চুয়াডাঙ্গা বৃহস্পতিবার , ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মানুষের সঙ্গে যা ঘটবে শুক্র গ্রহে

সমীকরণ প্রতিবেদন
ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭ ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

প্রযুক্তি ডেস্ক: সৌরজগতে শুক্র হল এমনই একটি গ্রহ, যা কখনোই মানুষের পক্ষে ভ্রমণযোগ্য নয়। এমনকি অতি শক্তিশালী রোবটিক অনুসন্ধানও শুক্রের মাটিতে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। সর্বশেষ রাশিয়ান মহাকাশ সংস্থা পরিচালিত রোবটিক যান ‘ভেনেরা-১৩’ শুক্রের পৃষ্ঠে ভস্মীভূত হওয়ার আগে মাত্র দুই ঘণ্টা টিকে ছিল! নাসা গ্লেন রিসার্চ সেন্টারে কর্মরত ম্যাটেরিয়াল সায়েন্টিস্ট এবং কেমিস্ট গুস্তাভো কস্তা বিজনেস ইনসাইডারকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘শুক্র গ্রহের পৃষ্ঠ খুবই ক্ষয়িষ্ণু। এটা যেন পৃথিবীর পাতালপুরীর মতো। এর পৃষ্ঠ খুবই রূঢ় প্রকৃতির।’ কস্তার দায়িত্বে গ্লেন এক্সট্রিম এনভায়রনমেন্টস রিগ (জিইইআর) নামক প্রজেক্টে একটা ১৪ টন ওজনের স্টিল চেম্বারের গলনের ফলে পৃথিবীতে এমন রূক্ষ্ম, দাহ্য এবং অসহ্য পরিবেশের সৃষ্টি করা হয়। নাসার এই প্রজেক্টটি একটি বিধ্বংসী রূপ ধারণ করে। ২০০৪ সালে নাসা প্রথমবারের মতো পৃথিবীতে গ্লেন এক্সট্রিম এনভায়রনমেন্টস রিগ (জিইইআর) প্রজেক্টটি পরিচালনা করে। যেখানে কস্তা এবং অন্যান্য গবেষকরা বিভিন্ন ধাতু, সিরামিক, তার, জাল, ধাতুর লেপন, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক দ্রব্যাদি কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত করা ওই দুঃসহ পরিবেশে ছেড়ে দিয়ে পরীক্ষা করছিলেন এগুলোর মধ্যে কোনগুলো টিকে থাকতে পারে আর কোনগুলোই বা পুরোপুরি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
রহস্যময় গ্রহ শুক্রের বিষয়ে এতো সব তথ্য একদিনে মানুষের কাছে আসেনি। অনেকদিন ধরে অনেক গবেষণা আর দু’ ডজনের মত মিশন চালানোর পরে মানুষ জানতে পেরেছে শুক্র গ্রহ সম্পর্কে। যার মধ্যে ছিল ৮টি অরবিটার অর্থাৎ কক্ষপথে ঘুর্ণনকারী যান এবং ১০টি অবতরণকারী যান। বিভিন্ন সময়ে পরিচালিত মিশনগুলো থেকে জানা যায়, শুক্রের বায়ুমন্ডল কোনোভাবেই আমাদের বায়ুমন্ডলের মতো নয়। গ্রহটির বায়ুমন্ডলের শতকরা ৯৭ ভাগই কার্বন ডাই অক্সাইড। যা অত্যন্ত ঘন এবং এর অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা ৮৬৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৪৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস)।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।