবলিকান দলীয় রাজনীতিক। এদিকে প্রেসিডেন্ট হয়েছেন ভালো কথা। তাই বলে হোয়াইট হাউসে পুরো সময় থাকা! এটা অনেকটাই অসম্ভব মনে করছেন নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ নিয়ে তিনি ইতোমধ্যে তার উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলাপ করেছেন বলে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়। নিউইয়র্ক টাইমস ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের বরাত দিয়ে এক খবরে বলেছে, নির্বাচনে নিজের জয়ের খবরে ট্রাম্প ‘বিস্মিত’। এখন তিনি সপ্তাহে কয় দিন যে হোয়াইট হাউসে কাটাতে পারবেন তা নিয়ে গভীর চিন্তায় পড়ে গেছেন। কেননা, নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে প্রিয় বিলাসবহুল পেনথহাউস অ্যাপার্টমেন্ট পুরোপুরি ছেড়ে ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে থিতু হতে মন চাইছে না তার। নিউইয়র্কে ফিফথ অ্যাভিনিউতে ট্রাম্প টাওয়ারে সেই অ্যাপার্টমেন্টটি ২৪ ক্যারেট সোনা ও দামি মার্বেল দিয়ে সাজানো। নির্বাচনী প্রচারের সময় অনেক দিন শেষ রাতে তিনি নিজের অ্যাপার্টমেন্টে ফিরেছেন। ঘুমিয়েছেন প্রিয় বিছানায়। তিনি তার উপদেষ্টাদের বলেছেন, তিনি যেটাতে অভ্যস্ত, তা-ই করতে চান। যখনই সময় পাবেন, তখনই নিউইয়র্কে কাটাতে চান। যদিও হবু ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও ওয়াশিংটনে আসতে আগ্রহী। কিন্তু এখন তাদের ১০ বছরের ছেলে ব্যারন শিক্ষাবর্ষের মাঝামাঝি সময়ে আছে। তাই কবে যে তারা নিউইয়র্ক ছেড়ে আসতে পারবেন তা নিশ্চিত নয়। ট্রাম্প নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কীভাবে সময়কে ভাগ করে নেবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বলেন, সম্ভবত সপ্তাহের বেশিরভাগ সময়ই তিনি ওয়াশিংটনে কাটাবেন, যেমনটা কংগ্রেসের বেশিরভাগ সদস্যই করে থাকেন। আর সপ্তাহান্তে হয়তো ট্রাম্প টাওয়ার বা নিউজার্সিতে তার গলফ কোর্সে অথবা পামবিচের ‘মার-আ-লাগো’তে চলে যাবেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের সহযোগীরা বলেছেন, ট্রাম্প নির্বাচনী সমাবেশের মতো এখনো এমন সমাবেশ ধরে রাখতে চান। কেননা, সমাবেশে সমর্থকদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক প্রশংসা পাওয়ার বিষয়টি তিনি পছন্দ করেছেন। তাই তার সহযোগীরা কীভাবে এটা করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করছেন। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে বেশি সময় কাটাবেন- এই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। কেননা, ধীরে ধীরে তার নির্বাচনী উচ্ছ্বাস কেটে যাবে এবং নিজের কাজটাতে হয়তো অভ্যস্ত হয়ে উঠবেন। ট্রাম্প সাধারণত ভোর পাঁচটার দিকে ওঠেন। এরপর তিনি নিউইয়র্ক পোস্ট, দ্য নিউইয়র্ক টাইমসসহ বেশ কয়েকটি পত্রিকা পড়েন এবং টেলিভিশনে খবর দেখেন। তিন দশক ধরে এই ধনকুবের সুউচ্চ অ্যাপার্টমেন্টের ৫৮ তলায় থাকছেন। ২৬ তলায় তার অফিস। ট্রাম্পের আত্মজীবনী লেখক মিচেল ডি’অ্যান্টোনিও। ২০১৪ সালে তাকে ট্রাম্প বলেছিলেন এই অ্যাপার্টমেন্ট তার কাছে বাড়ির চেয়ে ‘সেলফ-ইমেজের’ নিদর্শন। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে যত প্রশ্ন, কিছু জবাব: বিবিসি জানায়, কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণসহ ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার ঘটনার পর মানুষের মনে তৈরি হয়েছে প্রশ্নের পাহাড়। কি হবে এরপর? স্বাস্থ্য বীমা থেকে শুরু করে সমকামী বিয়ে, বৈশ্বিক উষ্ণতা থেকে ওবামাকেয়ার- আমেরিকান জনগণ এবং সারা বিশ্বের মানুষই এখন জানতে চান, নতুন প্রশাসনের অধীনে তাদের ভবিষ্যৎ কি। অনলাইনে এবং বিবিসির দর্শকদের তরফ থেকে আসা কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছি আমরা: ট্রাম্প কবে ক্ষমতা পাবেন? ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুরে আমেরিকার ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিষেক হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তবে এর আগেই তিনি তার প্রশাসনের জনবল চূড়ান্ত করে ফেলবেন, নীতি তৈরি করবেন, তিনি সরকারি ব্রিফিংগুলোতে প্রবেশাধিকার পাবেন। এমনকি জাতীয় নিরাপত্তা ও সামরিক অভিযান সম্পর্কিত অতি গোপনীয় তথ্য প্রাপ্তিতেও তার অধিকার থাকবে। তিনি কি হোয়াইট হাউসে থাকবেন? এটাই রীতি। তবে গত বছর দ্য হিল ওয়েবসাইটকে ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকার দেয়ার পর তিনি হয়তো সুদীর্ঘ এই রীতিটির ব্যত্যয় ঘটাবেন বলে গুজব রটেছিল। ট্রাম্পের বর্তমান আবাস নিউইয়র্কের ম্যানহাটন দ্বীপের ট্রাম্প টাওয়ারে। মঙ্গলবারের নির্বাচনের পর কেন্দ্রীয় বিমান প্রশাসন ওই টাওয়ারের উপর দিয়ে সব ধরনের বিমান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ২০ জানুয়ারি অভিষিক্ত হওয়ার পর ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে চলে যাবেন, এই আশায় ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করা হয়েছে। নির্বাচনে কত মানুষ ভোট দিয়েছেন? ভোটগ্রহণের দুই সপ্তাহ পর্যন্ত নির্বাচন কর্মকর্তারা এসব তথ্য-উপাত্ত চূড়ান্ত করেন নাই। কিন্তু সম্ভাব্য কিছু তথ্য পাওয়া যাচ্ছে যেখানে দেখা যাচ্ছে ১২ কোটি ৮৮ লাখ আমেরিকান এই নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন। মোট ভোটারের সংখ্যা দেশটিতে ২৩ কোটি ১৫ লাখ। জনপ্রিয় ভোটে কে জিতেছেন? জনপ্রিয় ভোট বা প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যার হিসেবে কিন্তু হিলারি ক্লিনটন ডোনাল্ড ট্রাম্পের কিছুটা উপরে আছেন। সর্বশেষ গণনায় মিসেস ক্লিনটনের প্রাপ্ত মোট ভোট ৬০,২৭৪,৯৭৪টি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রাপ্ত ভোট ৫৯,৯৩৭,৩৩৮টি। প্রার্থীদের বয়স কত? গুগল ট্রেন্ডসে সবচেয়ে বেশি করা প্রশ্ন ছিল এটি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বয়স ৭০। হিলারি ক্লিনটনের বয়স ৬৯। ট্রাম্পের ব্যবসার কি হবে? সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের আইনজীবী বলেছেন, তার ব্যক্তি মালিকানাধীন ট্রাম্প অর্গানাইজেশন, যেটি হোটেল, গলফ কোর্স এবং দেশে-বিদেশে বাণিজ্যিক ও আবাসিক সম্পত্তির মালিক সেটি একটি বস্নাইন্ড ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এই বস্নাইন্ড ট্রাস্টের ট্রাস্টি হবেন তার ছেলেমেয়েরা। যদি বস্নাইন্ড ট্রাস্টের মাধ্যমে কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব থেকে দূরে থাকতে পারার কথা কিন্তু তার সন্তানরা প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন দেখভাল করবেন বলে হয়তো সেই স্বার্থের দ্বন্দ্ব থেকে প্রেসিডেন্ট কতটা মুক্ত থাকতে পারবেন সেটি নিয়ে অনেকেই সন্দেহ পোষণ করছেন। তিনি কি পরমাণু বোমার সুইচ টিপে দিতে সক্ষম হবেন? একজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের কয়েক মিনিটের নোটিশে একটি পারমাণবিক হামলা শুরু করে দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে। ‘ফুটবল’ বলে পরিচিত পারমাণবিক লঞ্চ কোডের ব্রিফকেসটি সবসময়ই প্রেসিডেন্টের আশপাশেই রাখা হয়। প্রেসিডেন্টের নিজের পরিচয় এবং কোড ব্যবহার করে এই লঞ্চ কোড থেকেই পরমাণু হামলা চালাতে পারেন। এজন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রীরও ‘অথেনটিকেশন’ বা অনুমোদন প্রয়োজন হয়। কিন্তু প্রেসিডেন্টের ইচ্ছেতে ভেটো দেয়ার ক্ষমতা তার নেই। পরিকল্পনাটা এমনই। ফলে একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট চাইলেই কারো বাধা বা পরামর্শ ছাড়াই যে কোনো মুহূর্তে একটি পরমাণু বোমা যে কারও ওপর ছুড়ে দিতে পারেন। এজন্য মোটে দশ মিনিট সময় প্রয়োজন তার। