মবিলের ড্রামে ৫ লিটার ফেনসিডিল! নারীসহ ৪ মাদকব্যবসায়ী আটক

390

চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর ফাড়ি পুলিশের পৃথক অভিযান : ৪৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার

 

নিজস্ব প্রতিবেদক/দর্শনা অফিস: চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর ক্যাম্প পুলিশের পৃথক তিনটি মাদক বিরোধী অভিযানে মোটরসাইকেলসহ ৪ মাদকব্যবসায়ী আটক হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাদক বিরোধী অভিযানে দর্শনার ইমরান ও আশরাফুল, রাঙ্গিয়ারপোতার নুরজাহান ও জীবননগরের জাহাঙ্গীরকে ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। এসময় মাদকব্যবসায়ীদের কাছ থেকে একটি পালসার মোটরসাইকেল আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় পলাতক দেখিয়ে রুবেল নামের একজনকে আসামী করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গতকাল বৃহ¯পতিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে বেগমপুর ক্যা¤প পুলিশের ইনচার্জ এসআই মাসনুন আলম, এএসআই আব্দুল হামিদ ও সুমন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দর্শনা-জীবননগর সড়কের বন্ধুতলা নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় যানবাহনের অপেক্ষায় থাকা বেগমপুর ইউনিয়নের রাঙ্গিয়ারপোতা নতুনপাড়া গ্রামের নুরজাহান বেগমকে আটক করে। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ২৪ বোতল ফেনসিডিল। আটককৃত নুরজাহান (৫০) রাঙ্গিয়ারপোতা গ্রামের মৃত হুজুর আলীর স্ত্রী।
এরপর বেলা পৌনে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেগমপুর ক্যা¤প পুলিশের ইনচার্জ এসআই মাসনুন আলম, এএসআই আব্দুল হামিদ ও সুমনসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বেগমপুর ফুলতলা নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন। সেখানে দু জনের গতিরোধ করে জীবননগর উপজেলার লক্ষিপুর গ্রামের কাশেম ফকিরের ছেলে জাহাঙ্গীরকে (৩২) আটক করে। তার কাছে থাকা ৫ লিটারের একটি মবিলের ড্রাম থেকে তরল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। ৫ লিটার ফেনসিডিল ৫০ বোতলের সমপরিমাণ। এসময় জাহাঙ্গীরের সাথে থাকা একই পাড়ার আব্দুল হামিদের ছেলে রুবেল (২৮) পালিয়ে যায়।
বিকাল সোয়া ৫ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক বেগমপুর ক্যা¤প পুলিশের ইনচার্জ এসআই মাসনুন আলম, এএসআই আব্দুল হামিদ ও সুমন সহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মাদক বিরোধী অভিযান চালায় বেগমপুর ইউনিয়নের রাঙ্গীয়ারপোতা গ্রামে। এসময় একটি লাল খয়েরি রংয়ের ১৫০ সিসি পালসার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে (যার নং-চুয়াডাঙ্গা-ল-১১-০০৫৬)। এসময় ২৪ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয় দর্শনা পুরাতন বাজারের ইমদাদুল হকের ছেলে ইমরান হোসেন (২৫) একই এলাকার আমিরুল ইসলামের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (২৪)। এছাড়া মাদকব্যবসার কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল আটক করা হয়। পরে আটককৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেল, ফেনসিডিলসহ চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।