হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা ইন্দা গ্রেপ্তার

30

মেহেরপুর গাংনীতে চাঞ্চল্যকর ছহির উদ্দীন হত্যা মামলা
মেহেরপুর অফিস:
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহেবনগর গ্রামের গোরস্তান কেয়ারটোকার চাঞ্চল্যকর ছহির উদ্দীন হত্যা মামলায় ইনদাদুল হক (৬২) নামে আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)। তিনি ওই গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে। গতকাল রোববার সকালে পিবিআই কুষ্টিয়ার একটি টিম অভিযান চালিয়ে ইনদাদুল হক ওরফে ইন্দাকে গ্রেপ্তার করে।
জানা গেছে, বৃদ্ধ ছহির উদ্দীন (৮৫) সাহেবনগর গ্রামের মৃত নায়েব আলীর ছেলে। সামাজিক দায়িত্বে তিনি মাদ্রাসা, গোরস্তান ও ঈদগাহের দেখভালের কাজ করতেন। একই সঙ্গে মাদ্রাসার পাশের মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন। গেল বছরের ৩ সেপ্টেম্বর সকালে গোরস্তানের পাশে কাজ করছিলেন বৃদ্ধ ছহির উদ্দীন। এসময় মুখে কালো মুখোশ পরা দুজন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে গাংনী থানা পুলিশের একটি দল মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। গাংনী থানার পুলিশ দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে মামলাটি গত ১৫/১১/২০২০ তারিখে পিবিআইকে হস্তান্তর করে। পিবিআই-এর এসআই শরিফুল ইসলাম মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন। গোপন তদন্তে শুকুর আলীর ছেলে খোকন (৩৭) এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রমাণ পেয়ে গত ১১ এপ্রিল তাঁকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। তাঁর স্বীকারোক্তি মোতাবেক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইনদাদুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও জানান, ছহির উদ্দীন মাদ্রাসা, গোরস্তান ও ঈদগাহের দেখভালের কাজ করতেন। একই সঙ্গে মাদ্রাসার পাশের মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন। তাছাড়া তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন। তিনি জীবিত থাকাবস্থায় কেউ নতুন করে সেখানে নিয়োগ পাবেন না আবার ওই প্রতিষ্ঠানের অর্থ অপচয় করতে পারতেন না। ইনদাদুল হক ওই প্রতিষ্ঠানের আমবাগান লিজ নিতে চেয়েছিলেন। ছহির উদ্দীনের কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। এতেই রাগান্বিত হয়ে তাঁকে খুন করা হয়েছে। এমনই তথ্য জানিয়েছেন গ্রেপ্তারকৃত ইনদাদুল হক।