চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ৬ মে ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শ্রীলঙ্কাকে ২০ কোটি টাকার ওষুধ উপহার বাংলাদেশের

সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
মে ৬, ২০২২ ৭:২৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

অর্থনৈতিক সংকটে পর্যুদস্ত শ্রীলঙ্কাকে ২০ কোটি টাকার ওষুধসামগ্রী দিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এক অনুষ্ঠানে সরকার ও বেসরকারি ওষুধ কোম্পানির পক্ষ থেকে দেওয়া এই উপহার হস্তান্তর করা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ অতিথিরা ঢাকায় শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার সুদর্শন সেনেভিরত্নের হাতে ওষুধসামগ্রী তুলে দেন।

জানা যায়, ১৯৪৮ সালে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সময়টা পার করছে শ্রীলঙ্কার মানুষ। দেশটির চিকিৎসা ব্যবস্থায় ৮৫ শতাংশ রসদই আমদানি করতে হয়। কিন্তু বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তলানিতে ঠেকায় প্রয়োজনীয় ওষুধ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। রাজধানী কলম্বোর হাসপাতালগুলোতে কোনো কোনো ওষুধ শেষ হয়ে আসছে; চেতনানাশক, ইমপ্ল্যান্ট, এমনটি সেলাইয়ের উপকরণেও টান পড়েছে। এ অবস্থা চললে রোগীদের মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব না বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সম্ভব সব উপায়ে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়াতে চাই। এখন ২০ কোটি টাকার ওষুধ আমরা উপহার দিচ্ছি। তাদের দিক থেকে তথ্য পেলে আমরা সহায়তা দেব। মোমেন বলেন, এই ওষুধের মধ্যে শিল্পোদ্যক্তারা দিয়েছেন ১০ কোটি টাকার ওষুধ, আর বাকিটা বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দিচ্ছে। প্রতিবেশী দেশের সংকটের মধ্যে এই সহযোগিতাকে ‘বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যরে প্রকাশ’ হিসাবে বর্ণনা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত ৫০ বছর ধরে দুই দেশ খুব নিবিড় সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। একই রকম ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ ও উন্নয়নের আকাক্সক্ষা লালন করছে দুই দেশ এবং বিভিন্ন রকম চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে।

মোমেন বলেন, কভিড-১৯ বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিপর্যস্ত করেছে এবং ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিকে দুমড়ে মুচড়ে দিয়েছে। প্রত্যেক দেশ নিজস্ব প্রেক্ষাপটে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ এর ব্যতিক্রম নয়। এই পরিস্থিতিতে পারস্পরিক সহযোগিতা যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রয়োজন। শ্রীলঙ্কায় ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানোর বিষয়টিকে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের অগ্রগতির স্মারক হিসেবে তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, বিশ্ব ওষুধ বাজারে আমাদের ওষুধ শিল্প ইতোমধ্যে সুনাম অর্জন করেছে। শ্রীলঙ্কাতেও রপ্তানি হয় আমাদের ওষুধ। অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল আহসান পাপন, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস ও দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ টি এম রকিবুল হক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অর্থনৈতিক সংকটে পর্যুদস্ত শ্রীলঙ্কাকে ২০ কোটি টাকার ওষুধসামগ্রী দিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এক অনুষ্ঠানে সরকার ও বেসরকারি ওষুধ কোম্পানির পক্ষ থেকে দেওয়া এই উপহার হস্তান্তর করা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ অতিথিরা ঢাকায় শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার সুদর্শন সেনেভিরত্নের হাতে ওষুধসামগ্রী তুলে দেন।

জানা যায়, ১৯৪৮ সালে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সময়টা পার করছে শ্রীলঙ্কার মানুষ। দেশটির চিকিৎসা ব্যবস্থায় ৮৫ শতাংশ রসদই আমদানি করতে হয়। কিন্তু বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তলানিতে ঠেকায় প্রয়োজনীয় ওষুধ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। রাজধানী কলম্বোর হাসপাতালগুলোতে কোনো কোনো ওষুধ শেষ হয়ে আসছে; চেতনানাশক, ইমপ্ল্যান্ট, এমনটি সেলাইয়ের উপকরণেও টান পড়েছে। এ অবস্থা চললে রোগীদের মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব না বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সম্ভব সব উপায়ে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়াতে চাই। এখন ২০ কোটি টাকার ওষুধ আমরা উপহার দিচ্ছি। তাদের দিক থেকে তথ্য পেলে আমরা সহায়তা দেব। মোমেন বলেন, এই ওষুধের মধ্যে শিল্পোদ্যক্তারা দিয়েছেন ১০ কোটি টাকার ওষুধ, আর বাকিটা বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দিচ্ছে। প্রতিবেশী দেশের সংকটের মধ্যে এই সহযোগিতাকে ‘বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যরে প্রকাশ’ হিসাবে বর্ণনা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত ৫০ বছর ধরে দুই দেশ খুব নিবিড় সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। একই রকম ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ ও উন্নয়নের আকাক্সক্ষা লালন করছে দুই দেশ এবং বিভিন্ন রকম চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে।

মোমেন বলেন, কভিড-১৯ বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিপর্যস্ত করেছে এবং ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিকে দুমড়ে মুচড়ে দিয়েছে। প্রত্যেক দেশ নিজস্ব প্রেক্ষাপটে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ এর ব্যতিক্রম নয়। এই পরিস্থিতিতে পারস্পরিক সহযোগিতা যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রয়োজন। শ্রীলঙ্কায় ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানোর বিষয়টিকে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের অগ্রগতির স্মারক হিসেবে তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, বিশ্ব ওষুধ বাজারে আমাদের ওষুধ শিল্প ইতোমধ্যে সুনাম অর্জন করেছে। শ্রীলঙ্কাতেও রপ্তানি হয় আমাদের ওষুধ। অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল আহসান পাপন, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস ও দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ টি এম রকিবুল হক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।