হেসেখেলে জিতলো ইংল্যান্ডও

22

খেলাধুলা প্রতিবেদন:
রোড সেফটি ওয়ার্ল্ড সিরিজে ইংল্যান্ড লিজেন্ডসের বিপক্ষেও কপাল খুললো না বাংলাদেশ লিজেন্ডসের। কিংবদন্তিদের ক্রিকেটে তারা দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে গেছে ৭ উইকেটে। ৬ ওভার হাতে রেখে এই টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে গেছে কেভিন পিটারসেনের দল। ভারতের রায়পুরের শহীদ বীর নারায়ণ সিং আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে বাংলাদেশকে ৫ উইকেটে ১১৩ রানে থামায় ইংল্যান্ড। ১৪ ওভারে ৩ উইকেটে করে ১১৭ রান। জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করলেন ইংলিশ লিজেন্ডরা। আগে ব্যাট করতে নেমে ১০ ওভার শেষ হতেই ৫৫ রানে পাঁচ উইকেট পড়ে যায় বাংলাদেশের। টপ অর্ডারে শুধু নাজিমউদ্দিন (১২) ও হান্নান সরকার (১৩) দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন। দলীয় স্কোর একশ পার করাই যখন কঠিন হয়ে পড়লো, তখন খালেদ মাসুদ পাইলট দাঁড়িয়ে যান মুশফিকুর রহমানকে নিয়ে। এই জুটিতে ৫১ রান এনে দিয়ে ১৯তম ওভারের শেষ বলে রিটায়ার্ড হার্ট হন পাইলট। ৩৯ বলে ৩ চারে ইনিংস সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন তিনি। মুশফিকুর ২৬ বলে চারটি বাউন্ডারিতে ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন। শেষ ওভারে তাকে সঙ্গ দিয়ে ২ বলে দুই রান করেন মোহাম্মদ রফিক। ফিল মুস্টার্ডের উইকেটটি নেন আলমগরীর। ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন ক্রিস ট্রেমলেট। একটি করে পান মন্টি পানেসার, রায়ান সাইডবটম ও ক্রিস স্কোফিল্ড। লক্ষ্যে নেমে ফিল মুস্টার্ডের সঙ্গে অধিনায়ক পিটারসেন ঝড় তোলেন। মাত্র ৩.৪ ওভারে দলকে ৪৬ রান এনে দিয়ে বিদায় হন মুস্টার্ড। ১৬ বলে চারটি ৪ ও একটি ছয়ে ২৭ রান করেন এই ওপেনার। আলমগীর কবির নেন তার উইকেটটি। অষ্টম ওভারের পঞ্চম বলে রফিকের কাছে বোল্ড হওয়ার আগে মাত্র ১৭ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে ৪২ রান করেন পিটারসেন। তাকে ফিফটি না করতে দেওয়াই বাংলাদেশের একমাত্র প্রাপ্তি বলা চলে। ড্যারেন ম্যাডির সঙ্গে তার জুটি ছিল ২৫ বলে ৪০ রানের। পরে রফিক ৫ রানে ক্রিস স্কোফিল্ডকে বিদায় করলেও ম্যাডির ৩২ বলে অপরাজিত ৩২ রানে অনায়াসে জয় পায় ইংলিশরা। তার সঙ্গে ৫ রানে অন্য প্রান্তে খেলছিলেন গ্যাভিন হ্যামিল্টন। রফিক ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশ লিজেন্ডসের পক্ষে সেরা বোলিং করেন, ৪ ওভারে তিনি ৩১টি রান দেন।