স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক মমিন জোয়ার্দ্দার, মামুন জোয়ার্দ্দার, মাহমুদুল হক লিটন, অ্যাথলেট সাইদুর রহমান মল্লিকসহ অনেক কৃতি খেলোয়াড় বেড়ে উঠা চুয়াডাঙ্গার টাউন মাঠ এখন মরণ ফাঁদ!

302

নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা শহরের প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী টাউন ক্লাব ফুটবল মাঠ এখন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। বছরের পর বছর অবহেলিত হয়ে পড়ে থাকা এ মাঠটি এখন এলাকাবাসীর চরম দূর্ভোগের আরেক নাম। মাঠে যেমন চারিদিক দিয়ে হরহামেশা সাধারণ মানুষের চলাচল, তেমনি মাঠটি পরিনত হয়েছে অরক্ষিত গোচারণ ভুমিতে। এ মাঠে প্রতিনিয়ত সভা-সমাবেশ সেমিনার হয়ে থাকে সরকারি-বেসরকারি ভাবে। তাতে কোন সমস্যা নয়। সমস্যা হয়ে দাড়ায় তখন যখন মাঠে গর্ত করে সে গুলো বন্ধ না করে দায়সারা ভাবে মাঠ মেরামত করা হয় লোক দেখানোর ছলে। এতদাঞ্চলের যুবকদের একমাত্র খেলার জায়গাটি আজ চরম অবহেলিত। শুধু যুবকদের খেলাধূলার জন্যই জায়গাটি ব্যবহার হয় না, এলাকার মানুষ সকাল-সন্ধ্যা এ টাউন মাঠের সবুজ ঘাসে ঘুরে বেড়িয়ে নির্মল বাতাস গ্রহন করে। এ মাঠের বুকে যেমন হাজারো গর্তে ভরপুর, তেমনি মাঠের পূর্বপাশ দিয়ে নির্মিতব্য একটি পানি নিষ্কাশন (বর্তমানে কাজ বন্ধ রয়েছে) ড্রেন। যেটি বর্তমানে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।গতকাল  চুয়াডাঙ্গা মসজিদ পাড়ার রাশেদের ছেলে আমির হামজা এ মাঠে ফুটবল খেলেতে গিয়ে গর্তে পা ঢুকে তার ডান পাটি ভেঙ্গে গেছে। গত মঙ্গলবার ড্রেনের রোডে বৃদ্ধ হয়ে একটি ছাগল মারা গেছে। কয়েকদিন আগে একটি গরু রোড বৃদ্ধ হয়ে হয়েছে। এ ভাবে একের পর এক দূর্ঘটনা ঘটার পরও কি? এ মাঠের দিকে কারো নজর পড়বে না। নাকি? এর চেয়ে বড় দূর্ঘটনার জন্য অপেক্ষা করতে হবে এলাকাসীকে। ঐতিহ্যবাহী এ মাঠ থেকে জন্ম নিয়েছে ফুটবলার গোলরক্ষক মমিন জোয়ার্দ্দার (স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক) মামুন জোয়ার্দ্দার, মাহমুদুল হক লিটন, অ্যাথলেট সাইদুর রহমান মল্লিক সহ অনেক কৃতি খেলোয়াড়। এ মাঠ কি পাবে না হারিয়ে যাওয়া সেই গৌরব গাথা সোনালী দিনগুলো। নাকি? কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে সেদিন গুলির কথা। চুয়াডাঙ্গা আরামপাড়া বাসী সহ এ মাঠে যারা খেলাধূলা করেন, যারা সকাল-সন্ধ্যায় বুক ভরে নির্মল বাতাস গ্রহন করেন তাদের দাবী মাঠটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুনজর কামনা করেছেন।