মামলার অংশবিশেষ পুনঃ তদন্ত হবে কি না, সিদ্ধান্ত আজ খালেদার মামলায় আদালত পরিবর্তন, নিষ্পত্তি করতে সময় ৬০ দিন

233

th1নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় আদালত বদল হচ্ছে। ঢাকা-৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালত থেকে মামলাটি এখন ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ আদালতে (মহানগর দায়রা জজ) যাচ্ছে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বুধবার মামলাটি ওই আদালতে বদলির আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদেশ পাওয়ার ৬০দিনের মধ্যে মামলার বিচারকাজ শেষ করতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ আদালতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে একই মামলায় অর্থের উৎসবিষয়ক অভিযোগের একটি অংশের পুনঃ তদন্ত চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আবেদেনর ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার এই আবেদনের ওপর আদেশের জন্য দিন ধার্য রেখেছেন হাইকোর্টের একই বেঞ্চ। আদালত বদল চেয়ে খালেদার করা আবেদনের শুনানি শেষে ৫ মার্চ হাইকোর্ট আদেশের জন্য ৮ মার্চ দিন ধার্য রাখেন। গতকাল আবেদনটি নিষ্পত্তি করে ওই আদেশ দেওয়া হয়। আদালতে খালেদার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। পরে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, এ আদেশে আমরা খুশি। কেননা, আমরা বিচার চাই। বিচারিক আদালতকে একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ আদেশ মানা বাধ্যকর। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, আপিল করার প্রয়োজন নেই। কোন পর্যায় থেকে মামলার কার্যক্রম চলবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যে পর্যায় আছে, সেখান থেকেই কার্যক্রম চলবে। মামলাটি কোন পর্যায়ে রয়েছে এমন প্রশ্নে খালেদা জিয়ার আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বিচারিক আদালতে মামলাটি সাক্ষী পুনরায় তলবের জন্য আজ বৃহস্পতিবার দিন ধার্য রয়েছে। মামলাটি হাইকোর্ট বদলি করে আদেশ দিয়েছেন। বিষয়টি বিচারিক আদালতকে অবহিত করা হবে। হাইকোর্টের আদেশ পাওয়া সাপেক্ষে বিচারিক আদালত পরবর্তী পদক্ষপ নেবেন। পুরান ঢাকার বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী এজলাসে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টসংক্রান্ত মামলার বিচারকাজ চলছিল। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া, তাঁর ছেলে তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক। এ মামলায় ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।