সাড়ে ১১মন ভুট্টা এখন কার?

259

বুইচেতলায় ভুট্টা চুরির ঘটনা : দুইটি পরিবারের মধ্যে বিরোধ চরমে
সাড়ে ১১মন ভুট্টা এখন কার?
দর্শনা অফিস: বুইচেতলা গ্রামে ক্ষেত থেকে সাড়ে ১১মন ভুট্টা চুরির ঘটনা নিয়ে দুইটি পরিবারের মধ্যে বিরোধ চরমে। বুইচেতলা গ্রামের শামসুল আলমের ছেলে আসাদুল ইসলামের বাড়ি থেকে উদ্ধারকৃত ভুট্টা কোন পরিবারকে ফেরত দেবে তা নিয়ে আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল খালেক বিপাকে পড়েছে। সরেজমিনে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ বুইচেতলা গ্রামের আলী আহম্মদ গায়েন ১০কাঠা জমির ভুট্টা চুরি হয়ে যায়। এরপর অনেক খোজাখুজির পর গোপন সংবাদ পেয়ে ১৭মার্চ শুক্রবার শামসুল আলমের ছেলে আসাদুল ইসলামের ঘরে সাড়ে ১১মন ভুট্টা পাওয়া যায়। আলী আহাম্মদ গায়েনের দাবী চুরি যাওয়া ঐ ভুট্টা তার জমির ভুট্টা। চুরি যাওয়া দাবী করে আলী আহাম্মদ গায়েন কার্পাডাঙ্গা ফাঁড়ির পুলিশ এ এস আই শুভ্রতকে নিয়ে এসে আসাদুলের বাড়ি থেকে ভুট্টা উদ্ধার করে একই গ্রামের আব্দুল খালেকের বাড়িতে সঠিক প্রমান করার জন্য রেখে দেওয়া হয় । এদিকে আসাদুল ইসলামের দাবী ঐ ভুট্টা তার নিজের ৭কাঠা জমির ভুট্টা। এ নিয়ে চলছে টানাপড়েন। এদিকে আব্দুল খালেক উভয় পক্ষকে সঠিক প্রমান দিয়ে ভুট্টা নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন এবং তিনি দাবী করেন আসাদুল ইসলাম ঐ ভুট্টা যে তার জমির এ প্রমান দিতে পাচ্ছে না। অপরদিকে আলী আহম্মদ গায়েনের দাবী ঐ ভুট্টা তার চুরি যাওয়া ভুট্টা। বুইচেলা গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল খালেক চরম বিপাকে পড়েছে। ইতেমধ্যে ভুট্টাগুলো পচন ধরলে আব্দুল খালেক আসাদুলের ছেলে মহিদুল ইসলামকে ডেকে তার সামনে ভুট্টাগুলো ৫ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রী করে দেয় এবং তিনি সময়ের সমীকরণ পত্রিকার সাংবাদিকে জানান, আসাদুল যদি প্রমান করতে পারে ঐ ভুট্টা তার যে কোন একটি জমির ভুট্টা তাহলে তাকে ভুট্টা বিক্রীর টাকা দিয়ে দেওয়া হবে। তিনি আরো জানান, গ্রামের কেউ বলতে পারছে না যে আসাদুলের মাঠে ভুট্টা ছিলো। এদিকে গ্রামবাসী জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। থানায় এবং কোটে দুপক্ষের মধ্যে ডজনখানী মামলা রয়েছে। ফলে একে অপরের জমি দাবী করে এ ধরণের ঘটনা ঘটছে।