চুয়াডাঙ্গা রবিবার , ২৯ মে ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মালয়েশিয়ায় ধরপাকড় অভিযান : বাংলাদেশীসহ আটক ৫১

সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
মে ২৯, ২০২২ ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সমীকরণ প্রতিবেদন: মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে থাকা অভিবাসীদের ধরতে অভিযান চালিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। এ সময় বাংলাদেশীসহ ৫১ জনকে আটক করা হয়। তবে আটকদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশী রয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় সময় গত শুক্রবার রাতে মালয়েশিয়ার ক্লাং পাছার বেসার মেরু এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি হামজাহ জয়নুদিন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব (কেডিএন) দাতুক সেরি ওয়ান আহমেদ দাহলান বিন হাজী আব্দুল আজিজ ও অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক সেরি খায়রুল দাজাইমি বিন দাউদ উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানে ৭০৪ জন অভিবাসীর কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এরমধ্যে ৬৩৭ জন ইউএন কার্ডধারী। বাকি ৫১ জন অভিবাসীর কোন বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাদের আটক করা হয়। আটক ৫১ জনের মধ্যে মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া এবং ভারতের নাগরিক রয়েছেন। তবে আটকদের মধ্যে কোন্ দেশের কতজন তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া ইউএন কার্ডধারী ৬৩৭ জনকে আটক করা হবে কি না, তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এদিকে, ইউএন শরণার্থী কার্ডের বিধান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অভিযানে বেশ কয়েকজন ইন্দোনেশিয়ান নাগরিকের কাছেও শরণার্থী কার্ড পাওয়ার পর জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনের (ইউএনএইচসিআর) কার্যক্রমও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি হামজাহ জয়নুদ্দিন সাংবাদিকদের বলেছেন, অভিবাসন বিভাগের অভিযানের সময় ইউএনএইচসিআরের দেয়া শরণার্থী কার্ড বেশ কয়েকজন ইন্দোনেশিয়ান নাগরিকের কাছেও পাওয়া গেছে। অন্যদিকে গত মাসে কেদাহের একটি অভিবাসন আটক কেন্দ্র থেকে ৬০ জন রোহিঙ্গা পালিয়ে যায়। তারা এখনও পলাতক। এসব রোহিঙ্গা শরণার্থীদের গ্রেফতারে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামজাহ জয়নুদ্দিন বলেন, গত ২০ এপ্রিল রোহিঙ্গা শরণার্থী অস্থায়ী আটক ডিপো থেকে ৫২৮ জন রোহিঙ্গা পালিয়ে যায়। ডিপোর কাছাকাছি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত হয়। অন্যরা পলাতক। ইমিগ্রেশন বিভাগকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, পাইকারি বাজারসহ যেসব এলাকায় রোহিঙ্গাদের আনাগোনা বেশি, সেসব এলাকায় যেন অভিযান অব্যাহত রাখা হয়।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।