মুন্সিপুর সীমান্তে চোরাচালান আদৌ বন্ধ হবে কি! ফারুক ঝন্টু ও মধুর চোরাকারবার রূপ নিয়েছে ভয়াবহ! বিজিবি নজর দেবেন কি?

287

নিজস্ব প্রতিনিধি: দামুড়হুদা উপজেলার মুন্সিপুর সীমান্তের চোরাচালান আদৌ বন্ধ হবে কি! এমনটিই প্রশ্ন সচেতন মহলের। মুন্সিপুর সীমান্তে ফারুক, ঝন্টু ও মধুর চোরাকারবার আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা মুন্সিপুর সীমান্তে লাইন বন্ধ রয়েছে বলে দাবি বিজিবির। অথচ এ সীমান্তে চোরাকারবার ও দালালচক্র ফারুক, ঝন্টু ও মধুর অবৈধ কার্যক্রম থেমে নেই। গভীর রাতের আধাঁরে কিংবা খুব ভোরে চোরাকারবারীরা দালালচক্রের অন্যতম চাঁই ফারুক, ঝন্টু ও মধুর সহযোগিতায় ফেন্সিডিল, ইয়াবা, মদ ও রুপাসহ বিভিন্ন চালান এ সীমান্ত পথে ভারতে এবং ভারত থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার হচ্ছে। অবশ্য এ কাজেও ফারুক, ঝন্টু ও দালাল মধু দীর্ঘদিন থেকে জড়িত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন ফারুক, ঝন্টু ও দালাল মধু মুন্সিপুর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশু মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার করে থাকে। এছাড়াও স্থানীয়-জাতীয় পত্রিকায় জেলার সীমান্ত সংক্রান্ত প্রকাশিত সংবাদসহ সংশ্লিষ্ট পত্রিকা মুন্সিপুর সীমান্ত পথে ভারতে পাঠিয়ে থাকে এবং চোরাকারবারী ফারুক ভারতীয় বিএসএফ’র সোর্সদের নিয়ে তার নিজ বাড়িতে বসে গোপন বৈঠকসহ দেশের সীমান্ত সংক্রান্ত খবরাখবর ভারতে পাচার করে থাকে বলে জানা গেছে। ফারুক, ঝন্টু ও দালাল মধু বাহিনীর চোরাকারবারীরা এতোই বেপরোয়া যে তাদের নামে কথা বলার মতো কারো সাহস হয় না। এতে করে দেশের আইনশৃংখলা চোরাচালান ও মাদকনিয়ন্ত্রন কার্যক্রম যেমন ব্যহত হচ্ছে, সেই সাথে সরকার হারাচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব। এদিকে মধু একজন কথিত সাংবাদিক হয়ে বিভিন্ন জায়গায় দালালি করায় হতবাক সচেতন মহল। উল্লেখ যে প্রায় বছর দুই আগে কথিত সাংবাদিক মধু যখন চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত স্থানীয় একটি পত্রিকার কার্পাসডাঙ্গা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় সাদা প্রাইভেট কার ভর্তি মারণনেশা ফেন্সিডিলসহ ঢাকায় যাবার সময় পথিমধ্যে গাড়িটির গতিরোধ করে কথিত সাংবাদিক মধুকে আটক করে আইনশৃংখলা বাহিনী। যে মামলায় মধু সম্প্রতি কারাভোগ করে। এবিষয়ে চুয়াডাঙ্গা ৬-বিজিবি’র পরিচালকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সীমান্ত এলাকার সচেতন মহলসহ সু নাগরিকগণ।

নিজস্ব প্রতিনিধি: দামুড়হুদা উপজেলার মুন্সিপুর সীমান্তের চোরাচালান আদৌ বন্ধ হবে কি! এমনটিই প্রশ্ন সচেতন মহলের। মুন্সিপুর সীমান্তে ফারুক, ঝন্টু ও মধুর চোরাকারবার আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা মুন্সিপুর সীমান্তে লাইন বন্ধ রয়েছে বলে দাবি বিজিবির। অথচ এ সীমান্তে চোরাকারবার ও দালালচক্র ফারুক, ঝন্টু ও মধুর অবৈধ কার্যক্রম থেমে নেই। গভীর রাতের আধাঁরে কিংবা খুব ভোরে চোরাকারবারীরা দালালচক্রের অন্যতম চাঁই ফারুক, ঝন্টু ও মধুর সহযোগিতায় ফেন্সিডিল, ইয়াবা, মদ ও রুপাসহ বিভিন্ন চালান এ সীমান্ত পথে ভারতে এবং ভারত থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার হচ্ছে। অবশ্য এ কাজেও ফারুক, ঝন্টু ও দালাল মধু দীর্ঘদিন থেকে জড়িত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন ফারুক, ঝন্টু ও দালাল মধু মুন্সিপুর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশু মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার করে থাকে। এছাড়াও স্থানীয়-জাতীয় পত্রিকায় জেলার সীমান্ত সংক্রান্ত প্রকাশিত সংবাদসহ সংশ্লিষ্ট পত্রিকা মুন্সিপুর সীমান্ত পথে ভারতে পাঠিয়ে থাকে এবং চোরাকারবারী ফারুক ভারতীয় বিএসএফ’র সোর্সদের নিয়ে তার নিজ বাড়িতে বসে গোপন বৈঠকসহ দেশের সীমান্ত সংক্রান্ত খবরাখবর ভারতে পাচার করে থাকে বলে জানা গেছে। ফারুক, ঝন্টু ও দালাল মধু বাহিনীর চোরাকারবারীরা এতোই বেপরোয়া যে তাদের নামে কথা বলার মতো কারো সাহস হয় না। এতে করে দেশের আইনশৃংখলা চোরাচালান ও মাদকনিয়ন্ত্রন কার্যক্রম যেমন ব্যহত হচ্ছে, সেই সাথে সরকার হারাচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব। এদিকে মধু একজন কথিত সাংবাদিক হয়ে বিভিন্ন জায়গায় দালালি করায় হতবাক সচেতন মহল। উল্লেখ যে প্রায় বছর দুই আগে কথিত সাংবাদিক মধু যখন চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত স্থানীয় একটি পত্রিকার কার্পাসডাঙ্গা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় সাদা প্রাইভেট কার ভর্তি মারণনেশা ফেন্সিডিলসহ ঢাকায় যাবার সময় পথিমধ্যে গাড়িটির গতিরোধ করে কথিত সাংবাদিক মধুকে আটক করে আইনশৃংখলা বাহিনী। যে মামলায় মধু সম্প্রতি কারাভোগ করে। এবিষয়ে চুয়াডাঙ্গা ৬-বিজিবি’র পরিচালকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সীমান্ত এলাকার সচেতন মহলসহ সু নাগরিকগণ।