যেভাবে স্মাটফোনের নিয়ন্ত্রণ নেয় ‘পেগাসাস স্পাইওয়্যার,’ ঝুঁকি এড়াবেন কীভাবে?

26

প্রযুক্তি ডেস্ক:
ইসরায়েলি সংস্থা এনএসও গ্রুপের তৈরি পেগাসাস স্পাইওয়্যার দিয়ে কয়েক হাজার সরকারি কর্মী, সাংবাদিক, বড় রাজনীতিবিদের ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে। এ তালিকায় আছে কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানও। এখন পর্যন্ত ৫০ হাজারের বেশি ফোন নম্বরের একটি তালিকা ফাঁস হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০১৬ সাল থেকে এনএসও’র গ্রাহকেরা এসব নম্বরে আড়ি পেতেছে।
জেনে নিন স্পাইওয়্যার ‘পেগাসাস’ কীভাবে স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়-
খুদে বার্তা ও কলের মাধ্যমে আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে স্পাইওয়্যার। এর মাধ্যমে স্মার্টফোনে স্পাইওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনস্টল হয়ে যায়। এমনকি মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী স্পাইওয়্যারের সেই কলটি রিসিভ না করলেও সফটওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনস্টল হয়ে যেতে পারে। এরপর আক্রমণকারী ফোনের পুরো সিস্টেম নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। এটা এতটাই ভয়ঙ্কর যে, একবার স্পাইওয়্যারটি ইনস্টল হয়ে গেলে সহজেই যে কারও হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজিং ও কথা বলা, ভয়েস কল, পাসওয়ার্ড, কন্টাক্ট তালিকা, বিভিন্ন ইভেন্টের ক্যালেন্ডার, ফোনের মাইক্রোফোন এমনকি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ ও তাদের হাতে চলে যায়। ভিক্টিমের মোবাইলের ব্যবহৃত ক্যামেরা দিয়েও যে কোনো সময় ছবি ও ভিডিও ধারণের ক্ষমতা রাখে স্পাইওয়্যারটি। এছাড়া যেকোনও মুহূর্তে মোবাইল লোকেশন চালু করে স্পাইওয়্যার দেখতে পারবে ভিক্টিম এখন কোথায় আছেন। এদিকে, আমরা অনেকেই আছি যারা আমাদের মোবাইলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো এনক্রিপ্ট করে রাখি। কিন্তু আতঙ্কের বিষয় হলো এই স্পাইওয়্যারটি এনক্রিপ্ট করা ফাইল পড়তে পারে।
মোবাইল ফোনকে সুরক্ষিত রাখার কিছু পরামর্শ
ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ফোনে অপরিচিত সাইটের লিংক আসলে তাতে প্রবেশ করবেন না। ফোন যেন অন্য কেউ ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য সব ধরনের লক চালু করে দিন। ফোনের নির্ধারিত ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোনও ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপস আপডেট করবেন না।