চুয়াডাঙ্গা বৃহস্পতিবার , ১৪ জুলাই ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মালদ্বীপে পালালেন লঙ্কার প্রেসিডেন্ট

ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট বিক্রমাসিংহ : প্রধানমন্ত্রীর দফতরেও বিক্ষোভকারী
সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
জুলাই ১৪, ২০২২ ২:০২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Girl in a jacket

সমীকরণ প্রতিবেদন: শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে পালিয়ে মালদ্বীপে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মিছিল করে প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের দফতরের দখল নিয়েছে হাজারো বিক্ষোভকারী। বিক্ষোভকারীরা টিয়ার গ্যাস উপেক্ষা করে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা দেয়াল ভেঙে প্রধানমন্ত্রী দফতরের গেট খুলে ফেলার চেষ্টা করতে থাকে। বিবিসি জানিয়েছে, চরম উত্তেজনাকর এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহ তার দফতরে নেই। বিক্ষোভকারীরা শনিবার তার ব্যক্তিগত বাসভবনে আগুন দিলে তখন থেকেই তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। তার পরিবারের সদস্যরাও সেই বাসায় নেই।

শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের স্পিকার জানিয়েছেন, দেশটির প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব দিয়ে গেছেন গোতাবায়া রাজাপাকসে। দেশ ছেড়ে সস্ত্রীক মালদ্বীপে পালিয়েছেন গোতাবায়া। গতকাল বুধবার সকালে এক সামরিক বিমানে মালদ্বীপে পৌঁছেন তিনি। ভেলানা বিমানবন্দরে মালদ্বীপের সরকারি কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। শ্রীলঙ্কাজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভের পর মঙ্গলবার গভীর রাতে দেশ ছাড়েন গোতাবায়া। শ্রীলঙ্কার এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, আন্তোনভ-৩২ বিমানে এক দেহরক্ষীকে নিয়ে সস্ত্রীক প্রেসিডেন্ট দেশ ছেড়েছেন। তবে মালদ্বীপে তাকে আশ্রয় দেয়ার প্রতিবাদে ও তাকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় তিনি সেখান থেকে সিঙ্গাপুরে যেতে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে।

Girl in a jacket

এ দিকে পার্লামেন্টের স্পিকার জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে তাকে শ্রীলঙ্কার সংবিধানের ৩৭.১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রনিল বিক্রমাসিংহকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে রাজাপাকসের তরফ থেকে সরাসরি কোনো কথা বলা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী বিক্রমাসিংহকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তৃতীয় তলায় ব্যালকনিতে উঠে বিক্ষোভকারীরা শ্রীলঙ্কার পতাকা উড়িয়ে উল্লাস প্রকাশ করতে থাকে এবং সেলফি তুলতে থাকে। ড্রাম বাজিয়ে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর নাম ধরে তালে তালে তারা সেøাগান দেয় রনিল পাগলা, গোতা পাগলা। দ্বিতীয় তলার ব্যালকনিতে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লেখা একটি চিহ্নের ঠিক উপরে শ্রীলঙ্কার পতাকা উড়িয়েছে বিক্ষোভকারীরা। এদিন সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের পদত্যাগের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বাইরে জড়ো হয় বিক্ষোভকারীরা। তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে নিরাপত্তা বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। এতে ওই এলাকা ধোঁয়ায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। মানুষ দৌড়ে টিয়ার গ্যাস থেকে রক্ষা পেতে চাইছে। আক্রান্তরা পানি ব্যবহার করে স্বস্তি খোঁজার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়েন। তবে সেনা সদস্যদের দেয়াল তাদের ঠেলে সরিয়ে দিয়েছে। পরে সেনাদের সঙ্গে তাদের ধাক্কাধাকি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর দফতরে প্রবেশ করে।

