চুয়াডাঙ্গা বৃহস্পতিবার , ১১ আগস্ট ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাছ ধরার কথা মনে হলে, আগের সুন্দর দিনগুলো কথা মনে পড়ে যায়

সমীকরণ প্রতিবেদন
আগস্ট ১১, ২০১৬ ৯:০৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

U…`„আওয়াল হোসেন: গ্রাম বাংলার খালে বিলে এখন আর মাছ ধরার দৃশ্য চোখে পড়ে না। গ্রামাঞ্চলের মানুষ মাছ ধরার বিভিন্ন ধরণের উপকরণ ব্যবহার করে খালে বিলে এবং নদীতে ঠেলা জাল,ব্যসালী,পলো.টানা জাল,চাক পলো দিয়ে মাছ ধরতো। বর্তমানে এ অঞ্চলের খাল বিলে পানি না থাকায় খাল বিল গুলো ফসলের ক্ষেতে পরিনত হয়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমে মাথাভাঙ্গা নদী থেকে গোপাল খালি খাল দিয়ে পানি ঢুকে পরানপুরের বেতো গাড়ী বিল, নলগাড়ীর বিল, দুধপাতিলা বিল, বটজল, হন্দর, ডাঙ্গা পাড়ার জোল,সুনডো এবং দুখেরগাড়ীসহ এ এলাকার খালে বিলে নানা প্রজাতির দেশী মাছ প্রবেশ করতো। বর্তমানে মাথাভাঙ্গা নদী  খালে পরিনত হওয়ায় এবং  শুস্ক মৌসুমে পানি শুকিয়ে যাওয়ায় এসব মাছ হারিয়ে গেছে। দেশী মাছ আর চোখে পড়ে না। খালে বিলে কীটনাশক দিয়ে উন্নত পদ্ধতিতে মাছ চাষ করায় এসব মাছ বিলিন হয়ে গেছে। দেশী মাছের মধ্যে ভ্যাডা মাছ বা নয়ন া মাছ,দেশী শিং মাছ,মাগুর মাছ,পুটি,ঝায়া মাছ,টেংরা মাঠ,চিতল মাছ,পাকাল,তোড়া,লাঠা মাছ,বেলে মাঠ,বাগদা চিংড়া,দেশী চিংড়া, ওকল মাছসহ  নানা প্রজাতির পাওয়া যেতো। এছাড়া বর্ষা মৌসুম এলে গ্রামে গ্রামে কথকের কবিতার সুরে সুরে খাদিম,দোয়াড়ী,খনে,বৃত্তি বানানোর ধুম পড়ে যেতো। খালে বিলে পানি না থাকায় এসব মাছ ধরা উপকরণ বিলিন হয়ে গেছে। এছাড়া শীতের শুরুতে বিলে বিলে ঠেলা জাল, ব্যসালী, পলো. টানা জাল, চাক পলো দিয়ে শত শত মানুষের লাইন দিয়ে মাছ ধরার দৃশ্য আর চোখে পড়ে না। একদিকে পানি নেই, অন্য দিকে খাল বিল সব ভরাট হয়ে ফসলের মাঠে পরিনত হয়েছে। চলার পথে মাথাভাঙ্গা নদীতে কয়েকজন কিশোর মারুফ,সাইদুল ইসলাম,অক্কাস আলী  ও মাজেদুল ঠেলা জাল দিয়ে মাছ ধরার দৃশ্য চোখে পড়তেই ছবি তুলে নিলাম। আর এই ছবিই বিগত দিনের সকলকে মাছ ধরার কথা মনে করিয়ে দেয়। আর মাছ ধরার কথা মনে হয় আগের দিনগুলো কত সুন্দর ছিল মনে পড়ে যায়।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।