হাতের চিকিৎসা নিতে গিয়ে মৃত প্রায় শেফালী খাতুন

340

 

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে এ.আর হাসপাতালের দালালের জিম্মায় রোগী

নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে হাতের ব্যাথার চিকিৎসা নিতে এসে দালালদের জিম্মায় পড়ে মৃত প্রায় এক রোগী। দৌলতদিয়ার মাঝেরপাড়ার মৃত গোলাম হোসেনের স্ত্রী মোছা.শেফালী খাতুন (৪৫) নামের ওই রোগী গত শনিবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে হাতের ব্যাথা নিয়ে চুুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য আসে। এ সময় এ.আর হাসপাতালের চিহ্নিত দালাল জনির কথায় হাতের চিকিৎসা করাতে যান হাসপাতাল রোডের এ.আর হাসপাতালের নিয়মিত চিকিৎসক ডা. মো. রফি উদ্দিন রফিকের কাছে। ডা. রফিক তাকে দেখে প্রথমে একটি ইনজেকশন পুশ করেন ও কিছু ঔষধ লিখে দিয়ে এক সপ্তাহ নিয়ম করে খাওয়ার পরামর্শ দেন। ওই ঔষধ খাওয়ার পর থেকেই তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
রোগীর মেয়ে মোছা. আসমা খাতুন জানায়, আমার মা শেফালী খাতুনকে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে সন্ধ্যার পর ওই ঔষধ খাওয়ানো হলে তার শারিরীক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এক সময় ছটফট করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এ অবস্থায় রাত ৯ টার দিকে তাকে নিয়ে চুুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় তাদের কাছে থাকা ডা. রফিকের চিকিৎসাপত্রটি কে বা কারা হাতিয়ে নেয়। ফলে হাসপাতালে ভর্তির কাগজপত্রের সাথে ডা. রফিকের চিকিৎসাপত্রটি পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে মেয়ে আসমা জানায় তাদের কাছ থেকে ডা.রফিকের লোকজন এসে চিকিৎসাপত্র কেড়ে নিয়ে গেছে। মেয়ে আসমা আরও জানায় ডা.আবুল হোসেন রোগী দেখে ও ঔষধ দেখে ডা.রফিকের চিকিৎসার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
এ ব্যাপারে ডা. রফি উদ্দিন রফিক বলেন, ‘ওই রোগী হাতের সমস্যা নিয়ে আমার কাছে এসেছিলো। আমি তাকে একটি ইনজেকশন দিয়েছি; যা আমি সব রোগীকে দিয়ে চিকিৎসা করে আসছি। তা ছাড়া ওই রোগীর সমস্যা হলে আমিই তাকে দেখবো অন্য ডাক্টারের কাছে কেন যাবে?। আর এই রোগীর ম্যান্টাল ডিস-অর্ডার বা হিস্ট্রিরিয়া ছিল; যা জানলে আমি চিকিৎসা করতাম না।’