চুয়াডাঙ্গা শনিবার , ২৬ আগস্ট ২০১৭
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মহাকাশ গবেষণায় দানবীয় ক্যামেরা!

সমীকরণ প্রতিবেদন
আগস্ট ২৬, ২০১৭ ৮:২৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

প্রযুক্তি ডেস্ক: মহাকাশ গবেষণায় খুব শিগগিরই উন্মোচন হতে যাচ্ছে এই দানবীয় ডিজিটাল ক্যামেরার। ৩২০০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা! তবে এ ক্যামেরাটি ব্যবহৃত হবে মহাকাশ গবেষণায়। মহাকাশ নিয়ে যারা গবেষণা করেন, তাদের কাছে ‘ডার্ক এনার্জি’ একটি রোমাঞ্চকর বিষয়। এই রহস্যময় মহাকর্ষ বল ছড়িয়ে রয়েছে বিশ্বব্রহ্মা-জুড়ে। ১৯৯৮ সালে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন যে, আমাদের ব্রহ্মা-ের বিস্তৃতি ঘটছে খুব দ্রুত। আর সেখানেই তাদের আগ্রহ। বিশ্বের ২৩টি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা একজোট হয়েছেন নতুন একটি টেলিস্কোপ বানানোর কাজে। এই ক্যামেরাটি অসীম মহাকাশে ‘ডার্ক এনার্জি’র খোঁজ করবে। এটার নাম দেওয়া হয়েছে লার্জ সিনোপ্টিক সার্ভে টেরিস্কোপ (এলএসএসটি)। এই দানবীয় ডিজিটাল ক্যামেরাটি বসানো হবে পৃথিবীতে। লাখ লাখ আলোকবর্ষ দূরের বিভিন্ন গ্যালাক্সির ছবি তুলবে এটি। বর্তমানে যে টেলিস্কোপগুলো কাজ করছে, এলএসএসটি তার চেয়ে অনেক দূরের ছবি তুলতে সক্ষম। আকাশের দিকে তাক করা হলে এর ফিল্ড অব ভিউ মাত্র ১০ বর্গ ডিগ্রি। তবে তা লক্ষ আলোকবর্ষ দূরের গ্যালাক্সির ছবি তুলতে পারবে। ও’কনর এই ক্যামেরার সেন্সর দিয়েছেন ৩২০০ মেগাপিক্সেল। কাজেই শক্তিটা দানবের মতো। খোলা চোখে আমরা আকাশের কোনো তারকাকে যেমনটা দেখতে পাই, ওই ক্যামেরা তার চেয়ে ১০০ মিলিয়ন গুণ পরিষ্কারভাবে দেখা যাবে। মহাকাশের গবেষণায় এর চেয়ে বৃহৎ ক্যামেরা আর বানানো হয়নি। এর মাধ্যমে অতিবেগুনী রশ্মি কিংবা ইনফ্রারেড রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের কাছাকাছি আলো ধরা যাবে। ক্যামেরাটি ৩ মিটার লম্বা। উচ্চতা ১.৬৫ মিটার। এর ওজন ২৮০০ কেজি। আগেই বলা হয়েছে, এটা ৩২০০ মেগাপিক্সেলের একটি ক্যামেরা। ২০১৯ সাল থেকে এটি কাজ শুরু করবে। বিজ্ঞানীদের আশা, এটা দিয়ে ডার্ক এনার্জি সম্পর্কে আরো সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের করে আনা যাবে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।