চুয়াডাঙ্গা শনিবার , ২২ অক্টোবর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মেহেরপুরে রিদনী কোল্ড স্টোরেজে রক্ষিত কৃষকের অর্ধকোটি টাকার আলুবীজ নষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করে প্রতিষ্ঠান অভ্যন্তরে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ

সমীকরণ প্রতিবেদন
অক্টোবর ২২, ২০১৬ ১:২৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

meherpur pic-3মেহেরপুর অফিস: কোল্ড ষ্টোরেজের আলু সংরক্ষণে অসাবধানতার কারণে মেহেরপুরে কৃষকের অর্ধকোটি টাকার আলুবীজ এবার নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে জেলায় এবার আলু চাষ ও উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়া আশঙ্কা কৃষি বিভাগের। কৃষকরা এই ক্ষতির জন্য মেহেরপুরের গোপালপুরে অবস্থিত রিদনী কোল্ড ষ্টোরেজ প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করে প্রতিষ্ঠান অভ্যন্তরে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ করেছে । আলু চাষের জন্য মেহেরপুরের মাটি উর্বর হওয়ায় এই জেলায় আলুর ব্যাপক চাষ হয়। দেশে আলুর চাহিদা থাকায় কৃষকরা আলু বিক্রি করে লাভবান হয়। আবার অনেক কৃষক অধিক মুনাফা লাভের আশায় আলু কোল্ড ষ্টোরেজে সংরক্ষণ করে। কোল্ড ষ্টোরেজে রক্ষিত সেই আলু অনেকে বীজ তৈরী করে। অনেকে সংকটকালে অধিক দামে বাজারে বিক্রি করে। কিন্তু বেসরকারীভাবে পরিচালিত রিদনী কোল্ড ষ্টোরেজ প্রতিষ্ঠানের অসর্তকতা ও অবহেলার কারণে কৃষকের অর্ধকোটি টাকার আলুবীজ পচে অঙ্কুরউৎগম হয়ে একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক যেমন আর্থিকভাবে লোকসানে পড়েছে। তেমনি এই ক্ষতির কারণে এবার মেহেরপুরে লক্ষ্যমাত্রা ও চাহিদা অনুপাতে আলু উৎপাদন না হবার আশঙ্কা করছে কৃষি বিভাগের। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা জানিয়েছে ওই কোল্ডষ্টোরেজে ৫৪ হাজার বস্তা (৫হাজার টন) আলু ছিল। যার অধিকাংশ বস্তার আলুই পচে ও বীজ হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।ক্ষতিগ্রস্ত আলু চাষীরা জানান, কয়েক দিন ধরে জমি তৈরি করে আজ কোল্ড স্টোরে আলু নিতে এসে দেখেন আলু থেকে গাছ বের হয়ে গেছে। এই আলু জমিতে রোপন করলে কোন ফলন হবেনা। এবার তারা আলু না রোপন করতে পারলে কয়েক বছর পিছিয়ে যাবেন বলে জানান। তারা আরো বলেন এই ক্ষতিপূরন রিদনী কোল্ড স্টোর কে দিতে হবে না হলে তারা ইএনর আশ্রয় নেবে। কোল্ড ষ্টোরে প্রতি বস্তা আলু রাখতে কৃষকদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৩২০ টাকা করে। কিন্তু সঠিক ভাবে তারা আলুর পরিচরযা না করা ও ম্যাশিন বন্ধ রাখার কারনে এই আলু গুলোর গাছ বের হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত আলু চাষীরা জানান, কয়েক দিন ধরে জমি তৈরি করে আজ কোল্ড স্টোরে আলু নিতে এসে দেখেন আলু থেকে গাছ বের হয়ে গেছে। এই আলু জমিতে রোপন করলে কোন ফলন হবেনা। এবার তারা আলু না রোপন করতে পারলে কয়েক বছর পিছিয়ে যাবেন বলে জানান। তারা আরো বলেন এই ক্ষতিপূরন রিদনী কোল্ড স্টোর কে দিতে হবে না হলে তারা ইএনর আশ্রয় নেবে। কোল্ড ষ্টোরে প্রতি বস্তা আলু রাখতে কৃষকদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৩২০ টাকা করে। কিন্তু সঠিক ভাবে তারা আলুর পরিচর্যা না করা ও ম্যাশিন বন্ধ রাখার কারনে এই আলু গুলোর গাছ বের হয়েছে। মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষিবিদ, স্বপন কুমার খাঁ বলেন, কৃষি বিভাগ আলু চাষীদের গুনোগত মানের আলুর বীজ জমিতে রোপন করার জন্য সব সময় পরামর্শ দিয়ে আসছেন কৃষকদের মাঝে। আলুর গায়ে গাছ বের হয়ে যাওয়া এই ধরনের আলূ জমিতে রোপন করলে কৃষকরা তাদের সঠিক ফলন থেকে বঞ্চিত হবে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।