চুয়াডাঙ্গা রবিবার , ১৭ জুলাই ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সরোজগঞ্জে বিএডিসির জমির সেচের ৩টি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি

সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
জুলাই ১৭, ২০২২ ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সরোজগঞ্জ প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জ যুগিরহুদার বরিং মাঠের বিএডিসির জমির সেচের ৩টি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। গত শুক্রবার দিবাগত গভীর রাত্রে চোরেরা ট্রান্সফরমারগুলো চুরি করে নিয়ে গেছে। চুরি হওয়া এসব ট্রান্সফরমারগুলোর একটিও উদ্ধার না হওয়ায় বিপাকে পরেছেন সেচ পাম্প মালিক ও কৃষক ভুক্তভোগীরা।

এবিষয়ে সেচ পাম্পের পরিচালক বাবলু রহমান বলেন, গত শুক্রবার দিবাগত গভীর রাত্রে চোরেরা ট্রান্সফরমারগুলো চুরি করে নিয়ে গেছে। চুয়াডাঙ্গার সদরে শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের যুগিরহুদা মৌজার যুগিরহুদা বরিং মাঠের মধ্যে বিএডিসির সেচ পাম্পের প্রকল্প গত বছরের দিকে শুরু হয়ে এবছরই শেষ হয় প্রকল্পের কাজ। গত দেড় মাস ধরের সেচ পাম্পের কাজ চলতে থাকে। এছাড়াও জলিবিলা, যুগিরহুদা মাঠের কয়েক হাজার একর জমিতে পানি সেচের জন্য ব্যবহার হয় বলে জানায় প্রকল্পের সহকারী পরিচালক বাবলুর রহমান।

 প্রতিদিনের ন্যায় বাবলুর রহমান গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কৃষকদের জমিতে পানি সেচ দেওয়ার জন্য যুগিরহুদা বরিং মাঠে সেচ পাম্পের ঘরের দরজা খুলে পাম্পের মোটরের সুইচ দিলে মোটরের পানি না উঠলে ঘরের বাইরে এসে পল্লী বিদ্যুতের পোলে দেখতে পায় ট্রান্সফরমারগুলো ইেন। পোলের মেইন তার কেটে তিনটি ট্রান্সফরমারসহ বিদ্যুতের বিভিন্ন সারজম চুরি করে নিয়ে গেছে চোরেরা।

চুরির ঘটনা মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সরোজগঞ্জ শাখা অফিসকে জানানো হয়েছে। চুরি হওয়া মালামালের ঘটনাস্থলে গিয়ে অফিসের কর্মকর্তা দেখে তদন্ত করবে বলে জানাগেছে। সেচ পাম্পগুলোর ট্রান্সফরমারগুলো উদ্ধার না হওয়ায় সেচ পাম্প মালিকদের আবার কিনতে হবে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী সেচ পাম্প মালিকরা বলছেন, একটি ট্রান্সফরমারের ভেতর ১২ থেকে ২০ কেজি তামার তার থাকে। প্রতি কেজি তামার তারের দাম ১ হাজার ২০০ থেকে দেড় হাজার টাকা। মূলত এই তামার জন্যই ট্রান্সফরমার চুরি হয়।

সরোজগঞ্জ ক্যাম্প ইনচার্জ শিকদার মতিউর রহমান বলেন, “ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় শুধু সাধারণ ডায়েরি বা অভিযোগ করা হয়েছে। ফলে বিষয়টি কম গুরুত্ব পাচ্ছে এবং এতে জড়িতরাও পার পেয়ে যাচ্ছে। তবে লিখিত ভাবে অভিযোগ করলে তদন্ত করে অভিযান চালিয়ে অপরাধীদের ধরে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানা গেছে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।