চুয়াডাঙ্গা মঙ্গলবার , ২ জানুয়ারি ২০১৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

২৪ ঘন্টা শিশু ও গর্ভবতী মাসহ সকল রোগীদের সেবায় পল্লী অ্যাম্বুলেন্স

সমীকরণ প্রতিবেদন
জানুয়ারি ২, ২০১৮ ১২:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে ৭টি পল্লী অ্যাম্বুলেন্স উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝড়-বৃষ্টি, গভীর রাত, ভোর-দুপুর কি বা জরুরী মুহূর্তে ফোন করলেই পৌছে যাবে এ্যাম্বুলেন্স। অসুস্থ রোগী, গর্ভবতী মা এবং শিশুকে দ্রুত নিকটতম স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পৌছুতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো. ওয়াশীমুল বারীর উদ্যোগে ‘পল্লী এ্যাম্বুলেন্স’ সার্ভিসের উদ্বোধন করেছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ। গতকাল সোমবার বেলা ১২টায় সদর উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে আনুষ্ঠানিক ভাবে সদর উপজেলার ৭ ইউনিয়নে একযোগে ৭টি ব্যাটারী চালিত ‘পল্লী এ্যাম্বুলেন্স’র চাবি তুলে দেয়া হয় স্ব স্ব চেয়ারম্যান ও সচিবদের হাতে। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান হযরত আলীসহ আলুকদিয়া, মোমিনপুর, শংকরচন্দ্র, কুতুবপুর, পদ্মবিলা, তিতুদহ ও বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন। ইউনিয়ন পরিষদের রাজস্ব তহবিলের অর্থায়নে ব্যাটারী চালিত অটোগাড়িগুলোকে এ্যাম্বুলেন্স আকৃতিতে রুপান্তরিত করা হয়েছে। এ এ্যাম্বুলেন্সগুলো ইউনিয়ন পরিষদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এগুলো পরিচালনায় নীতিমালাও তৈরী করা হয়েছে। তবে ফ্রিতে নয় রোগী পরিবহণের জন্য ন্যায্য ভাড়া পরিশোধ করতে হবে সেবাগ্রহীতাদেরকে।
‘পল্লী এ্যাম্বুলেন্স’ সার্ভিস উদ্বোধক জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নে বর্তমান সরকার আমুল উন্নয়ন করেছে। সরকারের পাশাপাশি আমরাও মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন প্রশিক্ষিত ধাত্রী এবং পরিবহণ ব্যবস্থা। তাই আমরা প্রথম পর্যায়ে সদর উপজেলার প্রতিটি গ্রামে ‘পল্লী এ্যাম্বুলেন্স’ সেবা চালু করছি। এতে করে ২৪ ঘন্টা যে কোন সময় গ্রামের মানুষ এ্যাম্বুলেন্স সেবা পাবে।’ গ্রাম পর্যায়ে রোগীদের পরিবহণ সেবা গতিশীল করার মূল উদ্যোক্তা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ওয়াশীমুল বারী জানান, প্রায় দেখা যায় গ্রাম থেকে অসুস্থ রোগীদের পরিবহণের জন্য হাসপাতালে যাতায়াত করতে অসুবিধা হয়, চিকিৎসা সেবা পেতে বিলম্ব জনিত কারণে জীবন ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এ ঝুঁকি/অসুবিধার দূরকরণে ২৪ ঘন্টায় এ্যাম্বুলেন্সগুলো গ্রামের অভ্যান্তরে চলাচল করবে। এতে করে জনমানুষের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে তেমন অসুবিধা হবেনা।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।