চুয়াডাঙ্গা বুধবার , ৭ ডিসেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাধুহাটী ইউনিয়নের বোড়াই ত্রি-মোহনী এলাকায় দুটি পক্ষের সংঘর্ষ ছাগল চুরি : পুলিশি উপস্থিতি পালিয়ে গেল অভিযুক্তরা

সমীকরণ প্রতিবেদন
ডিসেম্বর ৭, ২০১৬ ১২:৩২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ds

বদরগঞ্জ প্রতিনিধি: ছাগল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল সাধুহাটী ইউনিয়নের বোড়াই ত্রি-মোহনী এলাকায় দুটি পক্ষের সংঘর্ষে বদরগঞ্জ বাজারের রড সিমেন্ট ব্যবসায়ী নাজমূলকে প্রতিপক্ষরা মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে স্থানীয় ডাকবাংলা ক্যাম্পের পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত আনিচ গ্যাঙয়ের সদস্যরা। প্রাপ্ত তথ্য ও এলাকাসূত্রে জানা গেছে, গত ৪ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গা সদরের বদরগঞ্জ বাজারের সার ব্যবসায়ী ফারুকের ১টি খাসি ছাগল চুরির সময় হাতে-নাতে আটক হয় ১১বছর বয়সী সাগর। সে ঝিনাইদহ সদরের সাধুহাটী ইউনিয়নের মাটিকুমরা গ্রামের মফেজ গাজীর ছেলে। এ ঘটনায় অত্র এলাকায় চুরি যাওয়া ছাগল, গরুর মালিকেরা আসে জানতে। জিঙ্গাসাবাদ চলে ছাগল চোর সাগর কে সামনে নিয়ে। এ সময় সাগর এলাকার বোড়াই ও এনায়েতপুর গ্রামের দু’জন কে চেনে বলে জানায়। এবং চেনা দু’জন তাকে ছাগল চুরি করতে টাচ্ মোবাইল কিনে দেওয়ার লালসা দেখায় বলে শিকার করে উপস্থিত জনতার সামনে। সে মোতবেক খুঁজে বের করা হয় বোড়াই গ্রামের মৃত ছাদেক মন্ডলের ছেলে কাশেম (৪৫) কে। এক পর্যায় স্থানীয় জনতা কাশেম কে আটক করে নিয়ে যায় বোড়াই ত্রি-মহনী এলাকায়। চলে বিভিন্ন প্রকার জিঙ্গাসাবাদ। এমন খবর পেয়ে স্থানীয় ডাকবাংলা ক্যাম্পের পুলিশ এসে কাশেম কে উদ্ধার করে নিয়ে যায় ক্যাম্পে। এ নিয়ে সে রাতেই ধৃত কাশেম কে আলোচনার ভিত্তিত্বে ছেড়ে দেয় ডাকবাংলা পুলিশ। এ ঘটনায় কাশেম গংরা রাগান্নিত হয়ে গতকাল সকাল হতেই হাতে বিভিন্ন প্রকারের লাঠি, হকষ্টিক নিয়ে বসে থাকে বোড়াই ত্রি-মহনী এলাকায় নাজমূল কে মারার অপেক্ষায়। এদিকে নাজমূল তার পালসার মটরসাইকেল নিয়ে বদরগঞ্জ বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে ত্রি-মিহনী এলাকায় আসার সাথে সাথে কাশেম গংরা চড়াও হয় নাজমুলের উপর। শুরু করে মারধর। বেগতিক খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্র আনে। এ বিষয়ে গতকালই ৬ জনকে আসামী করে ঝিনাইদহ সদর থানায় কাশেম গংদের বিরুদ্ধে নাজমূল একটি মামলা দায়ের করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ৩/৪জন অজ্ঞাত আসামী। এ সব ঘটনায় অ-সমর্থন যোগ্য সূত্র থেকে আরো জানা যায়, এই কাশেম গংরাই এলাকার চুরি কার্যা-কালাপের সঙ্গে পরোক্ষ ভাবে জড়িতো। এ ছাড়াও বিভিন্ন এলাকার চুরি কৃত গরু ছাগল খোঁজা-খুঁজি করতে এই কাশেম গংদের বাড়িতে অনেকে আসে বলে জানা যায়। সম্প্রতি ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা দু’টি আন্ত:জেলা এলাকায় গরু, ছাগল সহ বিভিন্ন মালামাল চুরির খবর হর হামেসাই ঘটছে। যা নিয়ে সাধারণ জনতা অনেকটাই কষ্টের মধ্যে দিনপাত করছে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।