১ লাখ ৯ হাজার টাকা ছিনতাই : আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা

391

চুয়াডাঙ্গার বড় বাজারে ক্রেতা সেজে ডিম ব্যবসায়ীর গলায় খুর ধরে
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার নিচের বাজারে জনবহুল এলাকা থেকে সন্ধ্যা রাতের পর ক্রেতা সেজে ডিম ব্যবসায়ীর গলায় খুর ধরে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার পর এ ঘটনা ঘটে। এসময় ব্যবসায়ীর ড্রয়ার থেকে ১ লাখ ৯ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় তিন ছিনতাইকারী। ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে সদর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আটক হয়নি কোন ছিনতাইকারী। আতঙ্কে রয়েছে নিচের বাজারের ব্যবসায়ীরা।
জানা যায়, গতকাল সন্ধ্যা রাতের পর চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের নিচের বাজারের ডিম ব্যবসায়ী কামাল ডিম হাউজের মালিক কামালের গলায় খুর ধরে টাকা ছিনতাই করে পালিয়ে যায় তিন ছিনতাইকারী। প্রথমে ডিমের ক্রেতা সেজে দোকানের ভিতরে প্রবেশ করে তিনজন। দাম দর করে ১৫টা ডিম কিনতে চাই তারা। পরে দোকান মালিক ডিমগুলো একটি প্যাকেটে ভরতে গেলে পিছন থেকে একজন খুর বের করে কামালের গলায় ধরে। এসময় অপর দু’জন ড্রায়ার থেকে ১ লাখ ৯ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে দোকান মালিক কামালের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে কাউকে আটক করতে পারেনি। পরে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় কাওকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে, জনবহুল এলাকা থেকে ব্যবসায়ীর গলায় খুর ধরে এ ধরণের টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
ছিনতাইয়ের শিকার নিচের বাজারের ডিম ব্যবসায়ী চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের পলাশপাড়ার কামাল হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, তিনজন ব্যক্তি এসে ১৫টা ডিম কিনতে চাই। আমি ডিমগুলো প্যাকেটে ভরতে গেলে পিছন থেকে একজন খুর বের করে আমার গলায় ধরে। এসময় অপর দু’জন ড্রায়ার থেকে আমার ব্যবসার ১ লাখ ৯ হাজার টাকা নিয়ে মুহুর্তের মধ্যে নিয়ে সটকে পড়ে।
স্থানীয় অপর ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদকে সামনে রেখে বেঁচাকেনা বাড়ার কারণে একটু বেশি সময় দোকান খোলা রাখতে হচ্ছে। তবে সন্ধ্যার পর জনবহুল এলাকাতে ব্যবসায়ীর গলায় খুর ধরে এতগুলো টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় তারাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তবে তারা আশাবাদি পুলিশ অতি দ্রুত এসকল ছিনতাইকারীদের আটক করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হবে। তবে তারা আরো বলেন, এ ধরণের ছিনতাইকারীদের আটক করে আইনের আওতায় না নিলে এ ঘটনা আরো বৃদ্ধি পাবে।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেলোয়ার হসেন খাঁন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। একই সাথে ছিনতাইকারীদের আটক করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান শুরু করে দিয়েছে থানা পুলিশ। খুব শিঘ্রই তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।