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচকদের সবসময়েই তার ‘অস্থির চিত্ত’ এবং আকস্মিক উত্তেজনার সমালোচনা করে আসছেন। সমালোচকদের মতে এ ধরনের চরিত্রের একজন মানুষের হাতে পরমাণু বোমার কোড থাকাটা উদ্বেগ সৃষ্টিকারী। এ নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যে মিশ্র চিত্র ফুটে ওঠে। গত এপ্রিল মাসে এনবিসি টিভিকে তিনি পরমাণু বোমার মতো ভয়ংকর অস্ত্র ব্যবহার থেকে দূরে থাকার ব্যাপারে বক্তব্য দেন। কয়েক মাস পর তিনি আবার বলেন, ‘আইসিস যদি আমাদের আক্রমণ করে তাহলে কি আমাদের উচিত হবে না একটা পরমাণু বোমা নিয়ে পাল্টা হামলা চালানো’? সমলিঙ্গ বিবাহের কী হবে? :  কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প সমলিঙ্গ বিবাহের বিরোধিতা করে আসছেন। যদিও তিনি বলেছেন একটি সমলিঙ্গ বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। ২০১৫ সালে সারা আমেরিকাজুড়ে সমলিঙ্গ বিবাহকে বৈধ করার যে নির্দেশনা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট তাতে নাখোশ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, এটা রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবেচনা করার চাইতে রাজ্য পর্যায়ে বিবেচনা করা সমীচীন হবে। তিনি অবশ্য এই ইস্যুটিকে অগ্রাধিকার বিবেচনা করছেন না। তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত মাইক পেন্স সমলিঙ্গ বিবাহের ঘোর বিরোধী। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মামলাগুলোর কী হবে? ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন মামলাবাজ কোটিপতি। হাজার হাজার ল’সুট বা অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত তিনি। এগুলোর কোনোটি তিনি দায়ের করেছেন, কোনোটি তার বিরুদ্ধে করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এখন অন্তত ৭৫টি ল’সুট কার্যকর রয়েছে। যেহেতু এসব ল’সুট অনেক আগে হয়েছে ফলে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এগুলো থেকে কোনো অব্যাহতি তিনি পাবেন না এবং প্রেসিডেন্ট হওয়া সত্ত্বেও প্রয়োজনে তাকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে। মেক্সিকো সীমান্তে কবে থেকে দেয়াল উঠছে? :  ট্রাম্পের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী প্রথম দিন থেকেই সেটি শুরু হওয়ার কথা এবং তৈরি হওয়ার পর মেক্সিকো সরকারের কাছ থেকে খরচের অর্থ আদায় করার কথা। কিন্তু নির্মাণের ব্যয়ভার, এটির ব্যাপকতা এবং অনেক রিপাবলিকানের অনীহা বিবেচনায় সীমান্তজুড়ে দেয়াল নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে। অনেক বিশ্লেষকই মনে করেন আলোচিত এই মেক্সিকো প্রাচীর কখনোই আলোর মুখ দেখবে না। অবৈধ অভিবাসীদের কী হবে? :  যুক্তরাষ্ট্রে ১ কোটি ১০ লাখ অবৈধ অভিবাসী আছে। ট্রাম্প যে দশ পয়েন্টের অভিবাসন পরিকল্পনা করেছেন সেখানে প্রেসিডেন্ট ওবামার সাধারণ ক্ষমা বাতিল, অভিবাসন আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই তাদের অবিলম্বে বহিষ্কার করার উল্লেখ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদেরও সঠিক আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়ার অধিকার রয়েছে। ফলে ওবামা ২০১৪ সালে অবৈধ অভিবাসীদের সাময়িক বৈধতা দেয়ার যে নির্বাহী আদেশগুলো দিয়েছেন সেগুলো বাতিল করে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বহু বিচারক, কৌঁসুলি ও আইনজীবী নিয়োগের প্রয়োজন হবে এবং কার্যত আসছে বহু বছর এই প্রক্রিয়াটি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার ব্যবস্থাকে ভারাক্রান্ত করে রাখবে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।