চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ১১ আগস্ট ২০১৭
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সংবাদ সম্মেলনে কালীগঞ্জের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪ শিক্ষকের চাকরীর গোপন তথ্য ফাঁস!

সমীকরণ প্রতিবেদন
আগস্ট ১১, ২০১৭ ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ঝিনাইদহ অফিস: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ মাহতাব উদ্দীন ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ মন্ডল বৃহস্পতিবার নিজে বাঁচতে গিয়ে অন্যের পাঁয়ে কুড়াল মারলেন! এবার সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি নিজেই ফাঁস করলেন শহীদ নুর আলী কলেজের ৩ জন ও এক সরকারী প্রাইমারির শিক্ষক একই সাথে মাহতাব উদ্দীন ডিগ্রী কলেজে চাকরী করছেন। মজিদ মন্ডলের বক্তব্যে এতো দিন ধরে শোরগোল হওয়া বিষয়টি ফাঁস হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে কালীগঞ্জে আবার নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মজিদ মন্ডল জানালেন, শিক্ষক সুব্রত কুমার নন্দি, তার স্ত্রী মিতা বিশ্বাস, ফাতেমা আক্তার ও অমিত কুমার সেন খন্ডকালীন নয়, বরং স্থায়ী ভাবেই মাহতাব উদ্দীন কলেজে নিয়োগ পেয়েছেন। তবে তারা কলেজ থেকে বেতন পান না। মাজিদ মন্ডলের ভাষ্যমতে চার শিক্ষক নিয়মিত কলেজও করেন। এখন প্রশ্ন উঠেছে তিন কলেজ শিক্ষক সুব্রত কুমার নন্দি, ফাতেমা আক্তার ও অমিত কুমার সেন শহীদ নুর আলী কলেজ থেকে সরকারী বেতন নেন। তাহলে কেন তারা মাহতাব উদ্দীন কলেজে ক্লাস নিবেন। তাহলে কি তারা নুর আলী কলেজ ফাঁকি দেন? সুব্রত নন্দির স্ত্রী মিতা বিশ্বাস সরকারী প্রাইমারিতে চাকরী করেন। তিনিও একই সময়ে কি ভাবে দুই প্রতিষ্ঠানে ক্লাস নিচ্ছেন ? এ সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি ভারপ্রাপ্ত মজিদ মন্ডল। কলেজ থেকে দেওয়া একটি প্রতিবাদ লিপিতেও ওই চার শিক্ষকের নাম ও সাক্ষর আছে। এতেই প্রমানিত হয় চার শিক্ষক জালিয়াতি, অনিয়ম ও সেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরী করে সরকারী আইন ভঙ্গ করে যাচ্ছেন। অবৈধ ভাবে অধ্যক্ষের চেয়ার দখল, জাতীয়র করণ ঘোষনার আগে গোপনে শিক্ষক নিয়োগসহ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ মন্ডলের বিরুদ্ধে একাধিক দৈনিকে তথ্য ভিত্তক খবর প্রকাশিত হয়। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা আর হৈ চৈ পড়ে গেলে নিজের চাকরী বাঁচাতে বৃহস্পতিবার এই সাংবাদিক সম্মেলন ডাকেন মজিদ মন্ডল। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি দাবী করেন মাহতাব উদ্দীন ডিগ্রী কলেজে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তার কাছ থেকে কোন টাকা গ্রহন করা হয়নি। এ ক্ষেত্রে তিনি “আমার জানা মতে” শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনি অধ্যক্ষ ড. মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে একুশ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য ও অডিট রিপোর্ট তুলে ধরেন। তিনি দাবী করেন জাতীয় করণের মুহুর্তে প্রতিবন্ধকতা ও হীন উদ্দেশ্যে এমন মিথ্যা খবর প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের চিহ্নি করে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য সকলের প্রতি আহবান জানানো হয়।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।