সন্দেহজনক আচরণের কারণে এক জুটি আটক

2018

am-pic-2সন্দেহজনক আচরণের কারণে এক জুটি আটক
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গার ঝিনাইদহে বেরসিক জনতার হাতে পাকড়াও হয়ে নাজেহালের শিকার হয়েছে এক জুটি। ঝিনাইদহের তামান্না পার্কে যাওয়ার পথে সন্দেহজনক আচরণের কারণে বোড়াই-সাধুহাটী এলাকায় ধরা পড়ে। পরে জিঙ্গাসাবাদে বেরিয়ে আসে নেপথ্য অনেক কাহিনী। এলাকাসূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদরের পদ্মবিলা ইউনিয়নের সুবদিয়া গ্রামের কৃষক সিদ্দিক আলীর ছেলে চুয়াডাঙ্গার পলেটেকনিক কলেজ পড়–য়া ছাত্র মো: নিশান আলী (১৯) গত ২১ ফেব্রুয়ারী কাল ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গার সুমিরদিয়াপাড়ায় নানা ছরকত আলীর বাড়িতে বসবাসরত তালাকপ্রাপ্তা মোছা: হামিদা খাতুন (২০)-র সঙ্গে ঝিনাইদহ তামান্না পার্কে যাওয়ার পথে আটক হয় ঝিনাইদহের বোড়াই-সাধুহাটী এলাকার বেরসিক জনতার হাতে। জিঙ্গাসাবাদে হামিদা জানায়, নিশানের সঙ্গে গত দু’মাস ধরে পরিচয়। আমাকে বিবাহ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিলেও বিয়ে করছেনা। অন্যদিকে নিশান তার উল্লেখিত পরিচয় দাবী করে বলে, আমাকে পরিকল্পনা করে ফাঁসানো হচ্ছে। তবে হামিদার সাথে তার পরিচয় আছে বলেও নিশান স্বীকার করে। মূলত, হামিদা ও নিশানের মধ্যে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মূল হোতা হিসাবে উঠে এসেছে হামিদার খালাতো দুলাভাই সুবদিয়া গ্রামের তাঁরাচাঁদ মন্ডলের ছেলে হারুন-উর রশিদের নাম। যা নিশানের প্রতিবেশি ও কাছের বন্ধু। হারুন গত ১৮ মাস আগে বিবাহ করে ঝিনাইদহ সদরের সাধুহাটী ইউনিয়নের বোড়াই গ্রামের মহনের মেয়ে মীমকে। বর্তমান হারুনের সঙ্গে স্ত্রী মীমের ভাল সম্পর্ক যাচ্ছেনা বলেও জানায় হারুন। হামিদা গত ১৮ ফেব্রুয়ারী বোড়াই খালাদের বাড়িতে এসে যোগাযোগ করে নিশানের সঙ্গে। সে অনুযায়ী গত ২১ ফেব্রুয়ারী নিশানের সঙ্গে যাওয়ার কথা ছিলো ঝিনাইদহের তামান্না পার্কে। কিন্ত উল্টোপাল্টা আচরনের কারণে ধরাপড়ে বে-রসিক জনতার হাতে।