চুয়াডাঙ্গা বৃহস্পতিবার , ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে বলিষ্ঠ ভূমিকা চান প্রধানমন্ত্রী

সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২ ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Girl in a jacket

সমীকরণ প্রতিবেদন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জোরপূর্বক বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের তাদের জন্মভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে এবং এই সঙ্কট সমাধানে আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী ও জাতিসঙ্ঘকে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। নিউ ইয়র্কে শরণার্থীবিষয়ক ইউএন হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডি তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন ইউএনজিএর ৭৭তম অধিবেশনের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রমের ব্যাপারে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। গ্রান্ডির সাথে ওই বৈঠকে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারে ইউএনএইচসিআরের কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এর জবাবে ফিলিপো বলেন, তিনি দ্রুত মিয়ানমার সফর করবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের মাধ্যমেই সঙ্কটের সমাধান সম্ভব। ইউএনএইচসিআর হাইকমিশনারও এ বিষয়ে তার সাথে একমত প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বৈঠক চলাকালে তারা বাংলাদেশের কক্সবাজার ও ভাসানচরে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ইউএনএইচসিআরের বর্তমান কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পরে একই স্থানে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রসিকিউটর করিম এ এ খান কিউসি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করেন। তারা বাংলাদেশ ও আইসিসির মধ্যে সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী আইসিসির প্রসিকিউটরকে আশ্বাস দেন যে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা ভিকটিমদের জন্য ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আইসিসির চলমান সব প্রচেষ্টার ব্যাপারে বাংলাদেশ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। এ বৈঠকে খান আগামী বছরের শুরুর দিকে বাংলাদেশ সফরের ব্যাপারে তার আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া জাতিসঙ্ঘ হ্যাবিটাটের নির্বাহী পরিচালক মায়মুনা মোহম্মদ শরীফ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। নিউ ইয়র্ক প্যালেস হোটেলের কক্ষে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তারা টেকসই নগরায়ণ এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার গুরুত্ব বিবেচনা করে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন।
এ ছাড়া মিয়ানমার সীমান্তে সাম্প্রতিক গোলাগুলি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গোলার আঘাত হানাকে ‘অনিচ্ছাকৃত ভুল’ বলে অভিহিত করেন। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করছে না। তিনি বলেন, ‘ সেই নির্দিষ্ট সীমান্ত এলাকাটি খুব আঁকাবাঁকা। কখনো কখনো সীমান্ত বোঝা কঠিন। সে কারণে তারা আমাদের সীমান্তের ভেতরে ইচ্ছাকৃতভাবে গোলা বর্ষণ করছে না, আমাদের সীমান্তের অভ্যন্তরে যে একটি ও দু’টি শেল পড়েছে তা ভুলবশত পড়েছে।’ মোমেন আরো বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে এবং মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা সতর্ক থাকবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার র্যাবের সাবেক ও বর্তমান ছয় কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দেয়নি। তিনি বলেন, সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণ জানতে চেয়েছে। ‘তারা এখন পর্যন্ত কোনো সঠিক ও সুনির্দিষ্ট তথ্য দেয়নি। তাই আমরা বিষয়টি সম্পর্কে জানি না।’

Girl in a jacket

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।