চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় নির্যাতিত তানিমকে প্রাণনাশের হুমকি

সমীকরণ প্রতিবেদন
সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৭ ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

আলমডাঙ্গায় চুরির অপবাদে স্কুলছাত্রকে নির্যাতনের ঘটনায়

আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গার হারদী থানাপাড়ার তানিম (১৫) নামের এক স্কুলছাত্রকে সোনার রুলি বালা চুরির অপবাদে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করা হয়। এ ঘটনায় দৈনিক সময়ের সমীকরণসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর নির্যাতিত তানিমকে হত্যার হুমকি দিয়েছে হেকমতের ছেলে রশিদুল। এ ঘটনার পর তানিম পালিয়ে গিয়ে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গার হারদী থানাপাড়ার হেকমত আলীর ছেলে রসিদুল ঈদের ছুটিতে বাড়ি আসে। গত মঙ্গলবার তার বাড়ি থেকে এক জোড়া রুলি বালা চুরির ঘটনা ঘটে। এ চুরির বিষয়ে সে একই পাড়ার স্বপনের ছেলে দশম শ্রেণীর ছাত্র তানিমকে সন্দেহ করে। তাকে ওইদিন বিকেলে বৈদ্যনাথপুর এলাকার একটি পাট ক্ষেতে নিয়ে যাওয়া হয়।
নির্যাতিত স্কুল ছাত্র তানিম জানায়, তাকে জোরপূর্বক চুরির বিষয়টি স্বীকার করানোর জন্য চেষ্টা করে। সে এ চুরির সাথে জড়িত নই বলে জানালেও তকে নানা ভাবে হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে কে চুরি করেছে তা জানানোর জন্য তানিম কুমারী এক কবিরাজের বাড়িতে যায়। সেখানে কবিরাজের সাথে কথা বলে বাড়ি থেকে বের হলেও আবারো তাকে ধরে রশিদুলের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ছাদে তুলে চুরির স্বীকারেক্তি আদায়ের জন্য মারধর করা হয়। সে চুরির করেনি বলে জানালে তাতে তারা সšুÍষ্ট হতে পারেনি। রাত ২টার দিকে দ্বিতীয় দফায় কলেজের মধ্যে নিয়ে মারপিট করে জোরপূর্বক তার মুখ থেকে চুরির স্বীকারোক্তি আদায় করে। এ সময় তারা তার কথা মোবাইলে রেকর্ডিং করে। রসিদুল লোকজন দিয়ে গত বুধবার সকালে রুলিবালার দাম ৭০ হাজার টাকা ধার্য্য করে স্ট্যাম্পে তানিমের পিতামাতার স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। উল্লেখ্য, তানিমকে চোর বলে এক ব্যক্তি দোষারোপ করে ধরে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে মারধর করে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু নির্যাতনই নই সাদা স্ট্যাম্পে তার পিতামাতার স্বাক্ষর করে নিয়েছে বলেও তাদের অভিযোগ। এ ঘটনায় গত বুধবার ওই কিশোরের পিতা থানায় অভিযোগ করেছেন।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।