রবিউল এসপিবিএন থেকে পালিয়ে গেছে

638

সরেজমিন শেষ পর্ব
মুক্তিযোদ্ধার জাল সনদে চাকরী গ্রহণকারী আশানন্দপুর গ্রামের
রবিউল এসপিবিএন থেকে পালিয়ে গেছে
ROBIUL PIC-2এম এ মামুন: চুয়াডাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধার জাল সনদ দাখিল করে মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য কোটায় চাকরী নেওয়ার অপরাধ মামলার আসামী চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আশানন্দপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন তুফানের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল রবিউল পুলিশী অভিযানের কথা শুনে গাঢাকা দিয়েছে। মামলার তদন্তকারী অফিসার ও চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি (অপারেশন) আমির আব্বাস জানান, মুক্তিযোদ্ধার জাল সনদ দাখিল করে মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য কোটায় চাকরী নেওয়ার অপরাধ মামলার আসামী রবিউল ঢাকার মহাম্মদপুর স্পেশাল সিকিউরিটি এন্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নে (এসপিবিএন) কর্মরত ছিল। তার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার কথা শুনে গ্রেফতারএড়াতে সে উল্লেখিত ব্যাটালিয়ন ধেকে পালিয়ে গেছে। তিনি আরো জানান, বিশেষ সূত্রের মাধ্যমে গত মঙ্গলবার দুই সদস্যের একটি পুলিশ দল রবিউলকে সআটকের জন্য ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। কিন্তু রবিউল পুলিশের অভিযানের কথা টের পেয়ে ঢাকার মহাম্মদপুর স্পেশাল সিকিউরিটি এন্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নে (এসপিবিএন) কর্মরত অবস্থায় পালিয়ে গেছে। গত বুধবার এসপিবিএন এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে রবিউল ব্যাটালিয়ন থেকে পালিয়ে যাওয়ার কথা জানায়। এদিকে রবিউলের গ্রামের বাড়ী আশানন্দপুরে খোঁজ নিরেয় জানা গেছে তার বাবা আদৌ মুক্তিযোদ্ধা ছিল না বা তার দাদাও না । রবিউল নিজে থেকে এই জাল মুক্তিযোদ্ধার সনদ জোগার করে পুলিশের চাকরী নিয়েছিল। সচেতন মহল এমন জারিয়াতির জন্য তার উপযুক্ত শাস্তির দাবী করেছে। উল্লেখ্য রবিউল ২০১৪ সালে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইনে পরীক্ষা ও ভুয়া সনদে চাকরী নেয়। একই সাথে সদর থানার জলিবিলার  জাহাঙ্গীর ও দামুড়হুদার বড় বলদিয়া গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে নাছিমা । পুলিশ সম্প্রতি নাছিমা ও জাহাঙ্গী কে আটক করে জেলা কারাগারে পাঠানোর পর রবিউলকে খুঁজছে।