গোতাবায়ার মতো তার মিত্র রনিল বিক্রমাসিংহও জনগণের কাছে জনপ্রিয় নন। তার অবস্থান না জানা গেলেও প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে কারফিউ জারির পাশাপাশি কিছু আদেশ জারি করেছেন রনিল বিক্রমাসিংহ। গোতাবায়ার পদত্যাগের সিদ্ধান্তের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী রনিলকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মাহিন্দা ইয়াপা আবেবর্ধনে। কিন্তু তারও পদত্যাগের দাবিতে এবার প্রধানমন্ত্রীর দফতর দখলে নিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। প্রবল গণবিক্ষোভের মধ্যে ক্ষমতা ছাড়তে রাজি হয়ে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে বার্তা দিয়েছিলেন, বুধবারই তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। কিন্তু তার আগেই মঙ্গলবার গভীর রাতে তিনি সামরিক উড়োজাহাজে করে স্ত্রীকে নিয়ে মালদ্বীপে পালিয়ে যান। শ্রীলঙ্কার নিউজওয়্যার জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের দেশ ত্যাগের পর প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার তার কার্যালয়ের দিকে মিছিল নিয়ে এগোয় একদল বিক্ষোভকারী। পরে পুলিশ টিয়ার শেল ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এর পরপরই জরুরি অবস্থা আর কারফিউয়ের ঘোষণা আসে। বিক্ষোভকারীরা ‘রনিল গো হোম’ সেøাগান দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতর দখল নেয়ার চেষ্টা করে।

এস শশীধরন নামে ৩০ বছর বয়সী এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘আমরা চাই রনিল পদত্যাগ করুন। যারা গোতাকে পালাতে সাহায্য করেছে তাদের সবাইকে গ্রেফতার করুন। আমরা আমাদের চুরি হওয়া টাকা ফেরত চাই।’ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় যখন বিক্ষোভকারীরা মিছিল করছে সে সময় কয়েক কিলোমিটার দূরেই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়ার সরকারি বাসভবনে কয়েক শ’ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করতে থাকে। শনিবার ব্যাপক বিক্ষোভের মাধ্যমে গোতাবায়ার বাসভবন বিক্ষোভকারীরা দখল করে নেয়। যদিও বিক্ষোভকারীরা তার বাসভবনে প্রবেশের আগেই তাকে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল। ওই দিনই রনিল বিক্রমাসিংহ প্রধানমন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন। যদিও সে সময় পদত্যাগের সময় উল্লেখ করেননি তিনি। একই দিনে শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্ট স্পিকারকে পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন গোতাবায়া। কিন্তু বুধবার তার পদত্যাগের কথা থাকলেও তিনি পালিয়েছেন মালদ্বীপে। গোতাবায়ার পদত্যাগ নিয়ে স্পিকার মাহিন্দা ইয়াপা আবেবর্ধনে সর্বশেষ বলেছেন, ‘গোতাবায়া তার পদত্যাগের আনুষ্ঠানিকপত্র আজই (বুধবার) পাঠিয়ে দেবেন। শনিবারের দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজই তিনি পদত্যাগ করবেন।’

মালদ্বীপ থেকে গোতাবায়াকে বহিষ্কারের দাবি

বুধবার সকালেই মালদ্বীপে পালিয়ে যান শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। তবে তাকে মালদ্বীপ থেকে বের করে দিতে দেশটিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। এতে যোগ দিয়েছেন দেশটির সাধারণ মানুষ এবং প্রবাসী শ্রীলঙ্কানরা। এ খবর দিয়েছে শীলঙ্কার সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর। খবরে জানানো হয়, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের বাসভবনের কাছে জড়ো হয় বিক্ষোভকারীরা। তাদের দাবি, অবিলম্বে গোতাবায়া রাজাপাকসেকে দেশ থেকে বের করে দিতে হবে। মালদ্বীপের টেলিভিশন চ্যানেলে সেই আন্দোলন সরাসরি প্রচারও হচ্ছে। এর আগে ৭৩ বছর বয়সী গোতাবায়া সামরিক বাহিনীর একটি বিমানে করে স্ত্রী এবং দুই নিরাপত্তারক্ষীকে নিয়ে মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে পালিয়ে যান। মালদ্বীপ থেকে তিনি কোথায় যেতে চান তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে সরকারি বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, তিনি এশিয়ারই আরেকটি দেশে যাওয়ার কথা ভাবছেন। শ্রীলঙ্কার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পরপরই রনিল বিক্রমাসিংহ দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা এবং ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সে কারফিউ জারি করেছেন। এছাড়া দাঙ্গাবাজ লোকজন ও তাদের বহনকারী যানবাহন জব্দ করার নির্দেশও দেয়া হয়েছে। জনমত উপেক্ষা করেই রনিল বিক্রমাসিংহ ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। শ্রীলঙ্কায় ২০ জুলাই পার্লামেন্টের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হবে। এর আগে কলম্বোর ফ্লাওয়ার রোডে রনিল বিক্রমাসিংহের অফিসের সামনে বিক্ষোভকারীরা সমবেত হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। বিক্ষোভকারীরা বিক্রমাসিংহের পদত্যাগ দাবি করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিবিসি জানিয়েছে, বুধবার এক টেলিভিশন বক্তৃতায় বিক্ষোভকারীদের ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যায়িত করে তিনি এ নির্দেশ দেন।

