মোবাইল কোর্টে ৪৫ জনকে জরিমানা, পাঁচজনের জেল

79

লকডাউনেও বাড়েনি সচেতনতা, আড়ালে-আবডালে মানুষের অবাধ বিচরণ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত লকডাউনে এখন নিজ সচেতনতা বাড়েনি জনসাধারনের মধ্যে। আড়ালে-আবডালে লকডাউন না মানার প্রবণতা দেখা গেছে তাদের মধ্যে। অনেক বিক্রেতা দোকান খোলার চেষ্টা করেছেন; অনেক ক্রেতাও আবার দোকানের আশপাশে ঘোরাঘুরি করেছেন। গতকাল শনিবার এমন চিত্র দেখা গেছে চুয়াডাঙ্গা শহরজুড়ে। যদিও শহরে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চাপে বাধ্য হয়ে অনেকে নির্দেশনা মেনে চলেছেন।
তবে গ্রাম পর্যায়ে নিয়ম না মানার প্রবণতা দেখা গেছে। তবে এসব লকডাউন মানাতে জেলাজুড়েই কঠোর অবস্থানে ছিল প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। জনসাধারনের চলাচল রোধে শক্ত অবস্থানে মাঠে ছিল তারা। সড়কে লোকজন না থাকলেও বাজার ঘাট ও অলি-গলিতে বের হওয়া মানুষজনের চলাচলে বাধা দিচ্ছে তারা। নেওয়া হচ্ছে আইনের আওতায়। লকডাউনে বাইরে বের হওয়া মানুষদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এর মধ্যে অনেকের জরিমানা দিয়ে ফিরতে হয়েছে। জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সরব উপস্থিতি ছিল জেলাজুড়ে। এদিন লকডাউন না মানার অপরাধে ৯টি মোবাইল কোর্টে ৩৭টি মামলায় ৪৫ জনকে ৪১ হাজার ৫ শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও ৫ জনকে ৭ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার সকাল থেকে চুয়াডাঙ্গা শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, লকডাউন চলাকালে রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি ছিল কম। এজন্য যানবাহনের সংখ্যাও ছিল তুলনামূলক কম। সকালের দিকে অনেকেই বাইরে বের হতে দেখা গেছে। বাজার অথবা অফিসের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছেন তারা। এসময় তাদেরকে গতিরোধে করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তবে দুপুরের পর থেকে শহরে লোকজনের সংখ্যা কমতে থাকে শহরে এমন চিত্র দেখা গেলেও গ্রাম পর্যায়ের চিত্র ছিল ভিন্ন। অনেকেই লকডাউন না মেনে বাইরে বের হয়েছেন। গোপনে অনেক চায়ের দোকান খোলা দেখা গেছে। সেখানে ক্রেতাদের উপস্থিতিও দেখা গেছে। এ অবস্থায় লকডাউন না মানা মানুষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও দেখা গেছে।