চুয়াডাঙ্গা বৃহস্পতিবার , ৩ আগস্ট ২০১৭

স্পিন বোলিংটা ভালোই বোঝেন হাথুরু

সমীকরণ প্রতিবেদন
আগস্ট ৩, ২০১৭ ৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

খেলাধুলা ডেস্ক: কদিন আগে বিসিবির এক ঊর্ধ্বতন কর্তা রসিকতা করে বলছিলেন, ‘আমাদের জাতীয় দলটা যেন ধনীর সন্তান, যার প্রতিটি বিষয়ে একজন করে “গৃহশিক্ষক” লাগে!’ তিনি খুব ভুল বলেননি। প্রতিটি বিভাগের জন্যই এখন একজন করে কোচ আছেন বাংলাদেশ দলে। বাংলাদেশ দলের কোচিং স্টাফের তালিকাতেও দারুণ সব নাম। বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ তো ক্রিকেটের এক জীবন্ত কিংবদন্তিই। ট্রেনার হিসেবে আছেন মারিও ভিল্লাভারায়ন, সহকারী কোচ রিচার্ড হ্যালসেলের সঙ্গে আছেন নতুন ব্যাটিং পরামর্শক মার্ক ও’নিল, ফিজিও হিসেবে আনা হচ্ছে চন্দ্রমোহন নামের একজনকে। তবে স্পিন কোচের জায়গাটা অনেক দিন ধরে শূন্য। সেটি পূরণে স্টুয়ার্ট ম্যাকগিলের নাম বেশ জোরেশোরেই শোনা গেলেও এখনো তা নিশ্চিত নয়। স্পিন কোচের কাজটা খুব ভালোমতোই করছেন প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে আর বোলিং কোচ ওয়ালশ। এটি যে তাঁরা উপভোগ করছেন সেটি বোঝা যায় হাথুরুর কথাতেই, ‘দীর্ঘ দিন ক্রিকেট খেললে এর খুঁটিনাটি তো আপনি জেনে যাবেনই।’ স্পিন বোলিংটা যে ভালো বোঝেন, সেটাও নিজের প্রথম শ্রেণির উইকেট সংখ্যা দিয়েই বোঝাতে চাইলেন, ‘আপনার জানেন কি না জানি না, আমি প্রথম শ্রেণিতে ১২৬ উইকেট পেয়েছি। স্পিন বোলিং করতাম। এটা নিয়ে কিছু তো জানিই (হাসি)। কোর্টনির আছে এক হাজার উইকেট। সেও অনেক কিছুই জানে। এটা বিশেষজ্ঞের কাজ। আমি রঙ্গনার (হেরাথ) সঙ্গে কাজ করেছি। সে তো বিশ্বের অন্যতম সেরা বাঁহাতি স্পিনার। বাঁহাতিদের বিষয়টা তাই বুঝি।’ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে কন্ডিশনিং ক্যাম্পের সবাই থাকবেন না। তবুও কেন এত খেলোয়াড়কে ডাকা, সেটির একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ কোচ, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য ২০১৯ বিশ্বকাপ। অন্তত আমার জন্য। আমার চুক্তির মেয়াদ অনুযায়ী (২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত) আমাকে এটিই ভাবতে হচ্ছে। আমরা সামনে যে পরিমাণ ম্যাচ খেলব, তাতে আমাদের অনেক খেলোয়াড় দরকার। তাদের এখন থেকে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারটি আছে। আমরা জানি ঘরোয়া ক্রিকেটে এই সুযোগটা নেই।’

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।