কলম্বোতে বিবিসির এক সংবাদদাতা জানিয়েছেন, বিক্রমাসিংহের সর্বশেষ বিবৃতির ফলে রাজধানী কলম্বোতে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা জোরদার করা হতে পারে। স্বাধীনতার পর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সঙ্কটে নিমজ্জিত শ্রীলঙ্কা। ব্যাপক মূল্যস্ফীতির মুখে পড়ে দেশটি বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধেও ব্যর্থ হয়েছে। এক সময়ের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশটিতে চলছে খাদ্যসঙ্কট। জ্বালানি তেল কিনতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে মৃত্যুও হয়েছে কয়েকজনের। ওষুধসহ নিত্যপণ্যের সঙ্কটে জনজীবন বিপর্যস্ত। দেশের এ পরিস্থিতির জন্য প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে এবং তার পরিবারকে দায়ী করে আসছে শ্রীলঙ্কার বিক্ষোভকারীরা। গত দুই দশকের অধিকাংশ সময় এই দ্বীপ রাষ্ট্রটির ক্ষমতায় রয়েছে রাজাপাকসে পরিবার, যাদের উৎখাতে এবার উঠেপড়ে লেগেছে হাজারো বিক্ষোভকারী।

গোতাবায়াকে দেশ ছাড়তে সহায়তা করার কথা অস্বীকার ভারতের

শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে এবং তার ভাই সাবেক অর্থমন্ত্রী বাসিল রাজাপাকসেকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে সহায়তা করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ভারত। কলম্বো গ্যাজেট জানায়, কলম্বোতে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন গোতাবায়া ও বাসিল রাজাপাকসেকে শ্রীলঙ্কার বাইরে চলে যেতে সহায়তা করেছে ভারতÑ মিডিয়ায় প্রকাশিত ওই অভিযোগকে সুস্পষ্টভাবে ‘ভিত্তিহীন ও গুজব’ হিসেবে অভিহিত করেছে। হাইকমিশন জানায়, শ্রীলঙ্কার জনগণ গণতান্ত্রিক পন্থায় ও সাংবিধানিক কাঠামোর মাধ্যমে সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নের প্রয়াসে ভারত অব্যাহতভাবে শ্রীলঙ্কার জনগণকে সহায়তা করে যাবে।

কে হচ্ছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট?

শ্রীলঙ্কায় নতুন প্রেসিডেন্ট কে হচ্ছেন, তা নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন চলছে। ২০ জুলাই পার্লামেন্ট সদস্যদের গোপন ভোটে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন। তিনিই বাকি মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন। ডেইলি মিরর জানায়, সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হচ্ছেন সম্ভবত তিনজন। তারা হলেন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহ, শ্রীলঙ্কা পদুজনা পেরামুনা (এসএলপিপি) এমপি ডালেস আলাহাপেরুমা ও বিরোধীদলীয় নেতা সাজিদ প্রেমাদাসা। এছাড়া স্পিকার মহিন্দা যাপা আবেবর্ধনের নামও শোনা যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কার ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট পদ মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ইতঃপূর্বে মাত্র একবার শূন্য হয়েছিল। ১৯৯৩ সালের ১ মে প্রেসিডেন্ট প্রেমাদাসা আততায়ীর হাতে নিহত হয়েছিলেন। পার্লামেন্ট ২০ জুলাই গোপন ভোটের আয়োজন করবে। রনিল বিক্রমাসিংহ বাকি মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকতে চান। তবে এসএলপিপির একটি অংশ তাকে রুখে দিতে বদ্ধপরিকর। এসএলপিপির আরেকটি অংশ ডালেস আলাহাপেরুমার প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছে। এর আগে এসজেবি তাদের প্রার্থী হিসেবে সাজিদ প্রেমাদাসার নাম ঘোষণা করে। যে প্রার্থী ৫০ ভাগের বেশি ভোট পাবেন, তিনিই প্রেসিডেন্ট হবেন। কোনো প্রার্থী ৫০ ভাগ ভোট না পেলে এমপিদের অগ্রাধিকারমূলক ভোট গণনা করা হবে।

Girl in a jacket

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।